Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Yunus 10:10

10:10
دعواهم فيها سبحانك اللهم وتحيتهم فيها سلام واخر دعواهم ان الحمد لله رب العالمين ١٠
دَعْوَىٰهُمْ فِيهَا سُبْحَـٰنَكَ ٱللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَـٰمٌۭ ۚ وَءَاخِرُ دَعْوَىٰهُمْ أَنِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ١٠
دَعۡوَىٰهُمۡ
فِيهَا
سُبۡحَٰنَكَ
ٱللَّهُمَّ
وَتَحِيَّتُهُمۡ
فِيهَا
سَلَٰمٞۚ
وَءَاخِرُ
دَعۡوَىٰهُمۡ
أَنِ
ٱلۡحَمۡدُ
لِلَّهِ
رَبِّ
ٱلۡعَٰلَمِينَ
١٠
Zij smeken daarin: “Verheerlijkt zij U, O Allah” en “vrede’ zal hun groet daarin zijn. En de afsluiting van hun verzoek zal zijn: “Alle lof en dank aan Allah, de Heer der Werelden.”
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith
Je leest een tafsir voor de groep verzen 10:9tot 10:10

৯-১০ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে ঐ ভাগ্যবানদের খবর দেয়া হচ্ছে যারা ঈমান এনেছে, নবী রাসূলদের সত্যতা স্বীকার করেছে, আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ)-এর অনুগত হয়েছে এবং ভাল কাজ করেছে, তাদের ব্যাপারে এই ওয়াদা করা হয়েছে যে, তাদের নেক আমলের বিনিময়ে তাদেরকে হিদায়াত দান করা হবে। এখানে :এর । অক্ষরটি (কারণবোধক) হতে পারে। অর্থাৎ দুনিয়ায় তাদের ঈমান আনয়নের কারণে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে সরল সঠিক পথের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখবেন। শেষ পর্যন্ত তারা সেই পথ অতিক্রম করে নেবে এবং জান্নাত পর্যন্ত পৌছে যাবে। আবার এই অক্ষরটি (সাহায্যবোধক) হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন মুজাহিদ (রঃ) বলেছেন যে, তাদের সাথে একটা নূর (আলো) থাকবে যার সাহায্যে তারা পথ চলতে থাকবে। ইবনে জারীর (রঃ)-এর উক্তি এই যে, তাদের আমলগুলো একটি সুন্দর প্রতিকৃতি ও সুগন্ধময় হাওয়ার আকার বিশিষ্ট হবে এবং তারা যখন কবর হতে উঠবে তখন এই সুন্দর প্রতিকৃতি তাদের আগে আগে চলবে এবং তাদেরকে সর্বপ্রকারের সুসংবাদ দিতে থাকবে । যখন সেই নেককার ব্যক্তি ঐ প্রতিকৃতিকে জিজ্ঞেস করবেঃ “তুমি কে?" সে উত্তরে বলবেঃ “আমি তোমার নেক আমল।” সে আলোকবর্তিকারূপে তার আগে আগে চলবে, এবং তাকে জান্নাত পর্যন্ত পৌছিয়ে দেবে। এজন্যেই আল্লাহ পাক (আরবী)-এ কথা বলেছেন। পক্ষান্তরে কাফিরের আমলগুলো অত্যন্ত কুৎসিত প্রতিকৃতির আকারে হবে এবং দুর্গন্ধময় হাওয়ার দেহ ধারণ করবে। সে তার সঙ্গীকে আঁকড়ে ধরে থাকবে এবং জাহান্নামে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেবে। কাতাদা (রঃ)-এরও উক্তি এটাই। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক জ্ঞানের অধিকারী।জান্নাতবাসীদের অবস্থা এই হবে যে, (আরবী) হবে তাদের সম্বোধন। ইবনে জুরাইজ (রঃ) বলেন যে, যখন তাদের পার্শ্ব দিয়ে এমন পাখী উড়ে যাবে যার চাহিদা তাদের মনে জেগে উঠবে তখন উল্লিখিত কালেমা তাদের মুখে উচ্চারিত হবে। তথায় এটাই হবে তাদের উক্তি। তখন একজন ফিরিশতা তাদের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু নিয়ে হাযির হয়ে তাদেরকে সালাম করবেন। তারা সালামের জবাব দেবে। তাই আল্লাহ তাআলা (আরবী) -এ কথা বলেছেন। তারা ঐ খাদ্য খাওয়ার পর আল্লাহর শাকর ও প্রশংসা করবেন। এ জন্যেই মহান আল্লাহ (আরবী)-এই উক্তি করেছেন। মুকাতিল ইবনে হাইয়ান (রঃ) বলেন যে, জান্নাতবাসী যখন কোন খাবার চেয়ে নেয়ার ইচ্ছে করবে তখন (আরবী) বলবে। তখন তার কাছে দশ হাজার খাদেম একটি সোনার খাঞ্জা নিয়ে হাযির হয়ে যাবে। প্রত্যেক খাঞ্জায় এমন নতুন খাদ্য থাকবে যা অন্য খাঞ্জায় থাকবে না। জান্নাতবাসী তখন প্রত্যেক খাঞ্জা হতেই কিছু না কিছু খাবে। সুফইয়ান সাওরী (রঃ) বলেন যে, যখন কোন লোক কোন জিনিস চাইবে তখন (আরবী) বলবে। এই আয়াতটি (আরবী) (৩৩:৪৪) এবং (আরবী) (৫৬:২৫-২৬) ইত্যাদি আয়াতগুলোর সহিত সাদৃশ্যযুক্ত। এগুলো একথাই প্রমাণ করে যে, আল্লাহ পাক সদা সর্বদাই প্রশংসিত এবং সর্বদাই পূজনীয়। এজন্যেই সৃষ্টির শুরুতেও তিনি স্বীয় সত্তার প্রশংসা করেছেন এবং অবতারণের শুরুতেও। যেমন তিনি বলেছেনঃ (আরবী) (১৮:১) আর এক জায়গায় বলেছেনঃ (আরবী) ইত্যাদি। (৬:১)তিনি প্রথমেও প্রশংসিত এবং শেষেও প্রশংসিত, হয় দুনিয়াই হাক বা দ্বীনই হাক। এজন্যেই হাদীসে এসেছে যে, জান্নাতবাসীকে তাসবীহ ও তাহমীদ শেখানো হয়েছে, যেমন নফসের কামনা ও বাসনাও তাদেরকে দেয়া হয়েছে। যেমন আল্লাহর নিয়ামতরাজী তাদের উপর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, তেমন তার তাহমীদ ও তাবীও বর্ধিত হতে থাকে। তা কখনও শেষ হবার নয়। আল্লাহ ছাড়া কোন মা’রূদ ও প্রতিপালক নেই।