১৮০ নং আয়াতের তাফসীর:
যারা সম্পদ জমা করে রাখে কিন্তু তার যাকাত আদায় করে না তারা যেন মনে না করে যে, তাদের গচ্ছিত সম্পদ তাদের উপকারে আসবে। বরং তা হবে তাদের জন্য ক্ষতিকর, কিয়ামাতের দিন সম্পদ তাদের গর্দানে পেঁচিয়ে দেয়া হবে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু সে ঐ সম্পদের যাকাত দেয় না, তার মাল কিয়ামাতের দিন টাক মাথাবিশিষ্ট এবং চোখের ওপর দু’টি চিহ্নযুক্ত সাপ বানিয়ে গলাবন্ধের ন্যায় তার গলায় জড়িয়ে দেয়া হবে। অতঃপর তাকে দংশন করতে থাকবে এবং বলতে থাকবে- আমি তোমার মাল, আমি তোমার ধনভাণ্ডার। তারপর এ আয়াতটি তেলাওয়াত করেন। (সহীহ বুখারী হা: ৫৪৬৫)
যারা সম্পদের যাকাত আদায় করে না তাদের শাস্তির ব্যাপারে অনেক সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (দেখুন: ইবনে কাসীর, অত্র আয়াতের তাফসীর)
অতএব আল্লাহ তা‘আলা প্রদত্ত সম্পদের সদ্ব্যবহারস্বরূপ যাকাত আদায় করে সম্পদ পবিত্র করে নিয়ে পরকালীন শাস্তি থেকে পরিত্রাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. যাকাত একটি ইবাদত। তা আদায় করলে সম্পদ পবিত্র হয়।
২. যাকাত অনাদায়ে অনেক শাস্তি রয়েছে।
৩. সম্পদ আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ। তাই যাকাত আদায় করে তাঁর কৃতজ্ঞ বান্দায় পরিণত হওয়া উচিত।