প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
ভাষা নির্বাচন কর

তাফসির: Yunus ১০:১০৬

১০:১০৬
ولا تدع من دون الله ما لا ينفعك ولا يضرك فان فعلت فانك اذا من الظالمين ١٠٦
وَلَا تَدْعُ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكَ وَلَا يَضُرُّكَ ۖ فَإِن فَعَلْتَ فَإِنَّكَ إِذًۭا مِّنَ ٱلظَّـٰلِمِينَ ١٠٦
وَلَا
تَدْعُ
مِنْ
دُوْنِ
اللّٰهِ
مَا
لَا
یَنْفَعُكَ
وَلَا
یَضُرُّكَ ۚ
فَاِنْ
فَعَلْتَ
فَاِنَّكَ
اِذًا
مِّنَ
الظّٰلِمِیْنَ
۟
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে আহবান করো না এমন কিছুকে যা না পারে তোমার কোন উপকার করতে, আর না পারে ক্ষতি করতে; যদি তুমি তা কর তাহলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
উত্তর
কিরাত
হাদিস
10:104 10:107 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন

১০৪-১০৭ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল মুহাম্মাদ (সঃ)-কে বলেনঃ তুমি বলে দাও-- হে লোক সকল! আমি যে দ্বীনে হানীফ (একনিষ্ঠ ধর্ম) নিয়ে এসেছি, যার অহী আমার উপর অবতীর্ণ হয়েছে, যদি এর সঠিকতা ও সত্যতার ব্যাপারে তোমাদের সন্দেহ হয়ে থাকে তবে জেনে রেখো যে, আমি তোমাদের উপাস্যদের কখনো উপাসনা করবো না। আমি এক ও অংশীবিহীন আল্লাহরই বান্দা, যিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকেন এবং যিনি তোমাদের জীবন দান করেছেন। নিঃসন্দেহে তোমাদের সকলকেই তারই নিকট ফিরে যেতে হবে। আচ্ছা, যদি ধরে নেয়া হয় যে, তোমাদের মা’রূদ সত্য, তবে তাদেরকে আমার কোন ক্ষতি করতে বলতো? জেনে রেখো যে, তাদের কারো লাভ বা ক্ষতি করার কোনই ক্ষমতা নেই। লাভ ও ক্ষতি করার হাত তো শরীকবিহীন আল্লাহর। হে নবী (সঃ)! তুমি কাফিরদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সম্পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর ইবাদতে লেগে যাও। শিরকের দিকে একটুও ঝুঁকে পড়ো না। যদি আল্লাহ তোমাকে ক্ষতির মধ্যে পরিবেষ্টন করেন, তবে কে এমন আছে যে, তোমাকে তা থেকে বের করতে পারে? লাভ ও ক্ষতি, কল্যাণ ও অকল্যাণ তো তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা সারা জীবন কল্যাণ অনুসন্ধান কর এবং আল্লাহর নিয়ামতসমূহ কামনা কর। আল্লাহর করুণার হাওয়া যে সৌভাগ্যবানকে স্পর্শ করেছে সে ভাগ্যবান। বটে। তিনি যাকে চান তার উপর নিজের করুণা বর্ষণ করেন। আল্লাহ পাকের নিকট প্রার্থনা কর যে, তিনি যেন তোমাদের দোষত্রুটি গোপন রাখেন এবং তোমাদেরকে যুগের বিপদাপদ এবং নফসের বিপদাপদ থেকে নিরাপত্তা দান করেন। তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তোমাদের যত বড়ই পাপ হাক না কেন, যদি তাওবা করে নাও, তবে তিনি তা ক্ষমা করে দেবেন। এমন কি শিরক করেও যদি তাওবা কর, তবে তাও তিনি ক্ষমা করবেন।