Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Al-Qasas 28:28

28:28
قال ذالك بيني وبينك ايما الاجلين قضيت فلا عدوان علي والله على ما نقول وكيل ٢٨
قَالَ ذَٰلِكَ بَيْنِى وَبَيْنَكَ ۖ أَيَّمَا ٱلْأَجَلَيْنِ قَضَيْتُ فَلَا عُدْوَٰنَ عَلَىَّ ۖ وَٱللَّهُ عَلَىٰ مَا نَقُولُ وَكِيلٌۭ ٢٨
قَالَ
ذَٰلِكَ
بَيۡنِي
وَبَيۡنَكَۖ
أَيَّمَا
ٱلۡأَجَلَيۡنِ
قَضَيۡتُ
فَلَا
عُدۡوَٰنَ
عَلَيَّۖ
وَٱللَّهُ
عَلَىٰ
مَا
نَقُولُ
وَكِيلٞ
٢٨
Hij (Mozes) zei: “Dat is dan tussen ons geregeld, welke van de twee termijnen ik ook vervul, laat er geen onvrede tegen mij zijn en Allah is Getuige van wat wij zeggen.”
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith

মূসা বলল, ‘আপনার ও আমার মধ্যে এ চুক্তিই রইল। এ দুটি মেয়াদের কোন একটি আমি পূর্ণ করলে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকবে না।[১] আমরা যে বিষয়ে কথা বলছি আল্লাহ তার সাক্ষী।’ [২]

[১] অর্থাৎ, আট বছর বা দশ বছর পর আমি যেতে চাইলে অধিক থাকার দাবী করা যাবে না।

[২] কেউ কেউ বলেন, এটি শুআইব বা শুআইবের ভাইপোর উক্তি। আবার কেউ বলেন, এটি মূসা (আঃ)-এর কথা। হয়তো বা উভয়ের কথা; যেহেতু বহুবচন শব্দ ব্যবহার হয়েছে। মনে হয় এ ব্যাপারে দুজনেই আল্লাহকে সাক্ষী রাখলেন। আর এই কথার সাথে সাথেই তাঁর কন্যা ও মূসা (আঃ)-এর মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে গেল। মহান আল্লাহ অন্য কথা বিস্তারিত আলোচনা করেননি। ইসলামী শরীয়তে উভয় পক্ষের সম্মতির সাথে সাথে বিবাহ-বন্ধনের সময় দু'জন মুসলমান সাক্ষী থাকা আবশ্যক।