Masuk
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa

tafsir: Yunus 10:46

10:46
واما نرينك بعض الذي نعدهم او نتوفينك فالينا مرجعهم ثم الله شهيد على ما يفعلون ٤٦
وَإِمَّا نُرِيَنَّكَ بَعْضَ ٱلَّذِى نَعِدُهُمْ أَوْ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِلَيْنَا مَرْجِعُهُمْ ثُمَّ ٱللَّهُ شَهِيدٌ عَلَىٰ مَا يَفْعَلُونَ ٤٦
وَإِمَّا
نُرِيَنَّكَ
بَعۡضَ
ٱلَّذِي
نَعِدُهُمۡ
أَوۡ
نَتَوَفَّيَنَّكَ
فَإِلَيۡنَا
مَرۡجِعُهُمۡ
ثُمَّ
ٱللَّهُ
شَهِيدٌ
عَلَىٰ
مَا
يَفۡعَلُونَ
٤٦
Dan jika Kami perlihatkan kepadamu (Muhammad) sebagian dari (siksaan) yang Kami janjikan kepada mereka, (tentulah engkau akan melihatnya) atau (jika) Kami wafatkan engkau (sebelum itu), maka kepada Kami (jualah) mereka kembali, dan Allah menjadi saksi atas apa yang mereka kerjakan.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 10:46 hingga 10:47

৪৬-৪৭ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলছেন-হে রাসূল (সঃ)! তোমার মনে শান্তি আনয়নের জন্যে যদি তোমার জীবদ্দশাতেই তাদের (কাফিরদের) উপর প্রতিশোধ গ্রহণ করি, অথবা তোমার মৃত্যু ঘটিয়ে দেই, তবে জেনে রেখো যে, সর্বাবস্থাতেই তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই কাছে হবে। যদি তুমি। দুনিয়ায় বেঁচে না-ও থাকো, তবুও তোমার পরে তাদের কার্যকলাপের সাক্ষী আমি নিজেই হয়ে যাবো। হুযাইফা ইবনে উসায়েদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “গতরাত্রে আমার সামনে আমার প্রথম ও শেষের উম্মতকে পেশ করা হয়েছিল।” একটি লোক তখন জিজ্ঞেস করলেনঃ “আপনার প্রথম উম্মতকে আপনার সামনে পেশ করা হয়েছিল এটা তো বুঝলাম। কিন্তু শেষের উম্মতকে কিরূপে পেশ করা হলো?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “তাদেরকে ‘খাকী’ (মেটো) আকারে আমার সামনে পেশ করা হয়। তোমাদের কোন লোক যেমন তার সঙ্গীকে চিনতে পারে, এর চেয়ে বেশী আমি তাদেরকে চিনতে পারবো।” (এই হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন) আল্লাহ তাআলার উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এক একজন রাসূল রয়েছে, যখন তাদের কাছে তাদের রাসূল এসে যায় তখন ন্যায়ভাবে তাদের মীমাংসা করা হয়। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা কিয়ামতের দিনকে বুঝানো হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যমীন আল্লাহর নূরের ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। প্রত্যেক উম্মতকে তাদের নবীর বিদ্যমান অবস্থায় আল্লাহ তাআলার সামনে পেশ করা হয়। তাদের সাথে থাকে তাদের ভাল বা মন্দ কাজের আমলনামা। এটা তাদের সাক্ষীরূপে কাজ করে। ফিরিশতাগণও সাক্ষী হন যাদেরকে তাদের উপর রক্ষক নিযুক্ত করা হয়েছিল। একের পর এক প্রত্যেক উম্মতকে পেশ করা হবে। এই উম্মত আখেরী উম্মত হলেও কিয়ামতের দিন এরাই প্রথম উম্মত হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলা সর্বপ্রথম এদের ফায়সালাই করবেন। যেমন সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যদিও আমরা সকলের শেষে এসেছি, কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা সর্বপ্রথম হবো। সমস্ত মাখলুকের পূর্বে আমাদেরই হিসাব নেয়া হবে।” এই উম্মত এই মর্যাদা লাভ করেছে একমাত্র তাদের রাসূল (সঃ)-এর বরকতে। সুতরাং কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর উপর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক!