وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: Al-Mulk ۱۶:۶۷

۱۶:۶۷
اامنتم من في السماء ان يخسف بكم الارض فاذا هي تمور ١٦
ءَأَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ ٱلْأَرْضَ فَإِذَا هِىَ تَمُورُ ١٦
ءَأَمِنتُم
مَّن
فِي
ٱلسَّمَآءِ
أَن
يَخۡسِفَ
بِكُمُ
ٱلۡأَرۡضَ
فَإِذَا
هِيَ
تَمُورُ
١٦
آیا خود را از [عذاب] ذاتی که در آسمان است، در امان می‌دانید، که [فرمان دهد] زمین شما را فرو بَرد و ناگهان به لرزش درآید؟
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 67:16 تا 67:19

১৬-১৯ নং আয়াতের তাফসীর এই আয়াতগুলোতেও আল্লাহ তা’আলা স্বীয় স্নেহ-মমতা ও করুণার বর্ণনা দিচ্ছেন যে, মানুষের কুফরী ও শিরকের ভিত্তিতে তিনি নানা প্রকারের পার্থিব শাস্তির উপরও পূর্ণ ক্ষমতাবান, কিন্তু এতদসত্ত্বেও এটা তাঁর সহনশীলতা ও ক্ষমাশীলতারই পরিচায়ক যে, তিনি শাস্তি দেন না। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃত পাপের কারণে পাকড়াও করতেন তবে ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণকারীদের কাউকেও তিনি ছাড়তেন না, কিন্তু এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তিনি তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন, অতঃপর যখনই ঐ নির্দিষ্ট সময় এসে পড়বে তখন তিনি তাঁর বান্দাদেরকে দেখে নিবেন।” (৩৫:৪৫)আর এখানে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তোমরা কি নিশ্চিত আছ যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে সহ ভূমিকে ধ্বসিয়ে দিবেন না আর ওটা আকস্মিকভাবে কাঁপতে থাকবে? অথবা তোমরা কি নিশ্চিত রয়েছে যে, আকাশে যিনি রয়েছেন তিনি তোমাদের উপর কংকরবর্ষী ঝঞা প্রেরণ করবেন না? যেমন মহিমান্বিত আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তোমরা কি নিশ্চিত আছ যে, তিনি তোমাদেরকে স্থলে কোথাও ভূগর্ভস্থ করবেন না অথবা তোমাদের উপর কংকর বর্ষণ করবেন না? তখন তোমরা তোমাদের কোন কর্মবিধায়ক পাবে না।” (১৭:৬৮) অনুরূপভাবে এখানেও মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ ধমকের সুরে ও ভীতি প্রদর্শন রূপে বলেনঃ তখন তোমরা জানতে পারবে কিরূপ ছিল আমার সতর্কবাণী! তোমরা দেখে নাও যে, যারা আমার সতর্কবাণীতে কর্ণপাত করে না তাদের পরিণতি কি হয়ে থাকে! তোমরা জেনে রেখো যে, তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরাও আরোপ করেছিল এবং আমাকে অবিশ্বাস করেছিল, ফলে তাদেরকে শিক্ষামূলক শাস্তি দেয়া হয়েছিল। এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ তারা কি তাদের ঊর্ধদেশে পক্ষীকুলের প্রতি লক্ষ্য করে না, যারা পক্ষ বিস্তার করে ও সংকুচিত করে? করুণাময় আল্লাহই তাদেরকে স্থির রাখেন। এটা তাঁর করুণা যে, তিনি বায়ুকে ওদের অধীন করে দিয়েছেন। সৃষ্টজীবের প্রয়োজন সমূহ পূর্ণকারী এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী একমাত্র আল্লাহ। তিনিই তাদের সবকিছুর দায়িত্ব গ্রহণকারী। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “তারা কি ঐ পক্ষীকুলের প্রতি লক্ষ্য করে না যেগুলো আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে স্থির রয়েছে? আল্লাহই ওদেরকে স্থির রাখেন, নিশ্চয়ই এতে মুমিন সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।” (১৬:৭৯)