৬.শপথ যমীনের আর সেটা যিনি বিছিয়েছেন তাঁর, ৭.শপথ প্রাণের আর তাঁর যিনি তা সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন, ৮.অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। ৯.সেই সফলকাম হয়েছে যে নিজ আত্মাকে পবিত্র করেছে। ১০.সেই ব্যর্থ হয়েছে যে নিজ আত্মাকে কলূষিত করেছে। ১১.সামূদ জাতি সীমালঙ্ঘন ক’রে (তাদের নবীকে মেনে নিতে) অস্বীকার করেছিল। ১২.যখন তাদের সবচেয়ে হতভাগা লোকটি মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। ১৩.তখন আল্লাহর রাসূল (সালিহ) তাদেরকে বলল, ‘এটা আল্লাহর উটনি, একে পানি পান করতে বাধা দিও না। ১৪.কিন্তু তারা রসূলের কথা অগ্রাহ্য করল এবং উটনির পায়ের রগ কেটে দিল। শেষ পর্যন্ত তাদের পাপের কারণে তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ধ্বংস করে মাটিতে মিশিয়ে দিলেন। ১৫.আর তিনি (তাঁর এ কাজের) কোন খারাপ পরিণতির ভয় মোটেই পোষণ করেন না।
১.শপথ রাতের যখন তা (আলোকে) ঢেকে দেয়, ২.শপথ দিনের যখন তা উদ্ভাসিত হয়ে উঠে। ৩.আর শপথ তাঁর যিনি সৃষ্টি করেছেন পুরুষ ও নারী, ৪.তোমাদের চেষ্টা সাধনা অবশ্যই বিভিন্নমুখী। ৫.অতএব যে ব্যক্তি (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) দান করে ও (আল্লাহকে) ভয় করে, ৬.এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে, ৭.আমি তার জন্য সহজ পথে চলা সহজ করে দেব। ৮.আর যে ব্যক্তি কৃপণতা করে আর (আল্লাহর প্রতি) বেপরোয়া হয়, ৯.আর যা উত্তম তা অমান্য করে, ১০.আমি তার জন্য কঠিন পথ (অর্থাৎ অন্যায়, অসত্য, হিংসা ও হানাহানির পথ) সহজ করে দিব। ১১.যখন সে ধ্বংস হবে (অর্থাৎ মরবে) তখন তার (সঞ্চিত) ধন-সম্পদ কোনই কাজে আসবে না। ১২.সঠিক পথ দেখানো অবশ্যই আমারই কাজ ১৩.আর পরকাল ও ইহকালের একমাত্র মালিক আমি। ১৪.কাজেই আমি তোমাদেরকে দাউ দাউ ক’রে জ্বলা আগুন সম্পর্কে সতর্ক করে দিচ্ছি। ১৫.চরম হতভাগা ছাড়া কেউ তাতে প্রবেশ করবে না। ১৬.যে অস্বীকার করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয় ১৭.তাত্থেকে দূরে রাখা হবে এমন ব্যক্তিকে যে আল্লাহকে খুব বেশি ভয় করে, ১৮.যে পবিত্রতা অর্জনের উদ্দেশ্যে নিজের ধন-সম্পদ দান করে,