وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: An-Nur ۴۴:۲۴

۴۴:۲۴
يقلب الله الليل والنهار ان في ذالك لعبرة لاولي الابصار ٤٤
يُقَلِّبُ ٱللَّهُ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةًۭ لِّأُو۟لِى ٱلْأَبْصَـٰرِ ٤٤
يُقَلِّبُ
ٱللَّهُ
ٱلَّيۡلَ
وَٱلنَّهَارَۚ
إِنَّ
فِي
ذَٰلِكَ
لَعِبۡرَةٗ
لِّأُوْلِي
ٱلۡأَبۡصَٰرِ
٤٤
الله شب و روز را می‌گردانَد [و پیاپی می‌آورد]. یقیناً در این [گردش،] عبرتی برای اهل بصیرت است.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 24:43 تا 24:44

৪৩-৪৪ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তা'আলা বর্ণনা করছেন যে, তিনি মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন। এই মেঘমালা তাঁর শক্তিবলে প্রথম প্রথম পাতলা ধোয়ার আকারে উঠে। তারপর ওগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে মোটা ও ঘন হয়ে যায় এবং একে অপরের উপর জমে যায়। তারপর ওগুলোর মধ্য হতে বৃষ্টি ধারা নির্গত হয়। বায়ু প্রবাহিত হয়, যমীনকে তিনি যোগ্য করে তুলেন। এরপর পুনরায় মেঘকে উঠিয়ে নেন এবং আবার মিলিত করেন। পুনরায় ঐ মেঘমালা পানিতে পূর্ণ হয়ে যায় এবং বর্ষিতে শুরু করে। আকাশস্থিত শিলাপ হতে তিনি শিলা বর্ষণ করেন।এই বাক্যে প্রথম (আরবি) টি (আরবি) -এর জন্যে, দ্বিতীয়টি (আরবি)-এর জন্যে এবং তৃতীয়টি (আরবি) -এর বর্ণনার জন্যে। এটা এই তাফসীরের উপর ভিত্তি করে যে, আয়াতের অর্থ করা হবেঃ শিলার পাহাড় আকাশে রয়েছে। আর যাদের মতে এখানে (আরবি) বা পাহাড়’ শব্দটি রূপক অর্থে ‘মেঘ’ রূপে ব্যবহৃত, তাঁদের নিকট দ্বিতীয়(আরবি) টিও (আরবি) -এর জন্যে এসেছে। কিন্তু ওটা প্রথম হতে বদল হয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী ।পরবর্তী বাক্যের ভাবার্থ হচ্ছেঃ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি আল্লাহ তা'আলা যেখানে বর্ষাবার ইচ্ছা করেন সেখানেই তা তাঁর রহমতে বর্ষে থাকে এবং তিনি যেখানে চান না সেখানে বর্ষে না। অথবা ভাবার্থ এই যে, এই শিলা দ্বারা যার ক্ষেত্র ও বাগানকে তিনি নষ্ট করার ইচ্ছা করেন নষ্ট করে দেন এবং যার উপর তিনি মেহেরবানী করেন তার ক্ষেত্র ও বাগানকে তিনি বাঁচিয়ে নেন।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বিদ্যুতের চমক ও শক্তির বর্ণনা দিচ্ছেন যে, ওটা দৃষ্টিশক্তি প্রায় কেড়ে নেয়।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, তিনিই দিবস ও রজনীর পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকেন। যখন তিনি ইচ্ছা করেন দিন ছোট কবেন ও রাত্রি বড় করেন এবং ইচ্ছা করলে পিন বড় করেন ও রাত্রি হোট করেন। এই সমুদয় নিদর্শনের মধ্যে অন্তদৃষ্টি সম্পন্ন লোকদের জন্য শিক্ষা রয়েছে। এগুলো মহাক্ষমতাবান আল্লাহর ক্ষমতা প্রকাশ করছে। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেন (আরবি)অর্থাৎ “নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিবস ও রজনীর পরিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধশক্তি সম্পন্ন লোকের জন্যে।” (৩:১৯০)