Masuk
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa

tafsir: Yasin 36:60

36:60
۞ الم اعهد اليكم يا بني ادم ان لا تعبدوا الشيطان انه لكم عدو مبين ٦٠
۞ أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَـٰبَنِىٓ ءَادَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا۟ ٱلشَّيْطَـٰنَ ۖ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّۭ مُّبِينٌۭ ٦٠
۞ أَلَمۡ
أَعۡهَدۡ
إِلَيۡكُمۡ
يَٰبَنِيٓ
ءَادَمَ
أَن
لَّا
تَعۡبُدُواْ
ٱلشَّيۡطَٰنَۖ
إِنَّهُۥ
لَكُمۡ
عَدُوّٞ
مُّبِينٞ
٦٠
Bukankah Aku telah memerintahkan kepadamu wahai anak cucu Adam agar kamu tidak menyembah setan? Sungguh, setan itu musuh yang nyata bagi kamu,
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 36:59 hingga 36:62

৫৯-৬২ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা খবর দিচ্ছেন যে, সৎ লোকদেরকে অসৎ লোকদের থেকে পৃথক করে দেয়া হবে। কাফিরদেরকে বলা হবেঃ তোমরা মুমিনদের থেকে দূর হয়ে যাও। মহান আল্লাহ বলেনঃ অতঃপর আমি কাফিরদেরকে মুমিনদের হতে পৃথক করে দিবো। আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যেই দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সেই দিন তারা পৃথক পৃথক হয়ে যাবে।"(৩০:১৪) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “(ফেরেশতাদেরকে বলা হবে) একত্রিত কর যালিম ও তাদের সহচরদেরকে এবং তাদেরকে যাদের ইবাদত করতো তারা আল্লাহর পরিবর্তে এবং তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।”(৩৭:২২-২৩)জান্নাতীদের উপর যেমনভাবে নানা প্রকারের দয়া-দাক্ষিণ্য করা হবে তেমনই কাফিরদের উপর নানা প্রকারের কঠোরতা করা হবে। ধমক ও শাসন গর্জনের সুরে তাদেরকে বলা হবেঃ আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দিইনি যে, তোমরা শয়তানের দাসত্ব করো না, কারণ সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? কিন্তু এতদসত্ত্বেও তোমরা পরম দয়ালু আল্লাহর অবাধ্যাচরণ করেছে এবং শয়তানের আনুগত্য করেছে। সৃষ্টিকর্তা, অধিকর্তা এবং আহার্যদাতা হলাম আমি, আর আনুগত্য করা হবে আমার দরবার হতে বিতাড়িত শয়তানের? আমি তো বলে দিয়েছিলাম যে, তোমরা শুধু আমাকেই মানবে এবং শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করবে। আমার কাছে পৌঁছবার সঠিক, সরল ও সোজা পথ এটাই। কিন্তু তোমরা চলেছে উল্টো পথে। সুতরাং এখানেও উল্টোভাবেই থাকো। সৎ লোকদের ও তোমাদের পথ পৃথক হয়ে গেল। তারা জান্নাতী এবং তোমরা জাহান্নামী।(আরবী) দ্বারা বহু সৃষ্টিকে বুঝানো হয়েছে। অভিধানে (আরবী) এবং (আরবী)-এই। উভয়রূপেই বলা হয়ে থাকে।অর্থাৎ শয়তান তোমাদের বহু লোককে বিভ্রান্ত করেছে ও সঠিক পথ হতে সরিয়ে দিয়েছে। তোমাদের কি এটুকু জ্ঞান ছিল না যে, তোমরা এর ফায়সালা করতে পারতে যে, পরম দয়ালু আল্লাহকে মানবে, না শয়তানকে মানবে? সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করবে, না সৃষ্টের উপাসনা করবে? হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার নির্দেশক্রমে জাহান্নাম তার ঘাড় বের করবে, যা হবে অন্ধকারময়ও প্রকাশমান। সে বলবেঃ “হে আদম সন্তান! আল্লাহ তা'আলা কি তোমাদেরকে নির্দেশ দেননি যে, তোমরা শয়তানের দাসত্ব করবে না, কারণ সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? আর শুধু তাঁরই ইবাদত করবে, এটাই সরল পথ? শয়তান তো তোমাদের বহু দলকে বিভ্রান্ত করেছিল, তবুও কি তোমরা বুঝনি? হে পাপী ও অপরাধীরা! আজ তোমরা পৃথক হয়ে যাও।" প্রত্যেকেই তখন হাঁটুর ভরে পড়ে যাবে। প্রত্যেককেই তার আমলনামার দিকে ডাকা হবে। মহান আল্লাহ বলবেনঃ “আজ তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে যা তোমরা করতে। (এটা ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) বর্ণনা করেছেন)