Entrar
Entrar
Entrar
Selecione o idioma
34:2
يعلم ما يلج في الارض وما يخرج منها وما ينزل من السماء وما يعرج فيها وهو الرحيم الغفور ٢
يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمَا يَنزِلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ وَمَا يَعْرُجُ فِيهَا ۚ وَهُوَ ٱلرَّحِيمُ ٱلْغَفُورُ ٢
يَعۡلَمُ
مَا
يَلِجُ
فِي
ٱلۡأَرۡضِ
وَمَا
يَخۡرُجُ
مِنۡهَا
وَمَا
يَنزِلُ
مِنَ
ٱلسَّمَآءِ
وَمَا
يَعۡرُجُ
فِيهَاۚ
وَهُوَ
ٱلرَّحِيمُ
ٱلۡغَفُورُ
٢
Ele conhece tanto o que penetra na terra, como o que dela sai, o que desce do céu e o que a ele ascende, porque é oMisericordioso, o Indulgentíssimo.
Tafsirs
Camadas
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Hadith
Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 34:1 a 34:2

১-২ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় মহান সত্তা সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত নিয়ামত ও রহমত তাঁরই নিকট হতে আসে। সমস্ত হুকুমতের হাকিম তিনিই। সুতরাং সর্ব প্রকারের প্রশংসা ও গুণ-কীর্তনের হকদার একমাত্র তিনিই। তিনিই মাবুদ। তিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কেউই নেই। তাঁরই জন্যে দুনিয়া ও আখিরাতের তারীফ ও প্রশংসা শোভনীয়। হুকুমত একমাত্র তাঁরই এবং তাঁরই নিকট সবকিছু প্রত্যাবর্তিত হবে। যমীনে ও আসমানে যা কিছু আছে সবই তাঁর অধীনস্থ। যত কিছু আছে সবাই তাঁর দাস ও অনুগত। আর সবই তাঁর আয়ত্তাধীন। সবারই উপর তাঁর আধিপত্য রয়েছে। যেমন অন্য জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমারই জন্যে আদি ও অন্ত।”(৯২:১৩) আখিরাতে তাঁরই প্রশংসা হবে। তাঁর কথা, তাঁর কাজ এবং তাঁর আহকাম তাঁরই হুকুমতে বিরাজিত। তিনি এতো সজাগ যে, তাঁর কাছে কোন কিছুই গোপন থাকে না। তাঁর কাছে একটি অণুও গোপন থাকবার নয়। তিনি স্বীয় আহকামের মধ্যে অতি বিজ্ঞ। তিনি স্বীয় সৃষ্টি সম্বন্ধে সচেতন। পানির যতগুলো ফোঁটা যমীনে যায়, যতগুলো বীজ যমীনে বপন করা হয়, কিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়। যমীন হতে যা কিছু বের হয় সেটাও তিনি জানেন। তাঁর সীমাহীন ও প্রশস্ত জ্ঞানের বাইরে কিছুই থাকতে পারে না। প্রত্যেক বস্তুর সংখ্যা, প্রকৃতি এবং গুণাগুণ তাঁর জানা আছে। মেঘ হতে যে বৃষ্টি বর্ষিত হয়, তাতে কতটা ফোঁটা আছে তা তাঁর অজানা থাকে না। যে খাদ্য সেখান হতে নাযিল হয় সেটা সম্পর্কেও তিনি পূর্ণ ওয়াকিফহাল। ভাল কাজ যা আকাশের উপর উঠে যায় সে খবরও তিনি রাখেন।তিনি স্বীয় বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান। এ কারণেই তাদের পাপরাশি অবগত হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাড়াতাড়ি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন না। বরং তাদেরকে তাওবা করার সুযোগ দিয়ে থাকেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। একদিকে বান্দা তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়ে অনুনয়-বিনয় ও কান্নাকাটি করে, আর অপরদিকে তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। তাওবাকারীকে তিনি ধমক দিয়ে সরিয়ে দেন না। তার উপর ভরসাকারীরা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।