৮.কতক মুখ সেদিন হবে আনন্দে উজ্জ্বল। ৯.নিজেদের চেষ্টা-সাধনার জন্য সন্তুষ্ট। ১০.উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে, ১১.সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা, ১২.সেখানে থাকবে প্রবহমান ঝর্ণা, ১৩.সেখানে থাকবে উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন আসন, ১৪.পানপাত্র থাকবে প্রস্তুত। ১৫.সারি সারি বালিশ, ১৬.আর থাকবে মখমল- বিছানো। ১৭.(ক্বিয়ামত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? ১৮.এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে? ১৯.এবং পর্বতমালার দিকে, কী রকম দৃঢ়ভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে? ২০.আর যমীনের দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে? ২১.কাজেই তুমি তাদেরকে উপদেশ দাও, তুমি একজন উপদেশদাতা মাত্র। ২২.তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও। ২৩.তবে কেউ কুফুরি করলে এবং মুখ ফিরিয়ে নিলে ২৪.আল্লাহ তাকে মহাশাস্তিতে শাস্তি দেবেন। ২৫.তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। ২৬.অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ।
১.ঊষার শপথ, ২.(জিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ রাতের শপথ, ৩.জোড় ও বেজোড়ের শপথ, ৪.আর রাতের শপথ যখন তা গত হতে থাকে, ৫.অবশ্যই এতে জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য শপথ আছে। ৬.তুমি কি দেখনি তোমার প্রতিপালক ‘আদ জাতির সঙ্গে কী ব্যবহার করেছিলেন? ৭.উচ্চ স্তম্ভ নির্মাণকারী ইরাম গোত্রের প্রতি? ৮.যার সমতুল্য অন্য কোন দেশে নির্মিত হয়নি। ৯.এবং সামূদের প্রতি যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল?