৬.হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলে দিয়েছে? ৭.যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, অতঃপর তোমাকে করেছেন ভারসাম্যপূর্ণ। ৮.তিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছেমত আকৃতিতে গঠন করেছেন। ৯.না (তোমাদের এই বিভ্রান্তি মোটেই সঠিক নয়), তোমরা তো (আখেরাতের) শাস্তি ও পুরস্কারকে অস্বীকার করে থাক; ১০.অবশ্যই তোমাদের উপর নিযুক্ত আছে তত্ত্বাবধায়কগণ; ১১.সম্মানিত লেখকগণ (যারা লিপিবদ্ধ করছে তোমাদের কার্যকলাপ), ১২.তারা জানে তোমরা যা কর। ১৩.নেককারগণ থাকবে নানান নি‘মাতের মাঝে ১৪.আর পাপীরা থাকবে জাহান্নামে, ১৫.কর্মফলের দিন তারা তাতে প্রবেশ করবে। ১৬.তারা সেখান থেকে কক্ষনো উধাও হয়ে যেতে পারবে না। ১৭.তুমি কি জান কর্মফলের দিনটি কী? ১৮.আবার বলি, তুমি কি জান কর্মফলের দিনটি কী ? ১৯.সেদিন কোন মানুষ অপরের জন্য কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না, সেদিন সকল কর্তৃত্ব থাকবে একমাত্র আল্লাহরই (ইখতিয়ারে)।
১.দুর্ভোগ ঠকবাজদের জন্য (যারা মাপে বা ওজনে কম দেয়), ২.যারা লোকের কাছ থেকে মেপে নেয়ার সময় পুরামাত্রায় নেয়, ৩.আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় বা ওজন ক’রে দেয় তখন কম দেয়। ৪.তারা কি চিন্তা করে না যে (তাদের মৃত্যুর পর) তাদেরকে আবার উঠানো হবে, ৫.এক মহা দিবসে। ৬.যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে। ৭.(তারা যে সব ধারণা করছে তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই পাপীদের ‘আমালনামা সিজ্জীনে (সংরক্ষিত) আছে। ৮.তুমি কি জান সিজ্জীন কী ৯.সীলমোহরকৃত কিতাব। ১০.সেদিন দুর্ভোগ হবে অস্বীকারকারীদের,