Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Al-Baqarah 2:220

2:220
في الدنيا والاخرة ويسالونك عن اليتامى قل اصلاح لهم خير وان تخالطوهم فاخوانكم والله يعلم المفسد من المصلح ولو شاء الله لاعنتكم ان الله عزيز حكيم ٢٢٠
فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۗ وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلْيَتَـٰمَىٰ ۖ قُلْ إِصْلَاحٌۭ لَّهُمْ خَيْرٌۭ ۖ وَإِن تُخَالِطُوهُمْ فَإِخْوَٰنُكُمْ ۚ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ ٱلْمُفْسِدَ مِنَ ٱلْمُصْلِحِ ۚ وَلَوْ شَآءَ ٱللَّهُ لَأَعْنَتَكُمْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌۭ ٢٢٠
فِي
ٱلدُّنۡيَا
وَٱلۡأٓخِرَةِۗ
وَيَسۡـَٔلُونَكَ
عَنِ
ٱلۡيَتَٰمَىٰۖ
قُلۡ
إِصۡلَاحٞ
لَّهُمۡ
خَيۡرٞۖ
وَإِن
تُخَالِطُوهُمۡ
فَإِخۡوَٰنُكُمۡۚ
وَٱللَّهُ
يَعۡلَمُ
ٱلۡمُفۡسِدَ
مِنَ
ٱلۡمُصۡلِحِۚ
وَلَوۡ
شَآءَ
ٱللَّهُ
لَأَعۡنَتَكُمۡۚ
إِنَّ
ٱللَّهَ
عَزِيزٌ
حَكِيمٞ
٢٢٠
Mengenai (urusan-urusan kamu) di dunia dan di akhirat dan mereka bertanya lagi kepadamu (wahai Muhammad), mengenai (masalah) anak-anak yatim. Katakanlah: "Memperbaiki keadaan anak-anak yatim itu amatlah baiknya", dan jika kamu bercampur gaul dengan mereka (maka tidak ada salahnya) kerana mereka itu ialah saudara-saudara kamu (yang seugama); dan Allah mengetahui akan orang yang merosakkan (harta benda mereka) daripada orang yang hendak memperbaikinya. Dan jika Allah menghendaki tentulah Ia memberatkan kamu (dengan mengharamkan bercampur gaul dengan mereka). Sesungguhnya Allah Maha Kuasa, lagi Maha Bijaksana.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 2:219 hingga 2:220

২১৯-২২০ নং আয়াতের তাফসীরযখন মদ্য হারাম হওয়ার আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ “হে আল্লাহ! আপনি এটা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিন।' তখন সুরা-ই-বাকারার এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। হযরত উমার (রাঃ)-কে ডাকা হয়। এবং তাঁকে এই আয়াতটি পাঠ করে শুনানো হয়। কিন্তু হযরত উমার (রাঃ) পুনরায় এই দোয়াই করেন : হে আল্লাহ! এটা আপনি আমাদের জন্যে আরও স্পষ্ট করে বর্ণনা করুন।' তখন সূরা-ই- নিসা’র (আরবি) অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটবর্তী হয়ো না।' (৪:৪৩) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। প্রত্যেক নামাযের সময় ঘোষিত হতে থাকে যে নেশাগ্রস্ত মানুষ যেন নামাযের নিকটও না আসে। হযরত উমার (রাঃ)-কে ডেকে তাকে এই আয়াতটিও পাঠ করে শুনানো হয়। হযরত উমার (রাঃ) পুনরায় এই প্রার্থনাই করেনঃ “হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্যে এটা আরও স্পষ্ট করে বর্ণনা করুন! এবার সূরা মায়েদার আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। যখন হযরত উমার (রাঃ)-কে এই আয়াতটিও পাঠ করে শুনানো হয় এবং তার কানে আয়াতটির।(আরবি) অর্থাৎ তোমরা কি বিরত হবে না:' (৫:৯১) এই শেষ কথাটি পৌছে তখন তিনি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ 'আমরা বিরত থাকলাম, আমরা দূরে থাকলাম। (মুসনাদ-ই-আহমদ, সুনান-ই-আবু দাউদ, জামেউ তিরমিযী, সুনানই-নাসাঈ ইত্যাদি)মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম, ও তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই’ গ্রন্থদ্বয়ের মধ্যেও এই বর্ণনাটি রয়েছে। কিন্তু এর একজন বর্ণনাকারী হচ্ছে আবূ মাইসারা, যার নাম আমর বিন শারাহ বিল হামদানী কুফী। হযরত আবু যারআ (রঃ) বলেন যে, তাঁর এই হাদীসটি হযরত উমার (রাঃ) হতে শ্রবণ করা প্রমাণিত হয়। ইমাম আলী বিন মাদীনী (রঃ) বলেন যে,এর ইসনাদ উত্তম ও সঠিক। ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে সঠিক বলেছেন। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতীম’ গ্রন্থে হযরত উমারের (রাঃ) (আরবি) উক্তির পরে এই কথাগুলোও রয়েছে ও মদ্য মাল ধ্বংস করে থাকে এবং জ্ঞান লোপ করে দেয়।' এই বর্ণনাটি এবং এর সঙ্গে মুসনাদ-ই আহমাদের হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত অন্যান্য বর্ণনাগুলো সূরা মায়েদার মদ্য হারাম সম্বন্ধীয় আয়াতটির তাফসীরে ইনশাআল্লাহ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হবে। হযরত উমার ফারূক (রাঃ) বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ মদ্য ঐ জিনিসের প্রত্যেকটিকে বলা হয় যা জ্ঞান লোপ করে দেয়। ইনশাআল্লাহ এরও পূর্ণ বর্ণনা সূরা মায়েদায় আসবে। (আরবি) বলা হয় জুয়া খেলাকে। এগুলোর পাপ হচ্ছে পারলৌকিক এবং লাভ হচ্ছে ইহলৌকিক। যেমন,এর ফলে শরীরের কিছু উপকার হয়, খাদ্য হযম হয়, মেধা শক্তি বৃদ্ধি পায়, এক প্রকারের আনন্দ লাভ হয় ইত্যাদি। যেমন হযরত হাসান বিন সাবিত (রাঃ) অজ্ঞতাযুগের একটি কবিতার মধ্যে বলেছেন ও মদ্য পান করে আমরা বাদশাহ ও বীর পুরুষ হয়ে থাকি। অনুরূপভাবে এর ব্যবসায়েও লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এরকমই জুয়া খেলাতে বিজয় লাভের সম্ভাবনা আছে। কিন্তু এগুলোর উপকারের তুলনায় ক্ষতি ও অপকারই বেশী। কেননা, এর দ্বারা জ্ঞান লোপ পাওয়ার সাথে সাথে ধর্মও ধ্বংস হয়ে থাকে। এই আয়াতের মধ্যে মদ্য হারাম হওয়ার পূর্বাভাষ থাকলেও স্পষ্টভাবে হারাম হওয়ার কথা বর্ণিত হয়নি। তাই হযরত উমার (রাঃ) চাচ্ছিলেন যে, স্পষ্ট ভাষায় মদ্য হারাম হওয়ার আয়াত অবতীর্ণ হোক। কাজেই সূরা মায়েদার আয়াতে পরিষ্কার ভাষায় বলে দেয়া হয় ও মদ্য পান, জুয়া খেলা, পাশা খেলা এবং তীরের সাহায্যে পূর্ব লক্ষণ গ্রহণ করা সমস্তই হারাম ও শয়তানী কাজ। হে মুসলমানগণ! যদি তোমরা মুক্তি পেতে চাও তবে এসব কাজ হতে বিরত থাক। শয়তানের আকাংখা এই যে, সে মদ্য ও জুয়ার সাহায্যে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও হিংসা উৎপাদন করে এবং তোমাদেরকে আল্লাহর যিকর ও নামায হতে বিরত রাখে, সুতরাং তোমরা এসব হতে বিরত হবে কি: ইবনে উমার (রাঃ), শাবী (রঃ), মুজাহিদ(রঃ) কাতাদাহ (রঃ) রাবী বিন আনাস (রাঃ) ও আবদুর রহমান বিন যায়েদ বিন আসলাম (রঃ) বলেন যে, মদ্যের ব্যাপারে প্রথম সূরা-ই-বাকারার এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এরপর অবতীর্ণ হয় সুরা-ই-নিসার আয়াতটি। সর্বশেষে সূরা-ই-মায়েদার আয়াতটি অবতীর্ণ করে আল্লাহ তা'আলা মদ্যকে সম্পূর্ণরূপে হারাম করে দেন। কুলিল আফওয়া’ এর একটি পঠন কুলিল আ’ফউ'ও রয়েছে এবং উভয় পঠনই বিশুদ্ধ। দু’টোর অর্থ প্রায় একই। হযরত মুআয বিন জাবাল (রাঃ) এবং হযরত সালাবা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করেন : “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমাদের গোলামও রয়েছে এবং সন্তানাদিও রয়েছে, আমরা ধনী বটে, আমরা আল্লাহর পথে কিছু দান করবো কি: এর উত্তরে বলা হয়(আরবি) অর্থাৎ-(হে নবীজি সঃ) তুমি বল-যা তোমাদের উদ্বৃত্ত।' (২:২১৯) অর্থাৎ সন্তানাদির জন্যে খরচ করার পরে যা অতিরিক্ত হয় তাই খরচ কর। বহু সাহাবী (রাঃ) ও তাবেঈ (রাঃ) হতে এর তাফসীর এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। হযরত তাউস (রাঃ) বলেনঃ প্রত্যেক জিনিস হতেই কিছু কিছু করে আল্লাহর পথে দিতে থাক।' রাবী (রাঃ) বলেনঃ ‘ভাল ও উত্তম মাল আল্লাহর পথে দান কর।' সমস্ত উক্তির সারমর্ম এই যে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় কর। হযরত হাসান বসরী (রঃ) বলেনঃ তোমরা এরূপ করো না যে,সবই দিয়ে ফেলবে, অতঃপর নিজেই ভিক্ষের ঝুলি কাঁধে নিবে।'সহীহ মুসলিম শরীফে রয়েছেঃ “এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার কাছে একটি স্বর্ণ মুদ্রা রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমার কাজে লাগিয়ে দাও।' লোকটি বলেঃ আমার নিকট আরও একটি রয়েছে।' রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ তোমার স্ত্রীর জন্যে খরচ কর।' সে বলে, আরও একটি আছে।' তিনি বলেনঃ “তোমার ছেলেমেয়ের প্রয়োজনে লাগিয়ে দাও।' সে বলেঃ আমার নিকট আরও একটি রয়েছে।' তিনি বলেন, ‘তা হলে এখন তুমি খুব চিন্তা ভাবনা করে দেখতে পার।' সহীহ মুসলিম শরীফের অন্য একটি হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) একটি লোককে বলেনঃ প্রথমে তুমি তোমার জীবন থেকে আরম্ভ কর। প্রথমে ওরই উপরে সাদকা কর। বাঁচলে ছেলেমেয়ের উপর খরচ কর। এর পরে বাঁচলে নিজের আত্মীয়-স্বজনের উপর সাদকা কর। এর পরেও যদি বাঁচে তবে অন্যান্য অভাগ্রস্তদের উপর সাদকা কর।ঐ কিতাবেরই আরও একটি হাদীসে রয়েছেঃ সবচেয়ে উত্তম দান হচ্ছে ওটাই যে, মানুষ নিজের প্রয়োজন অনুপাতে রেখে অবশিষ্ট জিনিস আল্লাহর পথে দান করে দেয়। উপরের হাত নীচের হাত হতে উত্তম। প্রথমে তাদেরকে দাও যাদের খরচ বহন তোমার দায়িত্বে রয়েছে।' অন্য একটি হাদীসে রয়েছে : “হে আদম সন্তান! তোমার হাতে তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত যা রয়েছে তা আল্লাহর পথে দিয়ে দেয়াই তোমার জন্যে মঙ্গলকর এবং তা বন্ধ রাখা তোমার জন্যে ক্ষতিকর। হাঁ, তবে নিজের প্রয়োজন অনুপাতে খরচ করাতে তোমার প্রতি কোন ভৎসনা নেই।' হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে একটি উক্তি এও বর্ণিত আছে যে, এই হুকুমটি যাকাতের হুকুম দ্বারা রহিত হয়ে গেছে।হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, যাকাতের আয়াত যেন এই আয়াতেরই তাফসীর এবং এর স্পষ্ট বর্ণনা, সঠিক উক্তি এটাই।অতঃপর ইরশাদ হচ্ছে-‘যেমন আমি এই নির্দেশাবলী স্পষ্ট ও খোলাখুলি ভাবে বর্ণনা করেছি দ্রুপ অবশিষ্ট নির্দেশাবলীও আমি পরিষ্কারও বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে দেবো। বেহেশতের অঙ্গীকার ও দোযখ হতে ভয় প্রদর্শনের কথাও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হবে, যেন তোমরা এই নশ্বর জগত হতে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পারলৌকিক জগতের প্রতি আগ্রহী হতে পার, যা অনন্তকালের জন্যে স্থায়ী হবে।' হযরত হাসান বসরী (রঃ) এই আয়াতটি পাঠ করে বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! যে চিন্তা ও গবেষণা করবে সে অবশ্যই জানতে পারবে যে, ইহজগতের ঘর হচ্ছে বিপদের ঘর এবং পরিণামে এটা ধ্বংস হয়ে যাবে, আর পরজগতই হচ্ছে প্রতিদানের ঘর এবং তা চিরস্থায়ী থাকবে।”হযরত কাতাদাহ (রঃ) বলেনঃ “দুনিয়ার উপর আখেরাতের যে কি মর্যাদা রয়েছে তা একটু চিন্তা করলেই পরিষ্কারভাবে জানতে পারা যাকে। সুতরাং জ্ঞানীদের উচিত যে, তারা যেন পরকালের পুণ্য সংগ্রহ করার কাজে সদা সচেষ্ট থাকে।অতঃপর পিতৃহীনদের সম্পর্কে নির্দশাবলী অবতীর্ণ হচ্ছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, পূর্বে এই নির্দেশ ছিল (আরবি) অর্থাৎ উৎকৃষ্ট পন্থা ব্যতিরেকে পিতৃহীনদের মালের নিকটে যেও ।' (৬:১৫২) আরও বলেছেনঃ(আরবি)অর্থাৎ নিশ্চয় যারা পিতৃহীনদের মাল অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে, তারা তাদের পেটের মধ্যে আগুন ভক্ষণ করছে এবং তারা অতি সত্বরই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' (৪:১০) এই আয়াতগুলো শ্রবণ করে পিতৃহীনদের অভিভাবকগণ ইয়াতীমদের আহার্য ও পানীয় হতে নিজেদের আহার্য ও পানীয় সম্পূর্ণরূপে পৃথক করে দেন। তখন ঐ পিতৃহীনদের জন্যে রান্নাকৃত খাদ্য বেঁচে গেলে হয় ওরাই। তা অন্য সময় খেয়ে নিতো না হয় নষ্ট হয়ে যেতো। এর ফলে একদিকে যেমন ইয়াতীমদের ক্ষতি হতে থাকে, অপরদিকে তেমনই তাদের অভিভাবকগণ অস্বস্তিবোধ করতে থাকেন। সুতরাং তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট এসে এই সম্বন্ধে আরজ করেন। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং সৎ নিয়তে ও বিশ্বস্ততার সাথে তাদের মাল নিজেদের মালের সাথে মিলিত রাখার অনুমতি দেয়া হয়। সুনান-ই-আবু দাউদ, সুনান-ই-নাসাঈ ইত্যাদির মধ্যে এই বর্ণনাটি বিদ্যমান রয়েছে এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মনীষীদের একটি দল এর শান-ই-নযুল এটাই বর্ণনা করেছেন। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) বর্ণনা করেন, “ইয়াতীমদের খাদ্য ও পানি পৃথক করা ছাড়া খুঁটিনাটিভাবে তাদের মাল দেখাশুনা করা খুবই কঠিন।”(আরবি)-এর ভাবার্থ এই পৃথক করণই বটে। কিন্তু (আরবি) বলে মিলিত রাখার অনুমতি দেয়া হয়। কেননা, তারাও তো ধর্মীয় ভাই। তবে নিয়্যাত সৎ হওয়া উচিত। ইয়াতীমদের ক্ষতি করার যদি উদ্দেশ্য থাকে তবে সেটাও আল্লাহ পাকের নিকট অজানা নেই। আর যদি ইয়াতীমদের মঙ্গলের ও তাদের মাল রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্য থাকে তবে সেটাও আল্লাহ তা'আলা খুব ভালই জানেন। অতঃপর বলা হচ্ছে-আল্লাহ তোমাদেরকে কষ্ট ও বিপদের মধ্যে জড়িত করতে চান না। পিতৃহীনদের আহার্য ও পানি পৃথক করণের ফলে তোমরা যে অসুবিধের সম্মুখীন হয়েছিলে আল্লাহ তা'আলা তা দূর করে দিলেন। এখন একই হাঁড়িতে রান্নাবান্না করা এবং মিলিতভাবে কাজ করা তোমাদের জন্যে মহান আল্লাহ বৈধ করলেন। এমনকি পিতৃহীনের অভিভাবক যদি দরিদ্র হয় তবে ন্যায়ভাবে সে নিজের কাজে ইয়াতীমের মাল খরচ করতে পারে। আর যদি কোন ধনী অভিভাবক প্রয়োজন বশতঃ ইয়াতীমের মাল নিজের কাজে লাগিয়ে থাকে তবে সে পরে তা আদায় করে দেবে। এই জিজ্ঞাস্য বিষয়গুলো সূরা-ইনিসা’র তাফসীরে ইনশাআল্লাহ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হবে।