Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Al-Ma'idah 5:13

5:13
فبما نقضهم ميثاقهم لعناهم وجعلنا قلوبهم قاسية يحرفون الكلم عن مواضعه ونسوا حظا مما ذكروا به ولا تزال تطلع على خاينة منهم الا قليلا منهم فاعف عنهم واصفح ان الله يحب المحسنين ١٣
فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَـٰقَهُمْ لَعَنَّـٰهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَـٰسِيَةًۭ ۖ يُحَرِّفُونَ ٱلْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِۦ ۙ وَنَسُوا۟ حَظًّۭا مِّمَّا ذُكِّرُوا۟ بِهِۦ ۚ وَلَا تَزَالُ تَطَّلِعُ عَلَىٰ خَآئِنَةٍۢ مِّنْهُمْ إِلَّا قَلِيلًۭا مِّنْهُمْ ۖ فَٱعْفُ عَنْهُمْ وَٱصْفَحْ ۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ ١٣
فَبِمَا
نَقۡضِهِم
مِّيثَٰقَهُمۡ
لَعَنَّٰهُمۡ
وَجَعَلۡنَا
قُلُوبَهُمۡ
قَٰسِيَةٗۖ
يُحَرِّفُونَ
ٱلۡكَلِمَ
عَن
مَّوَاضِعِهِۦ
وَنَسُواْ
حَظّٗا
مِّمَّا
ذُكِّرُواْ
بِهِۦۚ
وَلَا
تَزَالُ
تَطَّلِعُ
عَلَىٰ
خَآئِنَةٖ
مِّنۡهُمۡ
إِلَّا
قَلِيلٗا
مِّنۡهُمۡۖ
فَٱعۡفُ
عَنۡهُمۡ
وَٱصۡفَحۡۚ
إِنَّ
ٱللَّهَ
يُحِبُّ
ٱلۡمُحۡسِنِينَ
١٣
Maka dengan sebab mereka mencabuli perjanjian setia mereka, Kami laknatkan mereka, dan Kami jadikan hati mereka keras membatu (tidak mahu menerima kebenaran). Mereka sentiasa mengubah Kalimah-kalimah (yang ada di dalam kitab Taurat dengan memutarnya) dari tempat-tempatnya (dan maksudnya) yang sebenar, dan mereka melupakan (meninggalkan) sebahagian dari apa yang diperingatkan mereka mereka dengannya. Dan engkau (wahai Muhammad) sentiasa dapat melihat perbuatan khianat yang mereka lakukan, kecuali sedikit dari mereka (yang tidak berlaku khianat). Oleh itu, maafkanlah mereka (jika mereka sedia bertaubat) dan janganlah dihiraukan, kerana sesungguhnya Allah suka kepada orang-orang yang berusaha supaya baik amalannya.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 5:12 hingga 5:14

১২-১৪ নং আয়াতের তাফসীর: উপরের আয়াতগুলোতে আল্লাহ তা'আলা স্বীয় মুমিন বান্দাদেরকে অঙ্গীকার পুরো করা, সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এবং ন্যায়ের সাথে সাক্ষ্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সাথে সাথে প্রকাশ্য ও গোপনীয় নিয়ামতগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। এখন এ আয়াতগুলোতে তাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবের নিকট হতে গ্রহণকৃত অঙ্গীকারের হাকীকত ও অবস্থা বর্ণনা করছেন। তারপর তারা যখন আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করে দেয় তখন তাদের পরিণাম কি হলো তা বর্ণনা করে মুসলমানদেরকে অঙ্গীকার ভঙ্গ করা থেকে বিরত রাখছেন। তাদের বারোজন সর্দার ছিল অর্থাৎ গোত্রের বারোজন চৌধুরী ছিল যারা তাদের নিকট বায়আত গ্রহণ করতো যে, তারা যেন আল্লাহর এ রাসূলের আদেশ-নিষেধ মেনে চলে এবং আল্লাহর কিতাবের অনুসরণ করে। হযরত মূসা (আঃ) যখন অবাধ্যদের সাথে যুদ্ধ করার জন্যে গমন করেন তখন তিনি প্রত্যেক গোত্রের নেতা হতে একজন করে সর্দার নির্বাচন করে যান। (১) আদবীল গোত্রের নেতা ছিল শামুন ইবনে আকওয়ান, (২) শামউনের চৌধুরী ছিল শাফাত ইবনে জাদ্দী, (৩) ইয়াহুদার নেতা ছিল কালিব ইবনে ইউফনা, (৪) ফীখাইলের নেতা ছিল ইবনে ইউসুফ, (৫) ইফরাঈমের সর্দার ছিল ইউশা ইবনে নূন, (৬) বিন ইয়ামীন গোত্রের চৌধুরী ছিল কিতাতামী ইবনে ওয়াফুন, (৭) যাবুকূনের সর্দার ছিল জাদ্দী ইবনে শূরী, (৮) মিনশারীর নেতা ছিল হদ্দিী ইবনে সূফী, (৯) দান আমলাসিলের সর্দার ছিল ইবনে হামল, (১০) আশা গোত্রের সর্দার ছিল সাতুর, (১১) নাফতালীর সর্দার ছিল বাহর, (১২) ইয়াখারার গোত্রের নেতা ছিল লাবিল। তাওরাতের ৪র্থ খণ্ডে বানূ ইসরাঈলের গোত্রগুলোর সর্দারদের নাম উল্লিখিত রয়েছে। ঐ নামগুলো এবং এ নামগুলোর মধ্যে কিছু গরমিল দেখা যায়। আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। বর্তমান তাওরাতের নামগুলো নিম্নরূপঃ (১) বান্ আদবীল গোত্রের নেতা সুফী ইবনে সাদুন, (২) বান্ শামউনের সর্দার শামওয়াল ইবনে সূর, (৩) বানূ ইয়াহুদার সর্দার হাশূর ইবনে উমাইয়াযার, (৪) বানূ ইয়াসখারের নেতা শাল ইবনে সাউন, (৫) বান্ যাবুর নেতা আলাইয়াব ইবনে হাল্ব, (৬) বানূ ফারাইয়ামের সর্দার মিনশা ইবনে গামছুর, (৭) বা মিনশার নেতা হামইয়াঈল, (৮) বান্ বিন ইয়ামীনের নেতা আবদীনা, (৯) বানূ দানের সর্দার জাইযার, (১) বানূ আশারের নেতা নাহাবিল, (১১) বান্ কানের সর্দার সায়েফ ইবনে দাওয়াবীল এবং (১২) বানূ নাফতারীর নেতা আজযা।এটা স্মরণীয় বিষয় যে, লাইলাতুল আকাবায় রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন আনসারদের নিকট হতে বায়আত গ্রহণ করেন সে সময় তাদের সর্দারও বারজনই ছিলেন। আউস গোত্রের ছিলেন তিনজন। তাঁরা হলেনঃ (১) হযরত উসায়েদ ইবনে হুযায়ের (রাঃ), (২) হযরত সা'দ ইবনে হালীমা (রাঃ) এবং (৩) হযরত রুফাআ ইবনে আবদুল মুগযির (রাঃ)। অন্য বর্ণনায় হযরত রুফাআর (রাঃ) স্থলে হযরত আবদুল হাইসাম ইবনে তাইহান (রাঃ)-এর নাম রয়েছে। বাকী নয়জন সর্দার ছিলেন খাযরাজ গোত্রের মধ্য হতে। তারা হচ্ছেনঃ (১) আবু উমামাহ আসআদ ইবনে যারারাহ (রাঃ), (২) সা’দ ইবনে রাবী' (রাঃ), (৩) আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রাঃ), (৪) রাফি ইবনে মালিক ইবনে আজলান (রাঃ), (৫) বারা ইবনে মারূর (রাঃ), (৬) উবাদাহ ইবনে সামিত (রাঃ), (৭) সা’দ ইবনে উবাদাহ (রাঃ), (৮) আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হারাম (রাঃ) এবং (৯) মুনযির ইবনে আমর ইবনে খামরাস (রাঃ)। এ সর্দারগণ নিজ নিজ কওমের পক্ষ থেকে শেষ নবী (সঃ)-এর হাতে শ্রবণ করার ও মান্য করার বায়আত গ্রহণ করেন। হযরত মাসরূক (রাঃ) বলেনঃ আমরা। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)-এর পাশে বসেছিলাম। তিনি সে সময় আমাদেরকে কুরআন পাঠ শিক্ষা দিচ্ছিলেন। এমন সময় একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করেন –এ উম্মতের ক’জন খলীফা হবেন এ কথা কি আপনারা নবী (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) উত্তরে বলেনঃ যখন থেকে আমি ইরাকে এসেছি, আপনি ছাড়া আর কেউ আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেননি। এ সম্বন্ধে আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ “বারোজন হবে। বানী ইসরাঈলের দলপতিদেরও এ সংখ্যাই ছিল।'সনদের দিক দিয়ে এ হাদীসটি গারীব বটে, কিন্তু হাদীসের বিষয়বস্তু সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের বর্ণনা দ্বারাও সাব্যস্ত হয়েছে। হযরত জাবির ইবনে সামরা (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সঃ)-কে বলতে শুনেছি- “মানুষের কাজ চলতে থাকবে যে পর্যন্ত তাদের অলী বারোজন হবে। তারপর নবী (সঃ) একটি কথা বলেন যা আমি শুনতে পাইনি। আমি তখন অন্যকে জিজ্ঞেস করি-নবী (সঃ) এখন কি বললেন? তিনি উত্তরে বলেনঃ “তারা সব কুরাইশ হবে।” সহীহ মুসলিমে এ শব্দই রয়েছে। এ হাদীসের ভাবার্থ এই যে, বারোজন সৎ খলীফা হবেন যারা হক প্রতিষ্ঠিত করবেন এবং লোকদের মধ্যে আদল ও ইনসাফ কায়েম করবেন। এর দ্বারা এটা প্রমাণিত হয় না যে, তারা সবাই পর্যাক্রমেই হবেন। তাদের মধ্যে চারজন খলীফা তো পর্যাক্রমেই হয়েছেন। তারা হচ্ছেনঃ হযতর আবু বকর (রাঃ), হযরত উমার (রাঃ), হযরত উসমান (রাঃ) এবং হযরত আলী (রাঃ)। এ চারজন খলীফার খিলাফত নবুওয়াতের তরীকা অনুযায়ীই ছিল। ঐ বারোজন খলীফার মধ্যে পঞ্চম হচ্ছেনউমার ইবনে আবদুল আযীয। বানূ আব্বাসের মধ্যে কেউ কেউ এরূপ খলীফা ছিলেন। কিয়ামতের পূর্বে এ বারো সংখ্যা পূর্ণ হওয়া অবশ্যই জরুরী। তাঁদের মধ্য হতেই একজন হচ্ছেন ইমাম মাহদী (রঃ), যার সুসংবাদ হাদীসে এসেছে। নবী (সঃ)-এর নামে তাঁর নাম হবে এবং নবী (সঃ)-এর পিতার নামে তাঁর পিতার নাম হবে। তিনি ভূ-পৃষ্ঠকে আদল ও ইনসাফ দ্বারা পূর্ণ করে দেবেন। অথচ তার পূর্বে পৃথিবী অত্যাচার ও অনাচারে ভরপুর থাকবে। কিন্তু শী আ সম্প্রদায় যে ইমামের জন্যে অপেক্ষমান রয়েছে তিনি সেই ইমাম নন। শী'আদের ঐ ইমামের আসলে তো কোন অস্তিত্বই নেই। এটা তো শুধু তাদের ধারণা ও কল্পনা মাত্র। এ হাদীস শী'আদের বারো ফিরকার ইমামদেরকে বুঝায় না। এ হাদীসকেই ঐ বারোজন ইমামের উপর মাহমুল করাও শী'আদের ঐ ফিরকার বানানো কথা মাত্র। এটা তো তাদের অজ্ঞতা এবং জ্ঞানের স্বল্পতাই প্রমাণ করে। তাওরাতে হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর শুভ সংবাদের সাথে সাথে লিখিত আছে যে, তাঁর বংশের মধ্যে বারোজন মহান ব্যক্তি হবেন। এর দ্বারাও মুসলমানদের এ বারোজন কুরায়েশী বাদশাহকেই বুঝানো হয়েছে। কিন্তু যেসব ইয়াহূদী মুসলমান হয়েছিল তারা ছিল অন্য। তারা নিজেদের ইসলামে কাঁচা ছিল এবং সাথে সাথে মূখও ছিল। তারা হয় তো শী'আদের কানে এটা কুঁকে দিয়েছিল এবং এর ফলেই তারা মনে করে নিয়েছিল যে, এর দ্বারা বারোজন ইমামকে বুঝানো হয়েছে। নতুবা হাদীসে তো পরিষ্কারভাবে এর উল্টোই বিদ্যমান রয়েছে। এখন ঐ আহাদ ও অঙ্গীকারের আলোচনা করা হচ্ছে যা আল্লাহ তাআলা। ইয়াহূদীদের নিকট গ্রহণ করেছিলেন। সেই অঙ্গীকার এই যে, তারা নামায পড়বে, যাকাত দেবে, আল্লাহর রাসূলদের সত্যতা স্বীকার করবে, তাদের সাহায্য সহানুভূতি করবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজে নিজেদের মাল খরচ করবে। তারা যদি এ সব কিছু পালন করে তবে আল্লাহর সাহায্য সহায়তা তাদের সাথে থাকবে, তাদের পাপরাশি ক্ষমা করে দেয়া হবে এবং তাদের জান্নাতে প্রবিষ্ট করা হবে। আর তাদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করা হবে এবং তাদের ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে তারা যদি এ অঙ্গীকারের পরও তা থেকে ফিরে যায় এবং ওগুলো পালন না করে তবে অবশ্যই তারা সত্য পথ থেকে দূরে সরে পড়বে এবং বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। সুতরাং হলোও তা-ই। তারা অঙ্গীকার ভেঙ্গে দিলো এবং ওয়াদা খেলাফ করলো। তখন তাদের উপর আল্লাহর লা'নত বর্ষিত হলো, তারা হিদায়াত থেকে দূরে সরে পড়লো, তাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেল, তারা ওয়াজ-নসীহতে মোটেই উপকৃত হলো না, তাদের বিবেক-বুদ্ধি বিগড়ে গেল, আল্লাহর কথাকে তারা হেরফের করতে লাগলো এবং ভুল ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিতে লাগলো। কালামুল্লাহর প্রকৃত ভাবার্থ যা হবে তা পরিবর্তন করে দিয়ে অন্য ভাবার্থ বুঝতে ও বুঝাতে লাগলো এবং আল্লাহর নাম নিয়ে ঐসব মাসআলা বর্ণনা করতে লাগলো যা আল্লাহ বলেননি। অবশেষে আল্লাহর কিতাব তাদের হাত থেকে ছুটে গেল এবং তারা তা থেকে সম্পূর্ণরূপে বে-আমল হয়ে গেল, আর তার প্রতি অনীহা প্রকাশ করতে লাগলো। দ্বীনের আসল আমল যখন তাদের হাত থেকে ছুটে গেল তখন ফুরূঈ আমল কিরূপে ককূল হতে পারে? আমল ছুটে যাওয়ার কারণে না অন্তর ঠিক থাকলো, না স্বভাব ভাল থাকলো, না আন্তরিকতা রইলো। প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজেদের নীতিতে অভ্যাস বানিয়ে নিলো। আর তারা নবী (সঃ) এবং তাঁর সাহাবীদের বিরোধিতা করতে লাগলো।নবী (সঃ)-কে বলা হচ্ছে- তুমি তাদেকে ক্ষমা ও মার্জনা করতে থাক। তাদের সাথে এরূপ ব্যবহার করা উত্তম হবে। হযরত উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি তোমার সাথে আল্লাহর নাফরমানীমূলক ব্যবহার করে, তুমি তাকে আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি আহ্বান কর।” এতে যৌক্তিকতা ও পরিণামদর্শিতা এই রয়েছে যে, ফলে সে হয় তো ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বে এবং আল্লাহ তাকে হিদায়াত নসীব করবেন। ইরশাদ হচ্ছে-আল্লাহ সৎকর্মশীদের ভালবাসেন। অর্থাৎ যারা অপরের দুর্ব্যবহার ক্ষমা করতঃ তার সাথে সৎ ব্যবহার করে, এরূপ লোককে আল্লাহ খুবই ভালবাসেন। কাতাদাহ্ (রঃ) বলেন যে, দুর্ব্যবহারকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার হুকুম জিহাদের আয়াত দ্বারা মানসূখ বা রহিত হয়ে গেছে।ঘোষণ করা হচ্ছে-খ্রীষ্টানদের নিকট থেকেও আমি অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলাম যে, তারা আমার প্রেরিত রাসূল (সঃ)-এর উপর ঈমান আনবে, তাঁকে সাহায্য করবে এবং তার আনুগত্য স্বীকার করবে। কিন্তু ইয়াহূদীদের মত তারাও অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। এর শাস্তি স্বরূপ আমি তাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে দিয়েছি এবং তা কিয়ামত পর্যন্ত জারী থাকবে। তারা আজ দলে দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদল অপর দলকে কাফির ও অভিশপ্ত বলছে এবং নিজেদের উপাসনালয়েও আসতে দেয় না। মালেকিয়াহ দল ইয়াকুবিয়্যাহ দলকে খোলাখুলিভাবে কাফির বলছে। এরূপ সমস্ত দলই করতে রয়েছে।আল্লাহ পাক বলেনঃ অচিরেই আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে সংবাদ দেবেন। এ কথা দ্বারা খ্রীষ্টানদেরকে শাস্তির ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। কেননা, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর উপর মিথ্যা আরোপ করেছে। তারা মহান আল্লাহর স্ত্রী ও সন্তান সাব্যস্ত করেছে (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)। কিয়ামতের দিন তাদেরকে কঠিনভাবে পাকড়াও করা হবে। আল্লাহ তো হচ্ছেন এক ও অদ্বিতীয়, তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন। তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনিও কারও সন্তান নন। আর তাঁর সমতুল্য ও সমকক্ষ কেউই নেই।