وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: An-Nur ۱۳:۲۴

۱۳:۲۴
لولا جاءوا عليه باربعة شهداء فاذ لم ياتوا بالشهداء فاولايك عند الله هم الكاذبون ١٣
لَّوْلَا جَآءُو عَلَيْهِ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَآءَ ۚ فَإِذْ لَمْ يَأْتُوا۟ بِٱلشُّهَدَآءِ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ عِندَ ٱللَّهِ هُمُ ٱلْكَـٰذِبُونَ ١٣
لَّوۡلَا
جَآءُو
عَلَيۡهِ
بِأَرۡبَعَةِ
شُهَدَآءَۚ
فَإِذۡ
لَمۡ
يَأۡتُواْ
بِٱلشُّهَدَآءِ
فَأُوْلَٰٓئِكَ
عِندَ
ٱللَّهِ
هُمُ
ٱلۡكَٰذِبُونَ
١٣
چرا چهار شاهد بر آن نیاوردند؟ پس چون شاهدان را نیاوردند، آنانند که نزد الله دروغگو هستند.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 24:12 تا 24:13

১২-১৩ নং আয়াতের তাফসীরএই আয়াতগুলোতে আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে আদব শিক্ষা দিচ্ছেন যে, যারা হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর শানে জঘন্য কালেমা মুখ দিয়ে বের করেছে তাদের জন্যে ওটা মোটেই শোভনীয় হয়নি। বরং তাদের উচিত ছিল যে, যখনই তারা ঐ কথা শুনলো তখনই তাদের শরয়ী মাসআলা সম্পর্কে তারা ঐ ধারণা তো যে ধারণা তারা নিজেদের সম্পর্কে করে থাকে। তারা নিজেদের জন্যেও একপ কাজ মোটেই সমীচীন মনে করে না। তাহলে উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদা তো তাদের মর্যাদার বহু ঊর্ধ্বে। ঠিক এ ধরনেরই একটা ঘটনা ঘটেও ছিল। হযরত আবূ আইয়ুব খালেদ ইবনে যায়েদ আনসারী (রাঃ)-কে তাঁর স্ত্রী উম্মে আইয়ুব (ক) জিজ্ঞেস করেনঃ “হযরত আয়েশা (রাঃ) সম্পর্কে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা কি আপনি শুনেছেন?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “হ্যাঁ! এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। হে উম্মে আইয়ূব (রাঃ)! তুমিই বলতো, তুমি কি কখনো এরূপ কাজ করতে পার?” উত্তরে তাঁর স্ত্রী বলেনঃ “নাউযুবিল্লাহ! এ কাজ আমি কখনো করতে পারি না। এটা আমার জন্যে অসম্ভব।” তখন হযরত আবু আইয়ুব (রাঃ) বলেনঃ “তাহলে চিন্তা করে দেখতো, হযরত আয়েশা (রাঃ) তো তোমার চেয়ে বহুগুণে উত্তম ও যৰ্মাদা সম্পন্না (তাহলে তার দ্বারা এ কাজ কিরূপে সম্ভব হতে পারে)।” সুতরাং যখন আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয় তখন প্রথমে অপবাদ রচনাকারীদের বর্ণনা দেয়া হয়, অর্থাৎ হযরত হাসসান (রাঃ) এবং তাঁর সঙ্গীদের। তারপর এই আয়াতগুলোতে হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) ও তার স্ত্রীর এ কথাগুলোর বর্ণনা দেয়া হয় যেগুলো উপরে বর্ণিত হলো। একটি উক্তি এও আছে যে, উপরে যে ঘটনাটির বর্ণনা দেয়া হলো ওটা ছিল হযরত উবাই ইবনে কা'ব (রাঃ)-এর ঘটনা। মোটকথা, মুমিনদের মন পরিষ্কার থাকা উচিত এবং ভাল ধারণা পোষণ করা কর্তব্য। আর মুখেও এরূপ ঘটনাকে খণ্ডন করা ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করা উচিত। কেননা, যতটুকু ঘটনা ঘটেছে তাতে সন্দেহ করার কিছুই নেই। উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ) খোলাখুলিভাবে সওয়ারীর উপর আরোহণ করেছেন এবং দিন দুপুরে সেনাবাহিনীর সাথে মিলিত হয়েছেন। সেখানে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) বিদ্যমান রয়েছেন। আল্লাহ না করেন যদি তাঁর পদস্খলন ঘটে থাকতো তবে এমন খোলাখুলিভাবে সেনাবাহিনীর সাথে মিলিত হতেন না, বরং গোপনীয়ভাবেই মিলিত হয়ে যেতেন, কেউ টেরই পেতে। সুতরাং এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, অপবাদ রচনাকারীরা যে কথা মুখ দিয়ে বের করেছে তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এর ফলে তারা নিজেদের ঈমান ও ইযযত নষ্ট করে ফেলেছে।এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা কেন এই ব্যাপারে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করেনি? তারা যখন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারেনি তখন আল্লাহর বিধানে তারা মিথ্যাবাদী,পাপী ও অপরাধী প্রমাণিত হয়ে গেল।