Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: An-Nur 24:26

24:26
الخبيثات للخبيثين والخبيثون للخبيثات والطيبات للطيبين والطيبون للطيبات اولايك مبرءون مما يقولون لهم مغفرة ورزق كريم ٢٦
ٱلْخَبِيثَـٰتُ لِلْخَبِيثِينَ وَٱلْخَبِيثُونَ لِلْخَبِيثَـٰتِ ۖ وَٱلطَّيِّبَـٰتُ لِلطَّيِّبِينَ وَٱلطَّيِّبُونَ لِلطَّيِّبَـٰتِ ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ مُبَرَّءُونَ مِمَّا يَقُولُونَ ۖ لَهُم مَّغْفِرَةٌۭ وَرِزْقٌۭ كَرِيمٌۭ ٢٦
ٱلۡخَبِيثَٰتُ
لِلۡخَبِيثِينَ
وَٱلۡخَبِيثُونَ
لِلۡخَبِيثَٰتِۖ
وَٱلطَّيِّبَٰتُ
لِلطَّيِّبِينَ
وَٱلطَّيِّبُونَ
لِلطَّيِّبَٰتِۚ
أُوْلَٰٓئِكَ
مُبَرَّءُونَ
مِمَّا
يَقُولُونَۖ
لَهُم
مَّغۡفِرَةٞ
وَرِزۡقٞ
كَرِيمٞ
٢٦
(Lazimnya) perempuan-perempuan yang jahat adalah untuk lelaki-lelaki yang jahat, dan lelaki-lelaki yang jahat untuk perempuan-perempuan yang jahat; dan (sebaliknya) perempuan-perempuan yang baik untuk lelaki-lelaki yang baik, dan lelaki-lelaki yang baik untuk perempuan-perempuan yang baik. Mereka (yang baik) itu adalah bersih dari (tuduhan buruk) yang dikatakan oleh orang-orang (yang jahat); mereka (yang baik) itu akan beroleh pengampunan (dari Allah) dan pengurniaan yang mulia.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এইরূপ মন্দ কথা মন্দ লোকদের জন্যেই শোভা পায়। ভাল কথা ভাল লোকদের জন্যেই শোভনীয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ মুনাফিকরা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ)-এর উপর যে অপবাদ আরোপ করেছে এবং তাঁর সম্পর্কে যে জঘন্য কথা উচ্চারণ করেছে তার যোগ্য তারাই। কেননা, তারাই অশ্লীল ও ম্লেচ্ছ। হযরত আয়েশা (রাঃ) সতী-সাধ্বী বলে তিনি পবিত্র কথারই যোগ্য। এ আয়াতটিও হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। আয়াতটির পরিষ্কার অর্থ এই যে, আল্লাহর রাসূল (সঃ), যিনি সব দিক দিয়েই পবিত্র, তাঁর বিবাহে যে আল্লাহ তা'আলা অসতী ও ম্লেচ্ছা নারী প্রদান করবেন এটা অসম্ভব। কলুষিতা নারী কলুষিত পুরুষের জন্যে শোভনীয়। এজন্যেই মহান আল্লাহ বলেনঃ লোকে যা বলে তারা তা হতে পবিত্র। এই দুষ্ট লোকদের মন্দ ও ঘৃণ্য কথায় তারা যে দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছে এটাও ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা লাভের কারণ। তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর স্ত্রী বলে জান্নাতে আদনে তাঁর সাথেই থাকবে।একদা হযরত উসায়েদ ইবনে জাবির (রাঃ) হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন- “আজ আমি ওয়ালীদ ইবনে উকবা (রাঃ)-এর এক অতি মূল্যবান ও উত্তম কথা শুনেছি।” তখন হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বলেনঃ “ঠিকই বটে। মুমিনের অন্তরে একটি কথা আসে। তারপরে ওটা তার বক্ষের উপর চলে আসে এবং এরপর সে ওটা মুখ দ্বারা প্রকাশ করে। কথাটি ভাল বলে ভাল কথা শ্রবণকারী ওটাকে নিজের অন্তরে বসিয়ে নেয়। অনুরূপভাবে মন্দ কথা মন্দ লোকদের অন্তর হতে বক্ষের উপর এবং বক্ষ হতে জিহ্বা পর্যন্ত চলে আসে। মন্দ লোক ওটাকে শোনা মাত্রই নিজের অন্তরে বসিয়ে নেয়।” অতঃপর হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) (আরবি)-এই আয়াতটি পাঠ করেন। (এটা ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি বহু কিছু কথা শোনার পর ওগুলোর মধ্যে যে কথা সবচেয়ে নিকৃষ্ট ওটাই বর্ণনা করে তার দৃষ্টান্ত হলো ঐ ব্যক্তি যে কোন বকরীর মালিকের কাছে একটি বকরী চাইলো। তখন বকরীর মালিক তাকে বললোঃ “তুমি বকরীর যুথ বা খোয়াড়ে গিয়ে তোমার ইচ্ছামত একটি বকরী নিয়ে নাও।” তার কথামত সে যুথে গিয়ে বকরীর (প্রহরী) কুকুরের কান। ধরে নিয়ে আসলো।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) অন্য হাদীসে রয়েছেঃ “জ্ঞানের কথা মুমিনের হারারো সম্পদ। সে ওটা যেখানেই পাবে নিয়ে নিবে।”