وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: Al-Isra ۸۳:۱۷

۸۳:۱۷
واذا انعمنا على الانسان اعرض وناى بجانبه واذا مسه الشر كان ييوسا ٨٣
وَإِذَآ أَنْعَمْنَا عَلَى ٱلْإِنسَـٰنِ أَعْرَضَ وَنَـَٔا بِجَانِبِهِۦ ۖ وَإِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ كَانَ يَـُٔوسًۭا ٨٣
وَإِذَآ
أَنۡعَمۡنَا
عَلَى
ٱلۡإِنسَٰنِ
أَعۡرَضَ
وَنَـَٔا
بِجَانِبِهِۦ
وَإِذَا
مَسَّهُ
ٱلشَّرُّ
كَانَ
يَـُٔوسٗا
٨٣
و چون به انسان نعمت [ثروت و سلامتی] می‌دهیم، روى مى‌گردانَد و [از شکرگزاری و عبادت] دورى مى‌کند و چون بدی [و گزندی] به او می‌رسد، [از رحمت الهی] ناامید مى‌گردد.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 17:83 تا 17:84

৮৩-৮৪ নং আয়াতের তাফসীর ভাল ও মন্দ কল্যাণ ও অকল্যাণের ব্যাপারে মানুষের যে অভ্যাস রয়েছে, কুরআন কারীমের এই আয়াতে তারই বর্ণনা দেয়া হয়েছে। মানুষের অভ্যাস এই যে, সে মাল, দৈহিক সুস্থতা, বিজয়, জীবিকা, সাহায্য, পৃষ্ঠপোষকতা, স্বচ্ছলতা এবং সুখ শান্তি পেলেই চক্ষু ফিরিয়ে নেয় এবং আল্লাহ হতে দূরে সরে পড়ে। দেখে মনে হয় যেন সে কখনো বিপদে পড়ে নাই বা পড়বেও না।পক্ষান্তরে যখন তার উপর কষ্ট ও বিপদ-আপদ এসে পড়ে তখন সে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে পড়ে এবং মনে করে যে, সে আর কখনো কল্যাণ, মুক্তি ও সুখ-শান্তি লাভ করবেই না। কুরআন কারীমের অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “যখন আমি মানুষকে আমার করুণার স্বাদ গ্রহণ করাই, অতঃপর তা তার থেকে টেনে নিই, তখন সে নিরাশ ও অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়। আর যদি তাকে বিপদ-আপদ স্পর্শ করার পর আমি তাকে নিয়ামতের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন সে বলেঃ বিপদ-আপদ আমা থেকে দূর হয়ে গেছে, তখন সে আনন্দিত ও অহংকারী হয়ে পড়ে। কিন্তু যারা ধৈর্য ধারণ করে ও সৎ কার্যাবলী সম্পাদন করে তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও বড় প্রতিদান।” (১১:৯-১১)আল্লাহ পাক বলেনঃ প্রত্যেকেই নিজ প্রকৃতি অনুযায়ী কাজ করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে চলার পথে কে সর্বাপেক্ষা নির্ভুল তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন। এতে মুশরিকদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা যে নীতির উপর কাজ করে যাচ্ছে এবং ওটাকেই সঠিক মনে করছে, কিন্তু এটা যে, সঠিক পন্থা নয় তা তারা আল্লাহ তাআলার কাছে গিয়ে জানতে পারবে। তারা যে পথে রয়েছে। তা যে কত বড় বিপজ্জনক পথ তা সেইদিন তারা বুঝতে পারবে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! তুমি বেঈমানদেরকে বলে দাওঃ আচ্ছা ঠিক আছে, তোমরা নিজের জায়গায় কাজ করে যাও (শেষ পর্যন্ত)।” প্রতিদানের সময় এটা নয়, এটা হবে কিয়ামতের দিন। সেই দিনই হবে পাপ ও পূণ্যের পার্থক্য। ঐদিন সবাই নিজনিজ কৃতকর্মের প্রতিদান পেয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলার কাছে কোন কিছুই গোপন নেই।