Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Hud 11:5

11:5
الا انهم يثنون صدورهم ليستخفوا منه الا حين يستغشون ثيابهم يعلم ما يسرون وما يعلنون انه عليم بذات الصدور ٥
أَلَآ إِنَّهُمْ يَثْنُونَ صُدُورَهُمْ لِيَسْتَخْفُوا۟ مِنْهُ ۚ أَلَا حِينَ يَسْتَغْشُونَ ثِيَابَهُمْ يَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ ۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ ٥
أَلَآ
إِنَّهُمۡ
يَثۡنُونَ
صُدُورَهُمۡ
لِيَسۡتَخۡفُواْ
مِنۡهُۚ
أَلَا
حِينَ
يَسۡتَغۡشُونَ
ثِيَابَهُمۡ
يَعۡلَمُ
مَا
يُسِرُّونَ
وَمَا
يُعۡلِنُونَۚ
إِنَّهُۥ
عَلِيمُۢ
بِذَاتِ
ٱلصُّدُورِ
٥
Geen twijfel! Zij verbergen hun vijandschap voor Hem in hun innerlijk. Zeker, zelfs als zij zichzelf met hun kleding bedekken weet Hij wat zij verbergen en wat zij laten zien. Waarlijk, Hij is de Alwetende van van hun harten. ۞
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, জনগণ খোলা আকাশের সামনে প্রস্রাব, পায়খানা এবং স্ত্রী সহবাস থেকে বেঁচে থাকতো। তখন আল্লাহ তাআ’লা এই আয়াত অবতীর্ণ করেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) (আরবি) কে পড়তেন। তখন ইবনু জা'ফর (রঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ (আরবি) এর অর্থ কি? তিনি উত্তরে বলেনঃ “এর দ্বারা ঐ লোককে বুঝানো হয়েছে, যে স্ত্রী সহবাস করতে লজ্জাবোধ করে অথবা নির্জনতায়ও লজ্জা পায়। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয়।” ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, লোকেরা খোলা আকাশের নীচে নির্জনে থাকতে এবং সহবাস করতে শরম করতো এবং নিজেদের মুখ ফিরিয়ে নিতো। বিশেষ করে ঐ সময়, যখন তারা বিছানা পেতে শুয়ে পড়তে এবং মাথা ঢেকে নিতো। তাদের ধারণা ছিল এই যে, যদি তারা বাড়ীতে অবস্থান করে বা কাপড় গায়ে জড়িয়ে কোন খারাপ কাজ করে, তবে তারা আল্লাহ থেকে নিজেদের পাপকার্য গোপন করতে সক্ষম। তাই, আল্লাহপাক খবর দিচ্ছেনঃ তারা রাতের অন্ধকারে শয়ন করার সময় কাপড় গায়ে জড়িয়ে দেয়। কিন্তু তারা কোন কাজ গোপনেই করুক বা প্রকাশ্যেই করুক, আল্লাহ তা জানেন। এমন কি মানুষের অন্তরের নিয়ত, মনের ইচ্ছা এবং গুপ্ত রহস্য সম্পর্কেও আল্লাহ পূর্ণ ওয়াকিফহাল। সাবআ’ মুআল্লাকার বিখ্যাত কবি যুহাইর বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “তোমরা তোমাদের গোপন কথাকে আল্লাহ থেকে গোপন করার চেষ্টা করো না, কেননা আল্লাহ থেকে যা গোপন করা হয় তা তিনি জেনেই নেন। হয় ঐ আমল জমা থাকবে এবং কিয়ামতের দিনের আমলনামায় রক্ষিত থাকবে, না হয় তাড়াতাড়ি দুনিয়াতেই শাস্তি দিয়ে দেয়া হবে।”ঐ অজ্ঞতা- যুগের কবি ও সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন এবং খন্ড খন্ড বিষয়গুলির উপরও তাঁর বিশ্বাস ছিল। যেমন তিনি জানতেন যে, পরকাল রয়েছে, কর্মের প্রতিফল অবশ্যই দেয়া হবে, আমলনামা রয়েছে এবং কিয়ামত সংঘটিত হবে।কথিত আছে যে, কোন এক মুশরিয্‌ক নবীর (সঃ) সামনে দিয়ে যাবার সময় তার মুখটি ফিরিয়ে নেয় এবং মস্তক ঢেকে ফেলে। তখন আল্লাহ তা'আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেন। কিন্তু এটাকে আল্লাহর দিকে সম্বন্ধ যুক্ত করাই বেশী যুক্তিযুক্ত। অর্থাৎ এর ভাবার্থ এই যে, সে আল্লাহ হতে লুকাতে চায়। কেননা, এর পরেই (আরবি) রয়েছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) (আরবি) পড়েছেন। এর অর্থও প্রায় একই।