১.তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর। ২.যিনি সৃষ্টি করেছেন অতঃপর করেছেন (দেহের প্রতিটি অঙ্গকে) সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৩.যিনি সকল বস্তুকে পরিমাণ মত সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর (জীবনে চলার) পথনির্দেশ করেছেন। ৪.যিনি তৃণ ইত্যাদি বের করেছেন। ৫.অতঃপর তাকে কাল আবর্জনায় পরিণত করেছেন। ৬.আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব, যার ফলে তুমি ভুলে যাবে না। ৭.তবে ওটা বাদে যেটা আল্লাহ (রহিত করার) ইচ্ছে করবেন। তিনি জানেন যা প্রকাশ্য আর যা গোপন। ৮.আমি তোমার জন্য সহজপথ (অনুসরণ করা) আরো সহজ করে দেব। ৯.কাজেই তুমি উপদেশ দাও যদি উপদেশ উপকার দেয়। ১০.যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করবে। ১১.আর তা উপেক্ষা করবে যে চরম হতভাগা। ১২.যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে। ১৩.অতঃপর সেখানে সে না (মরার মত) মরবে, আর না (বাঁচার মত) বাঁচবে। ১৪.সাফল্য লাভ করবে সে যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে, ১৫.আর তার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও নামায কায়েম করে। ১৬.কিন্তু তোমরা তো দুনিয়ার জীবনকেই প্রাধান্য দাও, ১৭.অথচ আখিরাতই অধিক উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী। ১৮.আগের কিতাবগুলোতে এ কথা (লিপিবদ্ধ) আছে, ১৯.ইবরাহীম ও মূসার কিতাবে।
১.(সব কিছুকে) আচ্ছন্নকারী কিয়ামাতের খবর তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? ২.কতক মুখ সেদিন নীচু হবে ৩.হবে কর্মক্লান্ত, শ্রান্ত। ৪.তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে। ৫.টগবগে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে তাদেরকে পান করানো হবে। ৬.কাঁটাযুক্ত শুকনো ঘাস ছাড়া তাদের জন্য আর কোন খাদ্য থাকবে না। ৭.যা পুষ্টিসাধন করবে না, আর ক্ষুধাও মিটাবে না।