Aanmelden
Aanmelden
Aanmelden
Taal selecteren

Tafseer: Yunus 10:19

10:19
وما كان الناس الا امة واحدة فاختلفوا ولولا كلمة سبقت من ربك لقضي بينهم فيما فيه يختلفون ١٩
وَمَا كَانَ ٱلنَّاسُ إِلَّآ أُمَّةًۭ وَٰحِدَةًۭ فَٱخْتَلَفُوا۟ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةٌۭ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ فِيمَا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ١٩
وَمَا
كَانَ
ٱلنَّاسُ
إِلَّآ
أُمَّةٗ
وَٰحِدَةٗ
فَٱخۡتَلَفُواْۚ
وَلَوۡلَا
كَلِمَةٞ
سَبَقَتۡ
مِن
رَّبِّكَ
لَقُضِيَ
بَيۡنَهُمۡ
فِيمَا
فِيهِ
يَخۡتَلِفُونَ
١٩
De mensheid behoorde slechts tot één godsdienst, maar zij waren het oneens met elkaar. En was het Woord van jullie Heer niet vooruitgegaan, dan zou er tussen hen zeker reeds zijn beslist over dat waarover zij het met elkaar oneens zijn.
Tafseers
Lagen
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Hadith

১৯ নং আয়াতের তাফসীর:

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেছেন যে, সমস্ত আদম সন্তান প্রথমত তাওহীদে তথা আল্লাহ তা‘আলার একত্বে বিশ্বাসী একই উম্মতের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন পৃথিবীর বুকে শির্কের কোন নাম-গন্ধও ছিল না। সকলেই আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করত, আল্লাহ তা‘আলাকে প্রভু হিসেবে মানত, তারা একই দীনের অনুসারী ছিল। কিন্তু কিছু যুগ অতিবাহিত হওয়ার পর মানুষের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। যেমন নূহ (عليه السلام)-এর যুগ পর্যন্ত মানুষ তাওহীদের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। পরবর্তীতে তাদের মাঝে একত্ববাদে মতবিরোধ সৃষ্টি হয় এবং কিছু মানুষ আল্লাহ তা‘আলার সাথে অন্যদেরকেও উপাস্য, প্রয়োজন পূরণকারী এবং দুঃখ-কষ্ট মোচনকারী ভাবতে আরম্ভ করল এবং ইবাদত শুরু করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা রাসূল প্রেরণ করেন, যারা রাসূলের অনুসরণ করল তারা মুক্তি পেয়ে গেল আর যারা অস্বীকার করল তারা ধ্বংস হয়ে গেল।

(وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَّبِّكَ)

অর্থাৎ যদি আল্লাহ তা‘আলার এ ফায়সালা না হত যে, পূর্ণ প্রমাণ সাব্যস্ত হবার পূর্বে কাউকে শাস্তি দেব না অনুরূপ তিনি সৃষ্টি জগতের হিসাব নিকাশের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত না করে থাকতেন তাহলে অবশ্যই তিনি তাদের মাঝে ঘটিত মতবিরোধের ফায়সালা করে দিতেন এবং মু’মিনদেরকে বড় সুখী ও কাফিরদেরকে শাস্তি ও কষ্টের সম্মুখীন করতেন।

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. ধর্মের ব্যাপারে মতভেদ করা যাবে না।

২. তাওহীদের ওপর অটল থাকতে হবে।

৩. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণ করা প্রত্যেক মু’মিনের জন্য আবশ্যক।