৩৫.সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে যা তারা ইচ্ছে করবে, আর আমার কাছে (তাছাড়াও) আরো বেশি আছে। ৩৬.তাদের পূর্বে আমি কত জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রবল, যার ফলে তারা দুনিয়া চষে বেড়াত; তারা পালানোর কোন জায়গা পেয়েছিল কি? ৩৭.এতে অবশ্যই উপদেশ রয়েছে তার জন্য যার আছে (বোধশক্তিসম্পন্ন) অন্তর কিংবা যে খুব মন দিয়ে কথা শুনে। ৩৮.আকাশ, যমীন আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা আমি ছ’ দিনে সৃষ্টি করেছি; ক্লান্তি আমাকে স্পর্শ করেনি। (আমি সকল মানুষকে বিচারের জন্য হাজির করবই)। ৩৯.কাজেই তারা (মিথ্যা, উপহাসপূর্ণ ও অপমানজনক কথা) যা বলে তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর আর সূর্যোদয়ের পূর্বে আর সূর্যাস্তের পূর্বে তোমার প্রতিপালকের মহিমা ও প্রশংসা ঘোষণা কর। ৪০.আর তাঁর প্রশংসা ঘোষণা কর রাত্রির একাংশে আর নামাযের পরে। ৪১.আর শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী (প্রত্যেক ব্যক্তির) নিকটবর্তী স্থান থেকে ডাক দিবে, ৪২.যেদিন সমস্ত মানুষ প্রকৃতই শুনতে পাবে এক (ভয়ংকর) ধ্বনি। সেদিনটি হবে (ভূগর্ভ থেকে সকল আত্মার) বের হওয়ার দিন। ৪৩.আমিই জীবন দেই, আমিই মুত্যু দেই, আর আমার কাছেই (সব্বাইকে) ফিরে আসতে হবে। ৪৪.যেদিন পৃথিবী দীর্ণ বিদীর্ণ হবে, আর মানুষ ছুটে যাবে (হাশরের পানে)। এই একত্রীকরণ আমার জন্য খুবই সহজ। ৪৫.তারা (তোমার বিরুদ্ধে) যা বলে তা আমি ভাল করেই জানি, তুমি তাদের উপর জবরদস্তিকারী নও। কাজেই যে আমার শাস্তির ভয়প্রদর্শনকে ভয় করে, তাকে তুমি কুরআনের সাহায্যে উপদেশ দাও।
১.শপথ সেই বাতাসের যা ধূলাবালি উড়ায়, ২.আর যা উঠিয়ে নেয় আর বহন করে ভারী বোঝা, ৩.আর যা ধীর ও শান্ত গতিতে বয়ে চলে ৪.আর যারা কর্ম বণ্টন করে, ৫.তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সত্য। ৬.কর্মফল দিবস অবশ্যই আসবে।