Entrar
Entrar
Entrar
Selecione o idioma

Tafsir: Al-Hajj 22:30

22:30
ذالك ومن يعظم حرمات الله فهو خير له عند ربه واحلت لكم الانعام الا ما يتلى عليكم فاجتنبوا الرجس من الاوثان واجتنبوا قول الزور ٣٠
ذَٰلِكَ وَمَن يُعَظِّمْ حُرُمَـٰتِ ٱللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌۭ لَّهُۥ عِندَ رَبِّهِۦ ۗ وَأُحِلَّتْ لَكُمُ ٱلْأَنْعَـٰمُ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ ۖ فَٱجْتَنِبُوا۟ ٱلرِّجْسَ مِنَ ٱلْأَوْثَـٰنِ وَٱجْتَنِبُوا۟ قَوْلَ ٱلزُّورِ ٣٠
ذَٰلِكَۖ
وَمَن
يُعَظِّمۡ
حُرُمَٰتِ
ٱللَّهِ
فَهُوَ
خَيۡرٞ
لَّهُۥ
عِندَ
رَبِّهِۦۗ
وَأُحِلَّتۡ
لَكُمُ
ٱلۡأَنۡعَٰمُ
إِلَّا
مَا
يُتۡلَىٰ
عَلَيۡكُمۡۖ
فَٱجۡتَنِبُواْ
ٱلرِّجۡسَ
مِنَ
ٱلۡأَوۡثَٰنِ
وَٱجۡتَنِبُواْ
قَوۡلَ
ٱلزُّورِ
٣٠
Tal será (a peregrinação). Quanto àquele que enaltecer os ritos sagrados de Deus, terá feito o melhor para ele, aos olhosdo seu Senhor. É-vos permitida a (carne) das reses, exceto o que já vos foi estipulado. Enviai, pois, a abominação daadoração dos ídolos e evitai o perjúrio,
Tafsirs
Camadas
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Hadith
Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 22:30 a 22:31

৩০-৩১ নং আয়াতের তাফসীর: মহান আল্লাহ বলেনঃ উপরে বর্ণিত হলো হজ্জের আহকাম এবং ওর পুর স্কারের বর্ণনা। এখন জেনে রেখো যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত পবিত্র অনুষ্ঠানগুলির সম্মান করবে অর্থাৎ গুনাহ্ ও হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকবে তার জন্যে আল্লাহর নিকট বড় প্রতিদান রয়েছে। ভাল কাজ করলে যেমন পুরস্কার আছে তেমনই মন্দ কাজ হতে বিরত থাকলেও পূণ্য রয়েছে। মক্কা, হজ্জ ও উমরাও আল্লাহর হুরমাত বা নির্ধারিত পবিত্র অনুষ্ঠান গুলির অন্তর্ভুক্ত। তোমাদের জন্যে চতুষ্পদ জন্তুগুলি হালাল। তবে যেগুলি হারাম সেগুলি তোমাদের সামনে বর্ণনা করে দেয়া হয়েছে। মুশরিকরা ‘বাহীরা, সায়েবা’, ‘ওয়াসীলা' এবং 'হাম' নাম দিয়ে যে গুলিকে ছেড়ে থাকে ওগুলি আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেন নাই। তার যেগুলি হারাম করবার ছিল সেগুলি তিনি বর্ণনা করে দিয়েছেন। যেমন মৃত জানোয়ার, যবাহ করার সময় প্রবাহিত রক্ত শূকরের মাংস, আল্লাহর নাম ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকত জন্তু, গলা চিপে মেরে ফেল্য জন্তু ইত্যাদি। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ সুতরাং তোমরা বর্জন কর মূর্তি পূজার অপবিত্রতা এবং দূরে থাকো মিথ্যা কথন হতে। এখানে বায়ানে জি এর জন্যে এসেছে। এই আয়াতে শিরকের সাথে মিথ্যা কথনকে মিলিয়ে দেয়া হয়েছে। যেমন এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “(হে নবী সঃ!) তুমি বলঃ আমার প্রতিপালক নির্লজ্জতাপূর্ণ কাজকে হারাম করেছেন, তা প্রকাশ্যই হোক বা গোপনীয়ই হোক, আর (হারাম করেছেন) গুনাহ্ ও অন্যায়ভাবে সীমালংঘন এবং তোমরা আল্লাহর সাথে এমন কিছুকে শরীক করবে যে সম্পর্কে তিনি কোন দলীল অবতীর্ণ করেন নাই, আর তোমরা আল্লাহর উপর এমন কথা আরোপ করবে যা তোমরা জান না। (এ সব কিছুই তিনি হারাম করেছেন।)” (৭:৩৩) মিথ্যা সাক্ষ্যও এরই অন্তর্ভুক্ত।হযরত আবু বাকরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) একদা বলেনঃ “আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় গুনাহর কথা বলবো না?” সাহাবীগণ উত্তরে বলেনঃ “হাঁ, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! (বলুন)।" তিনি। বলেনঃ “(তা হলো) আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করা ও পিতা মাতার অবাধ্য হওয়া।” ঐ সময় তিনি হেলান লাগিয়ে ছিলেন। একথা বলার পর তিনি সোজা হয়ে বসেন। তারপর বলেনঃ “আরো জেনে রেখো, (সব চেয়ে বড় গুনাহ্ হলো) মিথ্যা কথা বলা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।" তিনি একথা বারবার বলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত সাহাবীগণ পরস্পর বলাবলি করেনঃ “যদি তিনি চুপ করতেন!” (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)হযরত আইমান ইবনু খুরাইম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) একদা ভাষণ দিতে দাড়িয়ে বলেনঃ “হে লোক সকল! মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়াকে আল্লাহর সাথে শির্ক করার সমতুল্য করা হয়েছে।” একথা তিনি তিনবার বলেন। অতঃপর তিনি (আরবী) পাঠ করেন। (এটা ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) হযরত খারীম ইবনু ফাতিক আল আসাদী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, (একদা) রাসূলুল্লাহ (সঃ) ফজরের নামায পড়েন। অতঃপর (মুকতাদীদের দিকে) ফিরে দাড়িয়ে গিয়ে বলেনঃ “(পাপ হিসেবে) মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়াকে মহামহিমান্বিত আল্লাহর সাথে শিরক করার সমান করে দেয়া হচ্ছে। তারপর তিনি উপরোক্ত আয়াত পাঠ করেন।” (এটা ও মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে)হযরত ইবনু মাসউদ (রাঃ) অনুরূপ উক্তি করেন ও উপরোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করেন।” (এটা সুফইয়ান সাওরী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)আল্লাহ তাআলা বলেনঃ একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর দ্বীনকে ধারণ কর, বাতিল হতে দূরে থাকো, সত্যের দিকে ধাবিত হও এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।এরপর মহান আল্লাহ মুশরিকদের ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃষ্টান্ত দিচ্ছেনঃ যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করে সে যেন আকাশ থেকে পড়লো, অতঃপর পাখী তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল, কিংবা বায়ু তাকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে এক দূরবর্তী স্থানে নিক্ষেপ করলো। এজন্যেই হাদীসে এসেছে? “ফেরেশতারা যখন কাফিরের রূহ্ নিয়ে আকাশে উঠে যান তখন আকাশের দরজা খোলা হয় না। ফলে তারা ঐ রূহ সেখান থেকে নীচে নিক্ষেপ করেন। এই আয়াতে ওরই বর্ণনা রয়েছে। এই হাদীসটি পূর্ণ বাহাসের সাথে সূরায়ে ইবরাহীমের তাফসীরে গত হয়েছে। সূরায়ে আনআমে এই মুশরিকদের আর একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছেঃ “(হে নবী সঃ)! তুমি বলঃ আল্লাহ ছাড়া আমরা কি এমন কিছুকে ডাকবো যা আমাদের কোন উপকার কিংবা অপকার করতে পারে না? আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শনের পর আমরা কি সেই ব্যক্তির ন্যায় পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবো যাকে শয়তান দুনিয়ায় পথ ভুলিয়ে হয়রান করেছে, যদিও তার সহচররা তাকে ঠিক পথে আহবান করে বলেঃ আমাদের নিকট এসো? বলঃ আল্লাহর পথই পথ।