Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Al-Jaathiyah 45:3

45:3
ان في السماوات والارض لايات للمومنين ٣
إِنَّ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّلْمُؤْمِنِينَ ٣
إِنَّ
فِي
ٱلسَّمَٰوَٰتِ
وَٱلۡأَرۡضِ
لَأٓيَٰتٖ
لِّلۡمُؤۡمِنِينَ
٣
Sesungguhnya pada langit dan bumi terdapat tanda-tanda (yang membuktikan kekuasaan Allah) bagi orang-orang yang beriman.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 45:1 hingga 45:5

১-৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় মাখলুককে হিদায়াত করছেন যে, তারা যেন মহা ক্ষমতাবান আল্লাহর ক্ষমতার নিদর্শনাবলীর উপর চিন্তা ও গবেষণা করে, তাঁর নিয়ামতরাজিকে জানে ও বুঝে, অতঃপর এগুলোর কারণে তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তারা যেন এটা দেখে যে, আল্লাহ কত বড় ক্ষমতাবান! যিনি আসমান, যমীন এবং বিভিন্ন প্রকারের সমস্ত মাখলুক সৃষ্টি করেছেন! ফেরেশতা, দানব, মানব, পশু-পাখী, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি সবকিছুরই স্রষ্টা তিনিই। সমুদ্রের অসংখ্য সৃষ্টজীবেরও সৃষ্টিকর্তা তিনিই। দিবসকে রজনীর পরে এবং রজনীকে দিবসের পিছনে আনয়ন তিনিই করছেন। রাত্রির অন্ধকার এবং দিনের ঔজ্জ্বল্য তাঁরই অধিকারভুক্ত জিনিস। প্রয়োজনের সময় মেঘমালা হতে পরিমিত পরিমাণে বৃষ্টি তিনিই বর্ষণ করে থাকেন। রিযক দ্বারা বৃষ্টিকে বুঝানো হয়েছে। কেননা, এর দ্বারাই খাদ্য জাতীয় জিনিস উৎপন্ন হয়ে থাকে। শুষ্কভূমি সিক্ত হয় এবং তা হতে নানা প্রকারের শস্য উৎপাদিত হয়। দিবস ও রজনীতে উত্তরা হাওয়া ও দক্ষিণা হাওয়া এবং পুবালী হাওয়া ও পশ্চিমা হাওয়া এবং শুষ্ক ও সিক্ত হাওয়া তিনিই প্রবাহিত করেন। কোন কোন বায়ু মেঘ আনয়ন করে এবং কোন কোন বায়ু মেঘকে পানিপূর্ণ করে। কোন কোন বাতাস রূহের খোরাক হয় এবং এগুলো ছাড়া অন্যান্য কাজের জন্যেও প্রবাহিত হয়ে থাকে। আল্লাহ পাক প্রথমে বলেন যে, এতে নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্যে, এরপর বলেছেনঃ এতে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্যে রয়েছে নিদর্শন এবং শেষে বলেছেনঃ এতে নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে। এটা একটা সম্মান বিশিষ্ট অবস্থা হতে অন্য একটা বেশী সম্মান বিশিষ্ট অবস্থার দিকে উন্নত করা। এ আয়াতটি সূরায়ে বাকারার নিম্নের আয়াতটির সাথে সাদৃশ্যযুক্তঃ (আরবী) অর্থাৎ “আকাশ মণ্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির পরিবর্তনে, যা মানুষের হিত সাধন করে তা সহ সমুদ্রে বিচরণশীল নৌযানসমূহে, আল্লাহ আকাশ হতে যে বারি বর্ষণ দ্বারা ধরিত্রিকে ওর মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন। তাতে এবং ওর মধ্যে যাবতীয় জীব-জন্তুর বিস্তারে, বায়ুর দিক পরিবর্তনে, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত মেঘমালাতে জ্ঞানবান জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে।"(২:১৬৪) ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) এখানে একটি দীর্ঘ আসার আনয়ন করেছেন, কিন্তু ওটা গারীব। ওতে মানুষকে চার প্রকারের উপাদান দিয়ে সৃষ্টি করার কথাও রয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।