Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Al-Baqarah 2:195

2:195
وانفقوا في سبيل الله ولا تلقوا بايديكم الى التهلكة واحسنوا ان الله يحب المحسنين ١٩٥
وَأَنفِقُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَلَا تُلْقُوا۟ بِأَيْدِيكُمْ إِلَى ٱلتَّهْلُكَةِ ۛ وَأَحْسِنُوٓا۟ ۛ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ ١٩٥
وَأَنفِقُواْ
فِي
سَبِيلِ
ٱللَّهِ
وَلَا
تُلۡقُواْ
بِأَيۡدِيكُمۡ
إِلَى
ٱلتَّهۡلُكَةِ
وَأَحۡسِنُوٓاْۚ
إِنَّ
ٱللَّهَ
يُحِبُّ
ٱلۡمُحۡسِنِينَ
١٩٥
En besteedt voor Allah’s zaak en werp jezelf niet in de vernieling en verricht goede daden. Waarlijk, Allah heeft weldoeners lief.
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith

১৯৫ নং আয়াতের তাফসীর:

শানে নুযূল: ১

ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন: এ আয়াতটি ব্যয় করার ব্যাপারে নাযিল হয়। (সহীহ বুখারী হা: ৪৫১৬) ২. আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) বলেন: এ আয়াতটি আমাদের আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হয়। যখন ইসলামের শক্তি সামর্থ্য ও সাহায্যকারী বেড়ে গেল তখন আমাদের কতক ব্যক্তি কতক ব্যক্তির নিকট গোপনে বলতে লাগল যে, আল্লাহ তা‘আলা তো ইসলামকে সম্মানিত ও শক্তিশালী করেছেন আর ইতোপূর্বে আমাদের অনেক সম্পদ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন যদি আমরা আমাদের সম্পদের পরিচর্যা করে বৃদ্ধি করে নিই। তখন তাদের প্রতিবাদস্বরূপ এ আয়াত নাযিল হয়। (তিরমিযী হা: ২৯৭২, আবূ দাঊদ হা: ২৫১২, সহীহ)

এছাড়া আরো দু’টি বর্ণনা পাওয়া যায় (লুবাবুন নুকূল ফী আসবাবে নুযূল, পৃঃ ৪২)

(وَلَا تُلْقُوْا بِأَيْدِيْكُمْ إِلَي التَّهْلُكَةِ)

“এবং নিজ হাতে নিজেকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ কর না”

১. আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ) বলেন: নিজেকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করার অর্থ হলো জিহাদ ছেড়ে দিয়ে পরিবার ও সম্পদের কাছে অবস্থান করা।

২. হাসান বসরী (রহঃ) বলেন: এখানে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হল, কৃপণতা করা।

৩. নুমান বিন বাশির বলেন: এটা হল, ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে গুনাহ করেছে অতঃপর এ বিশ্বাস করে যে, তাকে ক্ষমা করা হবে না, তখন সে আরো বেশি বেশি গুনাহ করে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। (তাফসীর ইবনে কাসীর, অত্র আয়াতের তাফসীর)

এ আয়াত প্রমাণ করে, এমন কিছু খাওয়া ও পান করা যা নিজের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয় তা হারাম। যেমন ধূমপান করা ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য ইত্যাদি।

وَأَحْسِنُوْا ‘তোমরা এহসান কর’এখানে সকল প্রকার ইহসান অন্তর্ভুক্ত। কেননা এটা বিশেষ কোন বস্তুর সাথে সম্পৃক্ত করে দেয়া হয়নি। অতএব সম্পদের ক্ষেত্রে ইহসান, সম্মানের ক্ষেত্রে ইহসান ও শাফায়াতের ক্ষেত্রে ইহসান সবই শামিল। (তাফসীর সা‘দী, পৃঃ ৭৪)

আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. যথাসাধ্য ইসলামী কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা উচিত। বিশেষ করে যখন শত্র“দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলবে তখন ব্যয় করা আবশ্যক।

২. যেকোন পন্থায় নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হারাম। তার মধ্যে অন্যতম হল নেশা জাতীয় বস্তু খাওয়া বা পান করা।

৩. ইহসানের ফযীলত জানলাম।