৫০.তারা যেন ভয়ে সন্ত্রস্ত গাধা, ৫১.সিংহের সামনে থেকে পালাচ্ছে। ৫২.বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই চায়, তাকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) খোলা চিঠি দেয়া হোক (এই মর্মে যে, তোমরা এই নবীকে মেনে নাও)। ৫৩.না, তা কক্ষনো হতে পারে না, বরং (কথা এই যে) তারা আখিরাতকে ভয় করে না। ৫৪.না, তা হতে পারে না, এটা (অর্থাৎ কুরআন সকলের জন্য) উপদেশবাণী। ৫৫.এক্ষনে যার ইচ্ছে তাত্থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুক। ৫৬.আল্লাহর ইচ্ছে ব্যতীত কেউ উপদেশ গ্রহণ করবে না, তিনিই ভয়ের যোগ্য, তিনিই ক্ষমা করার অধিকারী।
১.আমি কসম করছি ক্বিয়ামতের দিনের, ২.আমি আরো কসম করছি সেই মনের যে (অন্যায় কাজ ক’রে বসলে) নিজেকে ধিক্কার দেয় (যে তোমাদেরকে অবশ্যই আবার জীবিত করে উঠানো হবে)। ৩.মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার হাড়গুলোকে একত্রিত করতে পারব না। ৪.কেন নয়, আমি তার আঙ্গুলের ডগা পর্যন্ত সঠিকভাবে বানিয়ে দিতে সক্ষম ৫.কিন্তু মানুষ তার আগামী দিনগুলোতেও পাপাচার করতে চায়। ৬.সে জিজ্ঞেস করে, ‘ক্বিয়ামত দিবস কবে?’ ৭.যখন চোখ ধাঁধিয়ে যাবে, ৮.চাঁদ হয়ে যাবে আলোকহীন ৯.সুরুজ আর চাঁদকে একত্রে জুড়ে দেয়া হবে, ১০.সেদিন মানুষ বলবে- ‘আজ পালানোর জায়গা কোথায়?’ ১১.মোটেই না, আশ্রয়ের কোন জায়গা নেই। ১২.সেদিন ঠাঁই হবে (একমাত্র) তোমার প্রতিপালকেরই নিকট। ১৩.সেদিন মানুষকে জানিয়ে দেয়া হবে সে কী (‘আমাল) আগে পাঠিয়েছে আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছে। ১৪.আসলে মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে চাক্ষুসভাবে অবগত।