Se connecter
Se connecter
Se connecter
Sélectionner la langue

Tafsir: Ali-'Imran 3:47

3:47
قالت رب انى يكون لي ولد ولم يمسسني بشر قال كذالك الله يخلق ما يشاء اذا قضى امرا فانما يقول له كن فيكون ٤٧
قَالَتْ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِى وَلَدٌۭ وَلَمْ يَمْسَسْنِى بَشَرٌۭ ۖ قَالَ كَذَٰلِكِ ٱللَّهُ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ ۚ إِذَا قَضَىٰٓ أَمْرًۭا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُۥ كُن فَيَكُونُ ٤٧
قَالَتۡ
رَبِّ
أَنَّىٰ
يَكُونُ
لِي
وَلَدٞ
وَلَمۡ
يَمۡسَسۡنِي
بَشَرٞۖ
قَالَ
كَذَٰلِكِ
ٱللَّهُ
يَخۡلُقُ
مَا
يَشَآءُۚ
إِذَا
قَضَىٰٓ
أَمۡرٗا
فَإِنَّمَا
يَقُولُ
لَهُۥ
كُن
فَيَكُونُ
٤٧
Elle dit : "Seigneur ! Comment aurais-je un enfant, alors qu’aucun homme ne m’a touchée ?" - "C’est ainsi !" dit-Il. Allah crée ce qu’Il veut. Quand Il décide d’une chose, Il lui dit seulement : "Sois !"; et elle est aussitôt.
Tafsirs
Niveaux
Leçons
Réflexions
Réponses
Qiraat
Hadith
Vous lisez un tafsir pour le groupe d'Ayahs 3:45 à 3:47

ফেরেশতাগণ হযরত মারইয়াম (আঃ)-কে এ সুসংবাদ দিচ্ছেন যে, তাঁর একটি বড় খ্যাতিসম্পন্ন পুত্র জন্মগ্রহণ করবেন। তিনি শুধু আল্লাহ তাআলার অর্থাৎ 'হও' শব্দ দ্বারা সৃষ্ট হবেন (আরবী) এবং (৩:৩৯)-এর তাফসীর এটাই, যেমন জমহুর বর্ণনা করেছেন, যার বর্ণনা ইতিপূর্বে হয়ে গেছে।তার নাম হবে মারইয়াম নন্দন ঈসা মাসীহ (আঃ)। প্রত্যেক মুমিন তাকে এ নামেই চিনবে। তার নাম মাসীহ হওয়ার কারণ এই যে, তিনি খুব বেশী পৃথিবীতে ভ্রমণ করবেন। মায়ের দিকে সম্বন্ধ করার কারণ এই যে, তাঁর কোন পিতা ছিল না। ইহকালে ও পরকালে তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট মহা সম্মানিত ও তাঁর সান্নিধ্যপ্রাপ্তগণের অন্তর্ভুক্ত। তার উপর আল্লাহ তা'আলার শরীয়ত ও কিতাব অবতীর্ণ হবে। দুনিয়ায় তার উপর বড় বড় অনুগ্রহ বর্ষিত হবে এবং পরকালেও তিনি স্থির প্রতিজ্ঞ নবীদের মত আল্লাহ তা'আলার নির্দেশক্রমে ও তাঁর ইচ্ছানুযায়ী সুপারিশ করবেন এবং সেই সুপারিশও গৃহীত হবে।তিনি স্বীয় দোলনায় ও প্রৌঢ় বয়সে লোকদের সাথে কথা বলবেন। অর্থাৎ তিনি শৈশবকালেই লোকদেরকে একক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহবান করবেন যা তার একটি অলৌকিক ঘটনারূপে গণ্য হবে। আর পরিণত বয়সেও যখন আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিকট অহী করবেন তখন তিনি স্বীয় কথায় ও কাজে সঠিক জ্ঞানের অধিকারী হবেন এবং সৎ কার্যাবলী সম্পাদনকারী হবেন। একটি হাদীসে রয়েছে যে, শৈশবাবস্থায় কথা বলেছিলেন শুধুমাত্র হযরত ঈসা (আঃ) এবং হযরত জুরায়েজের সঙ্গী। অন্য একটি হাদীসে অন্য একটি শিশুর কথা বলাও বর্ণিত আছে। তাহলে মাত্র এ তিনজন মানব শৈশবাবস্থায় কথা বলেছিলেন। হযরত মারইয়াম (আঃ) এ সুসংবাদ শুনে স্বীয় প্রার্থনার মধ্যেই বলেন, “হে আমার প্রভু! আমার সন্তান কিরূপে হতে পারে? আমি তো বিয়ে করিনি এবং আমার বিয়ে করার ইচ্ছেও নেই। তাছাড়া আমি দুশ্চরিত্রা মেয়েও নই'। আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে ফেরেশতাগণ উত্তর দেন যে, আল্লাহ পাকের নির্দেশই খুব বড় জিনিস। কোন কাজেই তিনি অসমর্থ নন। তিনি যেভাবেই চান সৃষ্টি করে থাকেন। এ সূক্ষ্মতার বিষয় চিন্তা করলে বুঝা যাবে যে, হযরত যাকারিয়া (আঃ)-এর প্রশ্নের উত্তরে (আরবী) শব্দ ছিল, আর এখানে (আরবী) শব্দ রয়েছে, অর্থাৎ তিনি সৃষ্টি করেন। এর কারণ হচ্ছে এই যে, যেন বাতিলপন্থীদের কোন সন্দেহ করার সুযোগ না থাকে এবং পরিষ্কার ভাষায় বুঝা যায় যে, হযরত ঈসা (আঃ) আল্লাহ তা'আলার সৃষ্ট। অতঃপর ওর উপর আরও গুরুতু আরোপ করতঃ বলেন, তিনি যে কোন কাজ যখনই করার ইচ্ছে করেন তখন শুধুমাত্র বলেন, হও আর তেমনই হয়ে যায়। তাঁর নির্দেশের পর কার্য সংঘটিত হতে এক মুহূর্তও বিলম্ব হয় না। যেমন অন্য স্থানে রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ আমার একবার নির্দেশমাত্রই অবিলম্বে চোখের পলকে ঐ কাজ হয়ে যায়, আমার দ্বিতীয়বার বলার প্রয়োজন হয় না।' (৫৪:৫০)