Log masuk
Log masuk
Log masuk
Pilih Bahasa

Tafsir: Az-Zumar 39:36

39:36
اليس الله بكاف عبده ويخوفونك بالذين من دونه ومن يضلل الله فما له من هاد ٣٦
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِكَافٍ عَبْدَهُۥ ۖ وَيُخَوِّفُونَكَ بِٱلَّذِينَ مِن دُونِهِۦ ۚ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍۢ ٣٦
أَلَيۡسَ
ٱللَّهُ
بِكَافٍ
عَبۡدَهُۥۖ
وَيُخَوِّفُونَكَ
بِٱلَّذِينَ
مِن
دُونِهِۦۚ
وَمَن
يُضۡلِلِ
ٱللَّهُ
فَمَا
لَهُۥ
مِنۡ
هَادٖ
٣٦
Bukankah Allah cukup untuk mengawal dan melindungi hambaNya (yang bertaqwa)? Dan mereka menakutkanmu (wahai Muhammad) dengan yang mereka sembah yang lain dari Allah. Dan (ingatlah) sesiapa yang disesatkan oleh Allah (dengan pilihannya yang salah), maka tidak ada sesiapapun yang dapat memberi hidayah petunjuk kepadanya.
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Hadis
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 39:36 hingga 39:40

৩৬-৪০ নং আয়াতের তাফসীর: একটি কিরআতে (আরবী) রয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্যে কি যথেষ্ট নন? অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই তাঁর সমস্ত বান্দার জন্যে যথেষ্ট। সুতরাং সবারই তার উপরই ভরসা করা উচিত। হযরত ফুযালাহ ইবনে উবায়েদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ “ঐ ব্যক্তি পরিত্রাণ লাভ করেছে যাকে ইসলামের পথে পরিচালিত করা হয়েছে, প্রয়োজন পরিমাণে রিযক দান করা হয়েছে এবং তাতেই সে তুষ্ট হয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ), ইমাম তিরমিযী (রঃ) এবং ইমাম নাসাঈ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে সহীহ বলেছেন)মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অপরের ভয় দেখাচ্ছে। এটা তাদের অজ্ঞতা ও পথভ্রষ্টতা ছাড়া কিছুই নয়। আল্লাহ যাকে বিভ্রান্ত করেন তার জন্যে কোন পথ প্রদর্শক নেই। যেমন আল্লাহ যাকে সুপথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউই পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী ও দণ্ডবিধায়ক। যারা তার উপর নির্ভর করে তারা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না এবং তাঁর দিকে যারা ঝুঁকে পড়ে তারা কখনো বঞ্চিত হয় না। তার চেয়ে বড় মর্যাদাবান আর কেউই নেই। অনুরূপভাবে তার চেয়ে বড় প্রতিশোধ গ্রহণকারীও আর কেউ নেই। যারা তার সাথে শরীক স্থাপন করে এবং তাঁর রাসূলদের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয় তাদেরকে অবশ্যই তিনি কঠিন শাস্তি প্রদান করবেন।এরপর মুশরিকদের আরো অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ তা'আলাকে সব কিছুরই সৃষ্টিকর্তা মেনে নেয়া সত্ত্বেও তারা এমন মিথ্যা ও অসার মা’রূদের উপাসনা করছে যারা কোন লাভ ও ক্ষতির মালিক নয়। যাদের কোন বিষয়েরই কোন অধিকার নেই। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তুমি আল্লাহকে স্মরণ কর, তিনি তোমার হিফাযত করবেন। তুমি আল্লাহর যিকর কর, সব সময় তুমি তাকে তোমার কাছে পাবে। সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের সময় তার নিয়ামতরাজির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, কাঠিন্যের সময় তিনি তোমার কাজে আসবেন। কিছু চাইতে হলে তাঁর কাছেই চাও এবং সাহায্য প্রার্থনা করতে হলে তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। জেনে রেখো যে, আল্লাহর ইচ্ছা না হলে সারা দুনিয়া মিলে তোমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তোমার কোনই ক্ষতি তারা করতে পারবে না। অনুরূপভাবে সবাই মিলে তোমার কোন উপকার করতে হইলেও এবং সেটা তোমার তকদীরে লিখিত না থাকলে তোমার কোন উপকারও করতে তারা সক্ষম হবে না। পুস্তিকা শুকিয়ে গেছে এবং কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। বিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতার সাথে ভাল কাজে নিমগ্ন হয়ে যাও। বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণে বড়ই পুণ্য লাভ হয়। সবরের সাথে সাহায্য রয়েছে। সংকীর্ণতার সাথেই আছে প্রশস্ততা এবং কষ্টের সাথেই আছে স্বস্তি। (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি তাদেরকে বলে দাও আমার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট। নির্ভরকারীরা আল্লাহর উপর নির্ভর করে। যেমন হযরত হূদ (আঃ)-কে যখন তাঁর সম্প্রদায়ের লোকেরা বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমরা তো এটাই বলি যে, আমাদের মা’বৃদদের মধ্যে কেউ তোমাকে অশুভ দ্বারা আবিষ্ট করেছে।” (১১:৫৪) তখন তাদের এ কথার উত্তরে তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি আল্লাহকে সাক্ষী করছি এবং তোমরাও সাক্ষী হও যে, আমি তা হতে নির্লিপ্ত যাকে তোমরা আল্লাহর শরীক কর আল্লাহ ব্যতীত। তোমরা সবাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর, অতঃপর আমাকে অবকাশ দিয়ো না। আমি নির্ভর করি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর, এমন কোন জীবজন্তু নেই, যে তার পূর্ণ আয়ত্তাধীন নয়। আমার প্রতিপালক আছেন সরল পথে।” (১১:৫৪-৫৬)। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী হতে চায় সে যেন আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হয়। আর যে ব্যক্তি লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা ধনী হতে চায় সে যেন তার নিজের হাতে যা রয়েছে তার উপর আস্থা রাখার চেয়ে বেশী আস্থা রাখে ঐ জিনিসের উপর যা আল্লাহর হাতে রয়েছে। যে ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ও মর্যাদাবান হতে চায় সে যেন মহামহিমান্বিত আল্লাহকে ভয় করে চলে।” (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)এরপর মুশরিকদের ধমকের সুরে বলতে বলা হচ্ছেঃ হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা স্ব স্ব অবস্থায় কাজ করতে থাকো, আমিও আমার কাজ করছি। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কার উপর আসবে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি এবং কার উপর আপতিত হবে স্থায়ী শাস্তি। আর এটা হবে কিয়ামতের দিন। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এর থেকে রক্ষা করুন!