Entrar
Entrar
Entrar
Selecione o idioma

Tafsir: Fussilat 41:15

41:15
فاما عاد فاستكبروا في الارض بغير الحق وقالوا من اشد منا قوة اولم يروا ان الله الذي خلقهم هو اشد منهم قوة وكانوا باياتنا يجحدون ١٥
فَأَمَّا عَادٌۭ فَٱسْتَكْبَرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَقَالُوا۟ مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً ۖ أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَهُمْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةًۭ ۖ وَكَانُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا يَجْحَدُونَ ١٥
فَأَمَّا
عَادٞ
فَٱسۡتَكۡبَرُواْ
فِي
ٱلۡأَرۡضِ
بِغَيۡرِ
ٱلۡحَقِّ
وَقَالُواْ
مَنۡ
أَشَدُّ
مِنَّا
قُوَّةًۖ
أَوَلَمۡ
يَرَوۡاْ
أَنَّ
ٱللَّهَ
ٱلَّذِي
خَلَقَهُمۡ
هُوَ
أَشَدُّ
مِنۡهُمۡ
قُوَّةٗۖ
وَكَانُواْ
بِـَٔايَٰتِنَا
يَجۡحَدُونَ
١٥
O povo de Ad, ainda, ensoberbeceu-se iniquamente na terra; e disse: Quem é mais poderoso do que nós? Porventura, nãorepararam em que Deus, Que os criou, é mais poderoso do que eles? Sem dúvida, negaram os nossos versículos.
Tafsirs
Camadas
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Hadith
Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 41:13 a 41:18

১৩-১৮ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে মুহাম্মাদ (সঃ)! তোমাকে যারা অবিশ্বাস করছে। এবং আল্লাহর সাথে কুফরী করছে তাদেরকে বলে দাও- তোমরা যদি শিক্ষা ও উপদেশমূলক কথা হতে মুখ ফিরিয়ে নাও তবে তোমাদের পরিণাম ভাল হবে না। জেনে রেখো যে, তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতরা তাদের নবীদেরকে (আঃ) অমান্য করার কারণে ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে, তোমাদের কৃতকর্ম যেন তোমাদেরকে তাদের মত না করে দেয়। আ’দ, সামূদ এবং তাদের মত অন্যান্য সম্প্রদায়ের অবস্থা তোমাদের সামনে রয়েছে। তাদের কাছে পর্যায়ক্রমে রাসূলদের আগমন ঘটেছিল। তারা এই গ্রামে, ঐ গ্রামে, এই বস্তীতে, সেই বস্তীতে এসে তাদেরকে আল্লাহর বাণী শুনাতে থাকতেন। কিন্তু তারা গর্বভরে তাদের কথা প্রত্যাখ্যান করে। তারা রাসূলদেরকে (আঃ) বলেঃ আমাদের প্রতিপালকের এইরূপ ইচ্ছা হলে তিনি অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন। অতএব, তোমরা যা সহ প্রেরিত হয়েছে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করলাম। আ’দ সম্প্রদায়ের ব্যাপার এই যে, তারা পৃথিবীতে অযথা দম্ভ করতো। ভূ-পৃষ্ঠে তারা বিপর্যয় সৃষ্টি করতো। তাদের গর্ব ও হঠকারিতা চরমে পৌঁছে। গিয়েছিল। তাদের ঔদ্ধত্য ও অগ্রাহ্যতা এমন শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল যে, তারা বলে উঠেছিলঃ “আমাদের অপেক্ষা শক্তিশালী আর কে আছে?” অর্থাৎ আমাদের মত শক্তিশালী, দৃঢ় ও মযবূত আর কেউ নেই। সুতরাং আল্লাহর আযাব আমাদের কি ক্ষতি করতে পারে?তারা এতো বেশী ফুলে উঠে যে, আল্লাহকে সম্পূর্ণরূপে বিস্মৃত হয়। তারা কি তবে লক্ষ্য করেনি যে, আল্লাহ, যিনি তাদের সৃষ্টিকর্তা, তিনি তাদের চেয়ে বহু গুণে শক্তিশালী? তার শক্তির অনুমানও করা যায় না। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি আমার হাতে আকাশ সৃষ্টি করেছি এবং আমি ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী।”(৫১:৪৭)।প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাবার জন্যে তাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছিলাম ঝঞাবায়ু অশুভ দিনে, যাতে তাদের দর্প চূর্ণ হয়ে যায় এবং তারা সমূলে ধ্বংস হয়।(আরবী) বলা হয় ভীষণ শব্দ বিশিষ্ট বায়ুকে। পূর্বদিকে একটি নদী রয়েছে, যা ভীষণ শব্দ করে প্রবাহিত হয়। এ জন্যে আরববাসী ওটাকেও (আরবী) বলে থাকে। দ্বারা পর্যায়ক্রমে বা অনবরত চলা বুঝানো হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “(ঐ ঝঞাবায়ু তাদের উপর) সপ্তরাত্রি ও অষ্টদিবস বিরামহীন ভাবে (প্রবাহিত হয়েছিল)।”(৬৯:৭) মহান আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “(তাদের উপর আমি প্রেরণ করেছিলাম ঝঞাবায়ু) নিরবচ্ছিন্ন দুর্ভাগ্যের দিনে।”(৫৪:১৯) যে শাস্তি তাদের উপর আপতিত হয়েছিল সাত রাত এবং আট দিন পর্যন্ত স্থায়ীভাবে ছিল। ফলে সবাই তারা ধ্বংসের ঘাটে এসে পতিত হয়েছিল এবং তাদের বীজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আর পরকালের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদেরকে সাহায্য করা হবে না। না দুনিয়ায় কেউ তাদের সাহায্য করতে পারলো, না পরকালে কেউ তাদের সাহায্য করতে পারবে। উভয় জগতেই তারা বন্ধনহীন রয়ে গেল। প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ বলেনঃ আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি তাদেরকে পথ-নির্দেশ করেছিলাম। হিদায়াত তাদের কাছে খুলে দিয়েছিলাম এবং তাদেরকে সৎপথে আহ্বান করেছিলাম। হযরত সালেহ (আঃ) তাদের কাছে সত্যকে প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এতদসত্ত্বেও তারা বিরোধিতা ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং হযরত সালেহ (আঃ)-এর সত্যবাদিতার। প্রমাণ হিসেবে আল্লাহ্ তা'আলা যে উষ্ট্ৰীটি পাঠিয়েছিলেন তারা তার পা কেটে ফেলে। ফলে তাদের উপরও আল্লাহর শাস্তি এসে পড়ে। তাদেরকে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আঘাত হানলো, অর্থাৎ তাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হলো এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা। এটা ছিল তাদের কৃতকর্মেরই প্রতিফল।তাদের মধ্যে যারা আল্লাহ তাআলার উপর ঈমান এনেছিল এবং নবীদের (আঃ) সত্যতা স্বীকার করেছিল এবং অন্তরে আল্লাহর ভয় রাখতো তাদেরকে আল্লাহ তা'আলা বাঁচিয়ে নেন। তাদের মোটেই কষ্ট হয়নি। তারা তাদের নবী (আঃ)-এর সাথে আল্লাহ তা'আলার লাঞ্ছনাজনক শাস্তি হতে পরিত্রাণ লাভ করে।