Masuk
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa

tafsir: Al-Hajj 22:74

22:74
ما قدروا الله حق قدره ان الله لقوي عزيز ٧٤
مَا قَدَرُوا۟ ٱللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِۦٓ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَقَوِىٌّ عَزِيزٌ ٧٤
مَا
قَدَرُواْ
ٱللَّهَ
حَقَّ
قَدۡرِهِۦٓۚ
إِنَّ
ٱللَّهَ
لَقَوِيٌّ
عَزِيزٌ
٧٤
Mereka tidak mengagungkan Allah dengan sebenar-benarnya. Sungguh, Allah Mahakuat, Mahaperkasa.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 22:73 hingga 22:74

৭৩-৭৪ নং আয়াতের তাফসীর: মহান আল্লাহ এখানে, মুশরিকরা আল্লাহ ছাড়া যে মূর্তি ও দেবতাগুলির পূজ্য উপাসনা করছে ওগুলির দুর্বলতা ও অক্ষমতা এবং ওগুলির পূজারী ঐ মুশরিকদের অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার বর্ণনা দিচ্ছেন। তিনি মানুষকে সম্বোধন করে বলছেনঃ হে মানব মণ্ডলী! এই অজ্ঞ ও নির্বোধরা আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদত করছে, প্রতিপালকের সাথে এরা যে শিরুক করছে তার একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা হচ্ছে, তা তোমরা খুব মনোযোগের সাথে শ্রবণ কর। এই উপাস্য দেবতাগুলি সবাই একত্রিত হয়ে যদি একটি ক্ষুদ্র মাছিও সৃষ্টি করার ইচ্ছা করে তবে তারা সম্পূর্ণ রূপে অপারগ হয়ে যাবে। ঐ মাছি সৃষ্টি করার ক্ষমতা তাদের কখনই হবে না। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) মার’রূপে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তার চেয়ে বড় অত্যাচারী আর কে আছে, যে আমার সৃষ্টি করার মত কিছু সৃষ্টি করতে চায়? প্রকৃতই যদি কারো এ ক্ষমতা। থেকে থাকে তবে একটা অনু বা একটা মাছি অথবা একটা দানা সৃষ্টি করুক তো?" (এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে)হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যে নবী (সঃ) বলেছেনঃ “মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা অধিক জালিম আরকে আছে যে, আমার সৃষ্টি করার মত কিছু করতে যায়? তাহলে তারা একটা যব সৃষ্টি করুক তো?" (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)মহান আল্লাহ বলেনঃ এই বাতিল মা’বৃদগুলির আরো অক্ষমতা দেখে, তারা একটি মাছিরও মুকাবিলা করতে পারে না। তাদেরকে প্রদত্ত কোন জিনিস যদি মাছি ছিনিয়ে নিয়ে যায় তবে তারা এতই শক্তি হীন যে, ঐ মাছির নিকট হতে ঐ জিনিস ফিরিয়ে নিতে পারে না! মাছির ন্যায় তুচ্ছ, নগণ্য এবং অতি দুর্বল সৃষ্ট জীবের নিকট থেকেও যারা নিজেদের হক ফিরিয়ে নিতে পারে না, তাদের চেয়েও বেশী দুর্বল, শক্তিহীন ও অক্ষম আর কেউ হতে পারে কি? হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (আরবী) দ্বারা মূর্তি এবং (আরবী) দ্বারা মাছিকে বুঝানো হয়েছে। ইমাম ইবনু জারীর ও (রঃ) এটাকেই পছন্দ করেছেন। আর বাহ্যিক শব্দ দ্বারাও এটাই প্রকাশমান। দ্বিতীয় ভাবার্থ এট্য বর্ণনা করা হয়েছে যে, দ্বারা (আরবী) উপাসক এবং (আরবী) দ্বারা উপাস্যদেরকে বুঝানো হয়েছে।আল্লাহ তাআলার উক্তিঃ তারা আল্লাহর যথোচিত মর্যাদা উপলব্ধি করে। তারা এটা উপলব্ধি করলে এতো বড় শক্তিমান আল্লাহর সাথে এই নগণ্য ও তুচ্ছ মাখলুককে তারা শরীক করতো না, যাদের মাছি তাড়াবারও শক্তি নেই, যেমন মুশরিকদের মূর্তিগুলি। মহান আল্লাহ স্বীয় শক্তিতে অতুলনীয়। সমস্ত কিছু তিনি বিনা নমুনায় সৃষ্টি করেছেন। কারো কাছে তিনি সাহায্যও নেন নি। এবং কারো পরামর্শও গ্রহণ করেন নি। অতঃপর সবকিছুকে ধ্বংস করে তিনি এর চেয়েও বেশী সহজে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম। তার পাকড়াও খুব কঠিন। তিনি প্রথমে সৃষ্টিকারী, পরে আবার সৃষ্টিকারী, রিযকদাতা ও অসীম ক্ষমতার অধিকারী। সব কিছুই তার সামনে নত। কেউই তার ইচ্ছা পরিবর্তন করতে পারে না, কেউই তার আদেশ লংঘন করতে পারে না। এমন কেউ নেই যে, তার শ্রেষ্ঠত্ব ও ক্ষমতার মুকাবিলা করে। তিনি একক ও মহাপরাক্রমশালী।