وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: Al-Mujadila ۶:۵۸

۶:۵۸
يوم يبعثهم الله جميعا فينبيهم بما عملوا احصاه الله ونسوه والله على كل شيء شهيد ٦
يَوْمَ يَبْعَثُهُمُ ٱللَّهُ جَمِيعًۭا فَيُنَبِّئُهُم بِمَا عَمِلُوٓا۟ ۚ أَحْصَىٰهُ ٱللَّهُ وَنَسُوهُ ۚ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ شَهِيدٌ ٦
يَوۡمَ
يَبۡعَثُهُمُ
ٱللَّهُ
جَمِيعٗا
فَيُنَبِّئُهُم
بِمَا
عَمِلُوٓاْۚ
أَحۡصَىٰهُ
ٱللَّهُ
وَنَسُوهُۚ
وَٱللَّهُ
عَلَىٰ
كُلِّ
شَيۡءٖ
شَهِيدٌ
٦
روزی‌ که الله همۀ آنها را [از گور] برمی‌انگیزد، سپس آنها را از آنچه کرده‌اند باخبر می‌سازد؛ [همان اعمالی که] الله حساب آن را نگه داشته، اما آنها فراموشش کرده‌اند؛ و الله بر همه چیز، گواه [و ناظر] است.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 58:5 تا 58:7

৫-৭ নং আয়াতের তাফসীর: যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ করে এবং শরীয়তের আহকাম হতে বিমুখ হয়ে যায় তাদের সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, তাদেরকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করা হবে যেমন লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করা হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীদেরকে।মহান আল্লাহ বলেনঃ এভাবেই সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেছি এবং নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করে দিয়েছি, যাদের অন্তরে ঔদ্ধত্যপনা রয়েছে তারা ছাড়া কেউই এগুলো অস্বীকার করতে পারে না। আর যারা এগুলো অস্বীকার করে তারা কাফির এবং এসব কাফিরের জন্যে এখানে রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি এবং এরপর পরকালেও তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি অপেক্ষা করছে। এখানে তাদেরকে তাদের অহংকার আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়া হতে বিরত রাখছে, এর প্রতিফল হিসেবে তাদেরকে পরকালে সীমাহীনভাবে অপদস্থ করা হবে। যেদিন তারা হবে চরমভাবে পদদলিত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত মানুষকে একই ময়দানে একত্রিত করবেন এবং তারা দুনিয়ায় ভালমন্দ যা করতো তা তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে। যদিও তারা বিস্মৃত হয়েছে, কিন্তু আল্লাহ্ ওর হিসাব ৱেখেছেন। তাঁর ফেরেশতামণ্ডলী ওগুলো লিখে রেখেছেন। না আল্লাহ্ হতে কোন কিছু গোপন থাকে এবং না তিনি কোন কিছু ভুলে যান।মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেনঃ তোমরা যেখানেই থাকো এবং যে অবস্থাতেই থকো, আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদের সব কথাই শুনেন এবং তোমাদের সব অবস্থাই দেখেন। তাঁর নিকট কিছুই গোপন থাকে না। তার জ্ঞান সারা দুনিয়াকে পরিবেষ্টন করে রয়েছে। প্রত্যেক কাল ও স্থানের খবর তার কাছে সব সময়ই রয়েছে। আসমান ও যমীনের সমস্ত সৃষ্টির খবর তিনি রাখেন। তিনজন লোক মিলিত হয়ে পরস্পর অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরামর্শ করলেও তিনি চতুর্থজন হিসাবে তা শুনে থাকেন। সুতরাং তাদের এটা মনে করা উচিত নয় যে, তারা তিনজন আছে, বরং আল্লাহ্ তা'আলাকে চতুর্থজন হিসেবে গণ্য করা উচিত। অনুরূপভাবে পাচজন লোক পরস্পর গোপন পরামর্শ করলে ষষ্ঠজন আল্লাহ তাআলা রয়েছেন। তাদের এ ঈমান থাকতে হবে যে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন তাদের সাথে আল্লাহ্ রয়েছেন। তিনি তাদের অবস্থা অবগত আছেন এবং তাদের কথা শুনছেন। আবার এর সাথে সাথে তাঁর ফেরেশতামণ্ডলীও লিখতে রয়েছেন যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা কি জানে না যে, আল্লাহ তাআলা তাদের গোপনীয় কথা ও গোপন পরামর্শের খবর অবগত আছেন এবং আল্লাহ্ অদৃশ্যের খবর খুব ভাল জানেন?” (৯:৭৮)আর এক জায়গায় আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা কি মনে করে যে, আমি তাদের গোপন কথা ও গোপন পরামর্শ শুনি না? অথচ আমার প্রেরিত (ফেরেশতা) গণ তাদের নিকট লিখতে রয়েছে!” (৪৩:৮০)।অধিকাংশ গুরুজন এর উপর ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, এই আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো (আরবী) অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলার সত্তা সব জায়গাতেই বিদ্যমান থাকা নয়, বরং তার ইলম সব জায়গায়ই বিদ্যমান রয়েছে, এটাই উদ্দেশ্য। তিনজনের সমাবেশে চতুর্থটি হবে তাঁর ইলম। নিঃসন্দেহে এ বিষয়ের উপর পূর্ণ ঈমান রাখতে হবে যে, এখানে আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলার সত্তা সঙ্গে থাকা উদ্দেশ্য নয়, বরং তার ইলম সব জায়গায় বিদ্যমান থাকাই উদ্দেশ্য। হ্যাঁ, তবে এটা সুনিশ্চিত যে, তাঁর শোন এবং দেখাও এভাবেই তাঁর ইলমের সাথে রয়েছে। মহান আল্লাহ্ তাঁর সমস্ত মাখলুকের কার্যাবলী সম্যক অবগত। তাদের কোন কাজই তার নিকট গোপনীয় নয়। সুতরাং তারা যা কিছু করছে, তিনি কিয়ামতের দিন তাদেরকে তা জানিয়ে দিবেন। আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে সম্যক অবগত। হযরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ্ তা'আলা এই আয়াতকে ইলম দ্বারাই শুরু করেছেন এবং ইলম দ্বারাই শেষ করেছেন।