Masuk
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa

tafsir: Al-Baqarah 2:37

2:37
فتلقى ادم من ربه كلمات فتاب عليه انه هو التواب الرحيم ٣٧
فَتَلَقَّىٰٓ ءَادَمُ مِن رَّبِّهِۦ كَلِمَـٰتٍۢ فَتَابَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ ٣٧
فَتَلَقَّىٰٓ
ءَادَمُ
مِن
رَّبِّهِۦ
كَلِمَٰتٖ
فَتَابَ
عَلَيۡهِۚ
إِنَّهُۥ
هُوَ
ٱلتَّوَّابُ
ٱلرَّحِيمُ
٣٧
Kemudian Adam menerima beberapa kalimat1 dari Tuhannya, lalu Dia pun menerima tobatnya. Sungguh, Allah Maha Penerima tobat, Maha Penyayang.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits

যে কথাগুলো হযরত আদম (আঃ) শিখে ছিলেন তা কুরআন মাজীদের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। তা হচ্ছেঃ (আরবি) অর্থাৎ তারা দুইজন বললো-হে আমাদের প্রভু! নিশ্চয় আমরা আমাদের নফসের উপরে অত্যাচার করেছি, আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে হয়ে যাবো।' (৭:২৩) অধিকাংশ লোকের এটাই অভিমত। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে হজ্জের নির্দেশাবলী শিক্ষা করাও বর্ণিত আছে। হযরত উবাইদ বিন উমাইর (রাঃ) বলেন যে, কথাগুলি নিম্নরূপঃ হে আল্লাহ! যে ভুল আমি করেছি, তা কি আমার জন্মের পূর্বে আমার ভাগ্যে লিপিবদ্ধ ছিল, না আমি নিজেই তা আবিষ্কার করেছি। উত্তর হলোঃ তুমি নিজে আবিষ্কার করনি, বরং আমি তোমার ভাগ্যে তা লিখে রেখেছিলাম। এটা শুনে তিনি বললেন হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিল।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এও বর্ণিত আছে যে, হযরত আদম (আঃ) বলেছিলেনঃ “হে আল্লাহ! আপনি কি আমাকে স্বহস্তে সৃষ্টি করেননি এবং স্বীয় রূহ কি আমার মধ্যে ফুকে দেননি? আপনি কি আমার হাঁচির উপর (আরবি) বলেননি? আপনার দয়া কি আপনার ক্রোধের উপর প্রাধান্য লাভ করেনি? আমার সৃষ্টির পূর্বেই কি এই ভুল আমার ভাগ্যে লিপিবদ্ধ করেননি? উত্তর হলোঃ হ, এ সব কিছুই করেছি।' তখন বললেনঃ “তা হলে হে আমার প্রভু! আমার তওবা কবূল হওয়ার পর পুনরায় আমি জান্নাত পেতে পারি কি? উত্তর হলোঃ হাঁ।' এটাই ঐকথাগুলো যা হযরত আদম (আঃ) আল্লাহর নিকট শিখেছিলেন। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমের আর একটি মারফু হাদীসে আছে যে, হযরত আদম (আঃ) বলেনঃ “হে আল্লাহ! আমি যদি এ পাপ হতে ফিরে যাই তবে কি পুনরায় বেহেশতে যেতে পারব? উত্তর হলোঃ হ’। আল্লাহ্ নিকট হতে কথাগুলো শিক্ষা করার এটাই অর্থ। কিন্তু এ হাদীসটি গরীব হওয়ার সাথে সাথে মুনকাতিও বটে। কোন কোন মুরুব্বী হতে বর্ণিত আছে যে, কথাগুলো নিম্নরূপঃ হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র, আমি আপনার প্রশংসা করছি, হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার আত্মার উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয় আপনি উত্তম ক্ষমাশীল। হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া অন্য কেউ মাবুদ নেই, আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং প্রশংসা করছি, হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার আত্মার উপর অত্যাচার করেছি, সুতরাং আপনি আমার প্রতি দয়া প্রদর্শন। করুন, নিশ্চয়ই আপনি উত্তম দয়ালু। হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই, আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা করছি, হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার নাসের উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমার তাওবা কবুল করুন, নিশ্চয় আপনি তাওবা কবূলকারী ও পরম দয়ালু। কুরআন মাজীদের অন্য জায়গায় আছেঃ “এই লোকেরা কি জানেনা যে, আল্লাহ। তা'আলা তাঁর বান্দাদের তাওবা কবুল করে থাকেন?” অন্যত্র রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি কোন খারাপ কাজ করে বা স্বীয় আত্মার উপর অত্যাচার করে বসে, অতঃপর আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে দেখে নেবে যে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন এবং তাকে স্বীয় করুণার মধ্যে নিয়ে নিবেন। আর এক জায়গায় আছেঃ “যে ব্যক্তি তাওবা করে এবং ভাল কাজ করে .....।' এসব আয়াতে বর্ণনা আছে যে, আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদের তাওবা কবুল করে থাকেন। ঐ রকমই এখানেও রয়েছে যে, সেই আল্লাহ তাওবাকারীদের তাওবা ককূলকারী এবং অত্যন্ত দয়ালু। আল্লাহ তা'আলার করুণা ও দয়া এত সাধারণ যে, তিনি তাঁর পাপী বান্দাদেরকেও স্বীয় রহমতের দরজা হতে ফিরিয়ে দেন না। সত্যই তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তিনি বান্দাদের অনুতাপ গ্রহণকারী এবং পরম দয়ালু।