Sign in
Sign in
Sign in
Select Language

Tafsir: At-Tawbah 9:121

9:121
ولا ينفقون نفقة صغيرة ولا كبيرة ولا يقطعون واديا الا كتب لهم ليجزيهم الله احسن ما كانوا يعملون ١٢١
وَلَا يُنفِقُونَ نَفَقَةًۭ صَغِيرَةًۭ وَلَا كَبِيرَةًۭ وَلَا يَقْطَعُونَ وَادِيًا إِلَّا كُتِبَ لَهُمْ لِيَجْزِيَهُمُ ٱللَّهُ أَحْسَنَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ١٢١
وَلَا
يُنفِقُونَ
نَفَقَةٗ
صَغِيرَةٗ
وَلَا
كَبِيرَةٗ
وَلَا
يَقۡطَعُونَ
وَادِيًا
إِلَّا
كُتِبَ
لَهُمۡ
لِيَجۡزِيَهُمُ
ٱللَّهُ
أَحۡسَنَ
مَا
كَانُواْ
يَعۡمَلُونَ
١٢١
And whenever they make a donation, small or large, or cross a valley ˹in Allah’s cause˺—it is written to their credit, so that Allah may grant them the best reward for what they used to do.
Tafsirs
Layers
Lessons
Reflections
Answers
Qira'at
Hadith

আল্লাহ পাক বলেন- এই গাযী লোকগুলো আল্লাহর পথে ছোট বড় খরচও করে এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে বন জঙ্গলের অল্পবিস্তর পথ অতিক্রমও করে। এর প্রতিদান তারা অবশ্যই পাবে। আল্লাহ তা'আলা এখানে (আরবী) বলেছেন। আর পূর্ববর্তী আয়াতে (আরবী) বলেছেন। এই, (আরবী) -এর ভাবার্থ এই যে, এই খরচকরণ এবং শত্রুদের দিকে এই গমনাগমন হচ্ছে তাদের ব্যক্তিগত ও নিজস্ব কাজ। এ জন্যেই এই আয়াতে শারীফায় (আরবী) বলেছেন। আর পূর্ববর্তী আয়াতে কারীমায় আল্লাহর পথে ক্ষুধা, পিপাসা ইত্যাদির কষ্ট আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ছিল। এ জন্যে এ আয়াতে (আরবী) ও আনা হয়নি এবং আমলকে তাদের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করাও হয়নি। আমীরুল মুমিন উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) এই আয়াতে কারীমা হতে একটা পূর্ণ ও বিরাট অংশ লাভ করেছেন। কেননা, তাবুকের যুদ্ধে তিনি মুসলিম সেনাবাহিনীকে তার প্রচুর সম্পদ দান করেছিলেন। ইবনে হাব আসসালমী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) একদা ভাষণ দান করেন এবং এই দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্যে জনগণকে উৎসাহিত ও উত্তেজিত করেন। তখন উসমান (রাঃ) বললেনঃ “আমার উপর রইলো জিন ও গদিসহ একশটি উট (অর্থাৎ আমি একশটি উট দান করবো)।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) পুনরায় কওমের কাছে চাঁদা চাইলেন। এবারও উসমান (রাঃ) বললেনঃ “আমার উপর থাকলো জিন, গদি ইত্যাদিসহ একশ'টি উট।” নবী (সঃ) মিম্বরের উপর থেকে এক সিঁড়ি নেমে আবার বললেনঃ “হে লোক সকল! আরো সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে।” তখন উসমান (রাঃ) বললেনঃ “সাজ ও সামানসহ একশ’টি উট।” (বর্ণনাকারী বলেন) আমি তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে দেখলাম যে, তিনি খুশীতে তাঁর হাত এভাবে নাড়াচ্ছেন (সর্বশেষ বর্ণনাকারী আব্দুস সামাদ (রঃ) এ কথা বলার সময় তাঁর হাত নাড়ালেন) এবং তিনি (নবী সঃ) বললেনঃ “এরপর উসমান (রাঃ) যে আমলই করুক না কেন তার (জাহান্নামের আগুনে দগ্ধীভূত হওয়ার) আর কোন ভয় নেই।” অতঃপর উসমান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কাছে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার একটি থলে নিয়ে আসলেন এবং তা তাঁর ক্রোড়ে রেখে দিলেন, যেন তিনি তা দিয়ে অভাব ও অসুবিধাগ্রস্ত সেনাবাহিনীর যুদ্ধ যাত্রার প্রস্তুতি গ্রহণের ব্যবস্থা করেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বর্ণমুদ্রাগুলো নাড়াচ্ছিলেন এবং বলছিলেনঃ “আজ থেকে উসমান (রাঃ)-কে তার কোন আমল কোন কষ্টে ফেলতে পারবে না। এই এক আমলই তার মুক্তির জন্যে যথেষ্ট।” আর খুশীতে তিনি বার বার ঐ মুদ্রাগুলোকে নাড়াচাড়া করছিলেন। (এ হাদীসটি আব্দুর রহমান ইবনে সামরা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন)কাতাদা (রঃ) আল্লাহ তা'আলার। (আরবী)-এই উক্তি সম্পর্কে বলেন যে, আল্লাহর পথে সফর করতে গিয়ে মানুষ যত দূর পথ অতিক্রম করে ততই তারা আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভের দিক দিয়ে সামনে এগিয়ে যায়।