Identifikohu
Identifikohu
Identifikohu
Zgjidh Gjuhën

Tefsir: At-Tawbah 9:53

9:53
قل انفقوا طوعا او كرها لن يتقبل منكم انكم كنتم قوما فاسقين ٥٣
قُلْ أَنفِقُوا۟ طَوْعًا أَوْ كَرْهًۭا لَّن يُتَقَبَّلَ مِنكُمْ ۖ إِنَّكُمْ كُنتُمْ قَوْمًۭا فَـٰسِقِينَ ٥٣
قُلۡ
أَنفِقُواْ
طَوۡعًا
أَوۡ
كَرۡهٗا
لَّن
يُتَقَبَّلَ
مِنكُمۡ
إِنَّكُمۡ
كُنتُمۡ
قَوۡمٗا
فَٰسِقِينَ
٥٣
Thuaj: “Shpenzoni me hir a me pahir, nga ju nuk do të pranohet kurrsesi, sepse ju jeni vërtet një popull i mbrapshtë.”
Tefsiret
Shtresat
Mësimet
Reflektime
Përgjigjet
Kiraat
Hadith
Po lexoni një tefsir për grupin e vargjeve 9:52 deri në 9:54

৫২-৫৪ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা স্বীয় রাসুল (সঃ)-কে সম্বোধন করে বলছেনঃ হে রাসূল! ঐ মুনাফিকদেরকে বলে দাও- তোমরা আমাদের জন্যে দু'টি মঙ্গলের মধ্যে একটি মঙ্গলেরই প্রতীক্ষায় রয়েছে। অর্থাৎ যদি আমরা যুদ্ধে শহীদ হয়ে যাই তবে আমাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত। এটাও আমাদের জন্যে মঙ্গল। আর যদি বিজয় লাভ করি ও গনীমতের অধিকারী হই তবে এটাও মঙ্গল। সুতরাং হে মুনাফিকের দল! তোমরা যে আমাদের ব্যাপারে অপেক্ষা করছো যে, দেখা যাক কি ঘটে, তবে জেনে রেখো যে, আমাদের জয়-পরাজয় যাই ঘটুক না কেন, দুটোই আমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। আর আমরা তোমাদের ব্যাপারে যার অপেক্ষা করছি তা হচ্ছে দু'টি মন্দের একটি মন্দ। অর্থাৎ হয়তো তোমাদের উপর আল্লাহর আযাব সরাসরি এসে যাবে অথবা আমাদের হাতে তোমাদের উপর আল্লাহর মার পড়বে। তা এই ভাবে যে, তোমরা আমাদের হাতে নিহত হবে অথবা বন্দী হবে। আচ্ছা, এখন তোমরা ও আমরা নিজ নিজ জায়গায় প্রতীক্ষায় থাকি, দেখা যাক গায়েবের পর্দা থেকে কি প্রকাশ পায়!জেনে রেখো যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের দান-খয়রাতের আশাবাদী নন। তোমরা খুশী মনে খরচ কর বা অসন্তুষ্ট চিত্তে, কোন অবস্থাতেই আল্লাহ তোমাদের দান কবুল করবেন না। (লুবাব গ্রন্থে রয়েছে, ইবনে জারীর (রঃ) তাখরীজ করেছেন যে, জাদ ইবনে কায়েস বলে “আমি দেখি যে, ধৈর্যধারণের শক্তি আমার নেই। তবে হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি আপনাকে অর্থ দিয়ে সাহায্য করবো।” তখন আল্লাহ তা'আলা . আয়াতটি অবতীর্ণ করেন) কেননা তোমরা তো ফাসেক বা আল্লাহর আদেশ লংঘনকারী সমাজ। তোমাদের দান-খয়রাত কবুল না করার কারণ হচ্ছে তোমাদের কুফরী। আর আমল কবূল হওয়ার শর্ত হচ্ছে কুফরী না থাকা, বরং ঈমান থাকা। তা ছাড়া কোন কাজেই তোমাদের সদিচ্ছা ও সৎ সাহস নেই । সালাত আদায় করলেও তোমরা উদাসীনতার সাথে আদায় করে থাকো। তাতে তোমাদের কোন মনোযোগ থাকে না । অলসভাবে তোমরা লোককে দেখিয়ে জামাআতে হাযির হও এবং দু’চার সিজদা দিয়ে দাও। কিন্তু তোমাদের মন থাকে সালাত থেকে সম্পূর্ণ গাফেল। সত্যবাদী ও সত্যায়িত রাসূল (সঃ) সংবাদ দিয়েছেনঃ “আল্লাহ বিরক্ত হন না যে পর্যন্ত না তোমরা বিরক্ত হও। আল্লাহ পবিত্র এবং তিনি পবিত্র জিনিসই ককূল করে থাকেন। এ জন্যেই আল্লাহ তা'আলা এসব ফাসেকের দান-খয়রাত ও আমল কবুল করবেন না। কেননা, তিনি একমাত্র পরহেযগার লোকদের আমলই কবুল করে থাকেন।