وارد شوید
وارد شوید
وارد شوید
انتخاب زبان

تفسیر: At-Tawbah ۹۶:۹

۹۶:۹
يحلفون لكم لترضوا عنهم فان ترضوا عنهم فان الله لا يرضى عن القوم الفاسقين ٩٦
يَحْلِفُونَ لَكُمْ لِتَرْضَوْا۟ عَنْهُمْ ۖ فَإِن تَرْضَوْا۟ عَنْهُمْ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يَرْضَىٰ عَنِ ٱلْقَوْمِ ٱلْفَـٰسِقِينَ ٩٦
يَحۡلِفُونَ
لَكُمۡ
لِتَرۡضَوۡاْ
عَنۡهُمۡۖ
فَإِن
تَرۡضَوۡاْ
عَنۡهُمۡ
فَإِنَّ
ٱللَّهَ
لَا
يَرۡضَىٰ
عَنِ
ٱلۡقَوۡمِ
ٱلۡفَٰسِقِينَ
٩٦
برایتان سوگند یاد می‌کنند تا از آنان راضی شوید. [حتی] اگر شما از آنان راضی شوید، الله هرگز از گروه نافرمان راضی نمی‌گردد.
تفاسیر
لایه‌ها
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
حدیث
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 9:94 تا 9:96

৯৪-৯৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা মুনাফিকদের সম্পর্কে সংবাদ দিচ্ছেন যে, মুমিনরা যখন মদীনায় ফিরে আসবে তখন ঐ মুনাফিকরা তাদের কাছে ওর পেশ করবে। তাই আল্লাহ পাক স্বীয় রাসূলকে বলেছেনঃ হে নবী (সঃ)! ঐ মুনাফিকদেরকে বলে দাও- তোমরা আমাদের কাছে মিথ্যা ওযর পেশ করো না। তোমাদের কথা কখনো আমরা সত্য বলে বিশ্বাস করবো না। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে তোমাদের সংবাদ অবহিত করেছেন। অতিসত্বরই তিনি দুনিয়ায় তোমাদের আমল লোকদের সামনে প্রকাশ করে দিবেন এবং তোমাদের ভাল মন্দ কার্যাবলীর খবর প্রদান করবেন। অতঃপর তোমাদেরকে তোমাদের কর্মের ফলও দেখতে হবে।এরপর মহান আল্লাহ তাদের সম্পর্কে আরো সংবাদ দিচ্ছেন তারা তাদের ওরের কথা শপথ করে করে বর্ণনা করবে, যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দাও। কিন্তু হে মুমিনগণ! তোমরা কখনো তাদের কথার সত্যতা স্বীকার করো না এবং ঘৃণার সাথে তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও। এসব ব্যাপার ঐ সময় ঘটবে যখন তোমরা যুদ্ধ শেষে মদীনায় ফিরে আসবে। জেনে রেখো যে, তাদের নফস্ কলুষিত হয়ে গেছে। তাদের ভিতর খুবই খারাপ এবং তাদের ধারণা ও বিশ্বাস অপবিত্র। পরকালে তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। এটাই তাদের দুষ্কর্মের সঠিক প্রতিফল। আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে আরো বলে দেন- তোমরা যদি এই মুনাফিকদের কথা ও কসম বিশ্বাস করে তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাও তবে জেনে রেখো যে, আল্লাহ তা'আলা তাদের প্রতি কখনো সন্তুষ্ট হবেন না। তারা আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্য হতে বেরিয়ে গেছে। তারা ফাসেক। (আরবী) শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে বাইরে বের হওয়া। যেমন বলা হয়ঃ (আরবী) অর্থাৎ “ইঁদুর দুষ্কৃতি ও ফাসাদ দৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই স্বীয় গর্ত হতে বের হয়ে থাকে।” আরো বলা হয়ঃ (আরবী) অর্থাৎ “শাখা বা ডাল হতে খেজুরের গুচ্ছ বের হয়ে এসেছে।