Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Al-Furqaan 25:30

25:30
وقال الرسول يا رب ان قومي اتخذوا هاذا القران مهجورا ٣٠
وَقَالَ ٱلرَّسُولُ يَـٰرَبِّ إِنَّ قَوْمِى ٱتَّخَذُوا۟ هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانَ مَهْجُورًۭا ٣٠
وَقَالَ
ٱلرَّسُولُ
يَٰرَبِّ
إِنَّ
قَوۡمِي
ٱتَّخَذُواْ
هَٰذَا
ٱلۡقُرۡءَانَ
مَهۡجُورٗا
٣٠
Dan berkatalah Rasul: "Wahai Tuhanku sesungguhnya kaumku telah menjadikan Al-Quran ini satu perlembagaan yang ditinggalkan, tidak dipakai".
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 25:30 hingga 25:31

৩০-৩১ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল ও নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) সম্পর্কে খবর দিতে গিয়ে বলেন যে, নবী (সঃ) বললেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায়তো এই কুরঅনকে পরিত্যাজ্য মনে করে। এটা এভাবে যে, মুশরিকরা কুরআন কারীম শ্রবণ করতো না এবং তাতে কর্ণপাত করতো না। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “কাফিররা বলে-তোমরা এই কুরআন শ্রবণ করো না এবং ওটা আবৃত্তিকালে শোরগোল সৃষ্টি করো যাতে তোমরা জয়ী হতে পার।” (৪১:২৬) কাফিরদের সামনে যখন কুরআন কারীম পাঠ করা হতো তখন তারা হট্টগোল ও গোলমাল করতো এবং আজে বাজে কথা বলতে যাতে তারা কুরআন শুনতে না পায়। এটাই হলো তাদের কুরআন পরিত্যাগ করা ও ওর প্রতি ঈমান না আনা।কুরআনের সত্যতা স্বীকার না করার অর্থও হলো ওটা পরিত্যাগ করা। কুরআন সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণা করা পরিত্যাগ করা হলো কুরআনকে পরিত্যাগ করা। কুরআন অনুযায়ী আমল, ওর নির্দেশাবলী প্রতিপালন এবং ওর নিষেধাবলী থেকে পরহেযগারী অবলম্বন পরিত্যাগ করাও হলো কুরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করা। কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে কবিতা, গান এবং খেল-তামাশার প্রতি আকৃষ্ট হওয়াও হলো ওকে পরিত্যাজ্য মনে করা। সুতরাং অনুগ্রহশীল ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর নিকট আমরা প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাদেরকে এমন জিনিস হতে পরিত্রাণ দান করেন যার উপর তাঁর ক্রোধ পতিত হয় এবং যেন তিনি আমাদেরকে এমন জিনিসের আমলকারী বানিয়ে দেন যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। যেমন তাঁর কিতাব হিফয করা, ওটা অনুধাবন করা এবং দিন রাত ওর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা। নিশ্চয়ই তিনি পরম দয়ালু ও দাতা।মহান আল্লাহ বলেনঃ এই ভাবেই প্রত্যেক নবীর শক্ত করেছিলাম আমি অপরাধীদেরকে। অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তোমার কওম যেমন কুরআনকে পরিত্যাজ্য মনে করছে, পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতেরাও তেমনই ছিল। কেননা, আল্লাহ তা'আলা প্রত্যক নবীরই শক্ত করেছেন অপরাধীদেরকে। তারা মানুষকে তাদের বিভ্রান্তির দিকে ও তাদের কুফরীর দিকে আহ্বান করতো। যেমন আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “এভাবেই আমি প্রত্যেক নবীর শক্র করেছিলাম মানব ও দানব শয়তানদেরকে।” (৬:১১২) এজন্যেই আল্লাহ তা'আলা এখানে বলেনঃ তোমার জন্যে তোমার প্রতিপালকই পথ-প্রদর্শক ও সাহায্যকারীরূপে যথেষ্ট। অর্থাৎ যে আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্য স্বীকার করবে, তাঁর কিতাবের উপর ঈমান আনবে এবং ওর সত্যতা স্বীকার করতঃ ওর অনুসরণ করবে, দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ হবেন তার পথ-প্রদর্শক ও সাহায্যকারী। পথ-প্রদর্শক ও সাহায্যকারী বলার কারণ এই যে, মুশরিকরা লোকদেরকে কুরআনের অনুসরণ হতে বাধা প্রদান করতো, যাতে কেউই এর দ্বারা হিদায়াত প্রাপ্ত হতে না পারে এবং তাদের পন্থা যেন কুরআনের পন্থার উপর জয়যুক্ত হয়। এজন্যেই মহান আল্লাহ বলেনঃ এভাবেই আমি প্রত্যেক নবীর শক্র করেছি অপরাধীদেরকে (শেষ পর্যন্ত)।