Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Al-A'raf 7:83

7:83
فانجيناه واهله الا امراته كانت من الغابرين ٨٣
فَأَنجَيْنَـٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ كَانَتْ مِنَ ٱلْغَـٰبِرِينَ ٨٣
فَأَنجَيۡنَٰهُ
وَأَهۡلَهُۥٓ
إِلَّا
ٱمۡرَأَتَهُۥ
كَانَتۡ
مِنَ
ٱلۡغَٰبِرِينَ
٨٣
Toen redden Wij hem en zijn gezin behalve zijn vrouw; zij was één van degenen die achterbleef.
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith
Je leest een tafsir voor de groep verzen 7:83tot 7:84

৮৩-৮৪ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেন- আমি লূত (আঃ)-কে এবং তার পরিবারবর্গকে বাঁচিয়ে নিয়েছিলাম। তার পরিবারের লোক ছাড়া আর কেউই ঈমান আনেনি। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যারা মুমিন ছিল তাদেরকে (শাস্তির স্থান হতে) বের করে এনেছিলাম। একটি বাড়ী ছাড়া তো আর কোন মুসলমান বাড়ীই ছিল না। কিন্তু তার স্ত্রীকে বাঁচানো হয়নি। কেননা, সে ঈমান আনেনি, বরং তার কওমের ধর্মের উপরই রয়ে গিয়েছিল। সে লূত (আঃ) -এর বিরুদ্ধবাদীদের সাথে যোগাযোগ করতো। হযরত লূত (আঃ)-এর কাছে ফেরেশতাগণ যুবকদের রূপ ধরে যে আগমন করতেন এবং তাঁর কওমের লোকেরাও যে তা অবহিত হয়ে যেতো, এ সবকিছুই ঐ মহিলার গুপ্তচরগিরির কারণেই সম্ভব হতো। আল্লাহ তা'আলা হযরত লূত (আঃ)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তিনি যেন রাত্রে স্বীয় পরিবারের লোকদেরকে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে যান। কিন্তু তাঁর স্ত্রী যেন সেট জানতে না পারে। তাকে নিয়ে যেতে হবে না। আবার কেউ কেউ বলেন যে, তাঁর সেই স্ত্রীও তাঁদের সাথে গিয়েছিল। গ্রাম থেকে বের হওয়া মাত্রই যখন তার কওমের উপর শাস্তি অবতীর্ণ হলো তখন ঐ মহিলাটি সহানুভূতির দৃষ্টিতে তাদের। দিকে ঘুরে ঘুরে দেখছিল। শেষ পর্যন্ত সেও শাস্তিতে জড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু সঠিক কথা এই যে, সে গ্রাম থেকে বের হয়নি এবং হযরত লূত (আঃ) তাকে গ্রাম হতে বের হওয়ার সংবাদই দেননি। বরং সে কওমের সাথেই রয়ে গিয়েছিল। এ জন্যেই আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ আবার (আরবী) ও বলা হয়েছে এবং তাফসীর বিল লাযিম হচ্ছে এটাই।(আরবী) -এই আয়াতটি (১১৪ ৮২) এই উক্তিরই তাফসীর করছে। এই জন্যেই আল্লাহ তা'আলা বলেন, পাপকার্য সম্পাদন ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করণের ফলে অপরাধীদের উপর কিরূপে শাস্তি অবতীর্ণ হয়েছিল তা লক্ষ্য কর। ইমাম আবু হানিফা (রঃ) বলেন যে, সমমৈথুনকারীকে উপর থেকে নীচে নিক্ষেপ করতে হবে এবং তার উপর পাথর বর্ষণ করতে হবে। কেননা, লুত (আঃ)-এর কওমের সাথেও শাস্তির এ পন্থাই অবলম্বন করা হয়েছিল। কোন কোন আলেমের মতে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করে দিতে হবে, সে বিবাহিত হাক বা অবিবাহিতই হাক। ইমাম শাফিঈ (রঃ)-এর একটি বর্ণনা এই রূপই রয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা যাকেই কওমে লূত (আঃ)-এর আমলের ন্যায় আমল করতে দেখতে পাবে, তাকেই তোমরা হত্যা করে ফেলবে, যে ঐ রূপ আমল করবে তাকেও এবং যার সাথে করবে তাকেও।” (এ হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ (রঃ), ইমাম তিরমীযী (রঃ) এবং ইমাম ইবনে মাজাহ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) কেউ কেউ বলেন যে, সমমৈথুনকারী ব্যভিচারীর মতই। সুতরাং সে বিবাহিত হলে তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা হবে এবং অবিবাহিত হলে একশ’ কোড়া মারতে হবে। স্ত্রী লোকদের সাথে এ কাজ করলেও সেটা সমমৈথুনরূপে পরিগণিত হবে। ইজমায়ে উম্মত দ্বারা এটাকেও অবৈধ করা হয়েছে। এর বিপরীত একটি মাত্র অতি বিরল উক্তি রয়েছে। এরও নিষিদ্ধতায় রাসূলুল্লাহ (সঃ) হতে কয়েকটি হাদীস বর্ণিত আছে। সূরায়ে বাকারায় এর বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে।