২৫ নং আয়াতের তাফসীর:
যে সকল পুরুষ স্বাধীন মু’মিন নারীকে বিবাহ করতে আর্থিক সক্ষম নয় তবে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাদের জন্য বৈধ রয়েছে যে, তারা মু’মিন দাসীদেরকে তাদের মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে বিবাহ করতে পারবে।
তাদের মাহর দিতে হবে যেমন স্বাধীন মু’মিনা নারীকে দেয়া হয়। অবশ্যই যেন এসব দাসী ব্যভিচার থেকে পুত-পবিত্র থাকে এবং যাতে কোন পরকিয়ায় জড়িত না থাকে।
মোটকথা, একজন স্বাধীন মুসলিম ব্যক্তির একজন ক্রীতদাসীকে বিবাহ করা বৈধ চারটি শর্তে:
১. বাহ্যিক পবিত্র থাকতে হবে।
২. অভ্যন্তরীণ পবিত্র থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে কোন প্রকার ব্যভিচারে লিপ্ত থাকতে পারবে না।
৩. স্বাধীন মু’মিন নারীকে মাহর ও ভরণ পোষণ দিতে অক্ষম।
৪. যে ব্যক্তি নিজের ব্যাপারে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা করে।
যদি ক্রীতদাসীরা বিবাহিত হয়ে যায় বা ইসলাম কবুল করে নেয়, আর ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তাহলে স্বাধীন ব্যক্তিকে যে ১০০ বেত্রাঘাত করা হয় তাদেরকে তার অর্ধেক চল্লিশটি বেত্রাঘাত করতে হবে।
আর অবিবাহিত হলে শিক্ষামূলক শাস্তি দিলেই হবে। এর পরেও যদি দাসীকে বিবাহ না করে ধৈর্য ধারণ করে তাহলে তাই উত্তম। (তাফসীরে সা‘দী, পৃঃ ১৫৬)
আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়:
১. যারা স্বাধীন মু’মিনা নারীকে বিবাহ করতে অক্ষম তারা দাসীদের চারটি শর্তে বিবাহ করতে পারে। তবে এ থেকেও ধৈর্য ধারণ শ্রেয়।
২. দাসীদের শাস্তি স্বাধীনাদের অর্ধেক।