Войти
Войти
Войти
Выберите язык

Тафсир: Al-Qamar 54:45

54:45
سيهزم الجمع ويولون الدبر ٤٥
سَيُهْزَمُ ٱلْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ ٱلدُّبُرَ ٤٥
سَيُهۡزَمُ
ٱلۡجَمۡعُ
وَيُوَلُّونَ
ٱلدُّبُرَ
٤٥
Эта группа будет разбита, и они обратятся вспять!
Тафсиры
Слои
Уроки
Размышления
Ответы
Кираат
Хадис
Вы читаете тафсир для группы стихов 54:41 до 54:46

৪১-৪৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা ফিরাউন ও তার সম্প্রদায়ের ঘটনা এখানে বর্ণনা করছেন। তাদের কাছে আল্লাহর রাসূল হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারূন (আঃ) এই খবর শুনাতে আসলেন যে, তারা ঈমান আনলে তাদের জন্যে (জান্নাতের) সুসংবাদ রয়েছে এবং কুফরী করলে (জাহান্নামের) ভয় রয়েছে। তাদেরকে আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে বড় বড় মু'জিযা ও নিদর্শন প্রদান করা হয়। ওগুলো ছিল তাদের নবুওয়াতের সত্যতার পুরোপুরি দলীল। কিন্তু তারা সবকিছুই অবিশ্বাস করে। ফলে তাদের উপর আল্লাহর শাস্তি নেমে আসে এবং তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়া হয়।এরপর বলা হচ্ছেঃ হে কুরায়েশ মুশরিকের দল! তোমরা কি ঐ ফিরাউন ও তার সম্প্রদায় অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না, বরং তারাই তোমাদের অপেক্ষা বহুগুণে শক্তিশালী ছিল। তাদের দলবলও ছিল তোমাদের চেয়ে বহুগুণে বেশী। তারাও যখন আল্লাহর আযাব হতে পরিত্রাণ পায়নি, তখন তোমরা আবার কি? তোমাদেরকে ধ্বংস করা তাঁর কাছে অতি সহজ। তোমরা কি ধারণা করছে যে, আল্লাহর কিতাবসমূহে তোমাদের মুক্তিদানের কথা লিখিত রয়েছে? কিতাবে কি এটা লিখা আছে যে, তাদের কুফরীর কারণে তাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে এবং তোমরা কুফরী করতে থাকবে, আর তোমাদেরকে কোনই শাস্তি দেয়া হবে না? তোমরা কি মনে করছে যে, তোমরা দলের দল রয়েছে, সুতরাং তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে তোমাদের কোনই ক্ষতি হবে না?মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হবে প্রদর্শন করবে।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, বদরের যুদ্ধের দিন নবী (সঃ) দু'আ করছিলেনঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনাকে আপনার প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি! হে আল্লাহ! যদি আপনার ইচ্ছা এটাই থাকে যে, আজকের দিনের পর ভূ-পৃষ্ঠে আপনার ইবাদত আর কখনো করা হবে না।” তিনি এটুকুই বলেছিলেন এমতাবস্থায় হযরত আবু বকর (রাঃ) তাঁর হাতখানা ধরে ফেলেন এবং বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! যথেষ্ট হয়েছে। আপনি আপনার প্রতিপালকের কাছে খুবই অনুনয় বিনয় করেছেন।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁবু হতে বেরিয়ে আসলেন এবং তাঁর মুখে (আরবী) -এ দু’টি আয়াত উচ্চারিত হচ্ছিল। হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ “এ আয়াত অবতীর্ণ হবার সময় এর দ্বারা কোন্ জামাআতকে বুঝানো হয়েছে তা আমি চিন্তা করছিলাম। বদরের যুদ্ধের দিন যখন আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বর্ম পরিহিত হয়ে স্বীয় শিবির হতে বের হতে দেখলাম তখন ঐ আয়াতের তাফসীর আমার বোধগম্য হয়।” (এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “যে সময় আমি অতি অল্প কসের বালিকা ছিলাম এবং আমার সঙ্গীনিদের সাথে খেলা করতাম ঐ সময় (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।" (ইমাম বুখারী (রঃ) এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটা সহীহ বুখারীতে ফাযায়েলুল কুরআনের অধ্যায়ে দীর্ঘভাবে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম মুসলিম (রঃ) এটা তাখরীজ করেননি)