Registrazione
Registrazione
Registrazione
Seleziona la lingua

Tafsir: Al-Baqarah 2:91

2:91
واذا قيل لهم امنوا بما انزل الله قالوا نومن بما انزل علينا ويكفرون بما وراءه وهو الحق مصدقا لما معهم قل فلم تقتلون انبياء الله من قبل ان كنتم مومنين ٩١
وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ ءَامِنُوا۟ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ قَالُوا۟ نُؤْمِنُ بِمَآ أُنزِلَ عَلَيْنَا وَيَكْفُرُونَ بِمَا وَرَآءَهُۥ وَهُوَ ٱلْحَقُّ مُصَدِّقًۭا لِّمَا مَعَهُمْ ۗ قُلْ فَلِمَ تَقْتُلُونَ أَنۢبِيَآءَ ٱللَّهِ مِن قَبْلُ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ٩١
وَإِذَا
قِيلَ
لَهُمۡ
ءَامِنُواْ
بِمَآ
أَنزَلَ
ٱللَّهُ
قَالُواْ
نُؤۡمِنُ
بِمَآ
أُنزِلَ
عَلَيۡنَا
وَيَكۡفُرُونَ
بِمَا
وَرَآءَهُۥ
وَهُوَ
ٱلۡحَقُّ
مُصَدِّقٗا
لِّمَا
مَعَهُمۡۗ
قُلۡ
فَلِمَ
تَقۡتُلُونَ
أَنۢبِيَآءَ
ٱللَّهِ
مِن
قَبۡلُ
إِن
كُنتُم
مُّؤۡمِنِينَ
٩١
E quando si dice loro: «Credete in quello che Allah ha fatto scendere», rispondono: «Crediamo in quello che è stato fatto scendere su di noi». E rinnegano il resto 1 , anche se è la Verità che conferma quello che già avevano ricevuto. Di’ loro: «E se siete credenti, perché in passato avete ucciso i profeti di Allah?» 2.
Tafsir
Strati
Lezioni
Riflessi
Risposte
Qiraat
Hadith
Stai leggendo un tafsir per il gruppo di versi 2:91 a 2:92

৯১-৯২ নং আয়াতের তাফসীরঅর্থাৎ যখন তাদেরকে কুরআন কারীমের উপর ও শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর উপর ঈমান আনতে বলা হয় তখন তারা বলে- তাওরাতের উপর ঈমান আনাই আমাদের জন্যে যথেষ্ট। আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, তারা তাদের এ কথায় মিথ্যাবাদী। কুরআন কারীম তো পূর্বের সমস্ত কিতাবের সত্যতা প্রতিপাদনকারী। আর স্বয়ং তাদের কিতাবেও রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সত্যতা বিদ্যমান রয়েছে। যেমন পবিত্র কুরআনে আছেঃ “আহলে কিতাব তাকে (মুহাম্মদ সঃ কে) এভাবেই চেনে যেমন চেনে তারা তাদের সন্তান সন্ততিকে। সুতরাং তাকে অস্বীকার করার ফলে তাওরাত ও ইঞ্জীলের উপরও তাদের ঈমান রইল। এ দলীল কায়েম করার পর অন্যভাবে দলীল কায়েম করা হচ্ছে যে, তারা যদি তাদের কথায় সত্যবাদী হয় তবে যে সব নবী নতুন কোন শরীয়ত ও কিতাবনা এনে পূর্ব নবীদেরই অনুসারী হয়ে তাদের নিকট এসেছিলেন, তারা তাদেরকে হত্যা করেছিল কেন? তাহলে প্রমাণিত হলো যে, তাদের ঈমান কুরআন মাজীদের উপরও নেই এবং পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের উপরও নেই।অতঃপর বলা হচ্ছে যে, হযরত মূসা (আঃ) হতে তো তারা বড় বড় মু'জেযা প্রকাশ পেতে দেখেছে, যেমন তুফান, ফড়িং, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত ইত্যাদি তাঁর বদ দু'আর কারণে প্রকাশ পেয়েছে। তাছাড়া লাঠির সাপ হওয়া, হাত উজ্জ্বল চন্দ্রের ন্যায় হওয়া, মেঘের ছায়া করা, মান্না ও সালওয়া' অবতারিত হওয়া এবং পাথর হতে নদী প্রবাহিত হওয়া ইত্যাদি বড় বড় অলৌকিক ঘটনাবলী-যা হযরত মুসার (আঃ) নুবুওয়াতের ও আল্লাহর একত্ববাদের জ্বলন্ত প্রমাণ ছিল এবং ওগুলো তারা স্বচক্ষে দেখেছিল। অথচ হযরত মূসার (আঃ) তূর পাহাড়ে গমনের পরই তারা বাছুরকে তাদের উপাস্য বানিয়ে নেয়। তা হলে তাওরাতের উপর ও স্বয়ং হযরত মূসার (আঃ) উপর তাদের ঈমান থাকলে কোথায়? এসব অসৎ ও অপরাধমূলক কার্যের ফলে তারা কি অনাচারী ও অত্যাচারীরূপে প্রমাণিত হচ্ছে না? (আরবি) হতে ভাবার্থ হচ্ছে হযরত মূসার (আঃ) তুর পাহাড়ে যাওয়ার পর।' যেমন অন্যত্র রয়েছেঃ মূসার (আঃ) ভূরে যাওয়ার পর তার সম্প্রদায় বাছুরকে তাদের মা'বুদ বানিয়ে নিয়েছিল এবং ঐ গো পূজার কারণে তারা তাদের নফসের উপর স্পষ্ট জুলুম করেছিল। পরে এ অনুভূতি তাদেরও হয়েছিল। যেমন আল্লাহপাক বলেনঃ যখন তাদের জ্ঞান। ফিরলো তখন তারা লজ্জিত হলো এবং নিজেদের ভ্রান্তি অনুভব করলো। সে সময় তারা বললো- হে আল্লাহ! যদি আপনি আমাদের প্রতি সদয় না হন এবং আমাদের পাপ ক্ষমা না করেন তবে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।