Identifikohu
Identifikohu
Identifikohu
Zgjidh Gjuhën

Tefsir: Hud 11:7

11:7
وهو الذي خلق السماوات والارض في ستة ايام وكان عرشه على الماء ليبلوكم ايكم احسن عملا ولين قلت انكم مبعوثون من بعد الموت ليقولن الذين كفروا ان هاذا الا سحر مبين ٧
وَهُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ فِى سِتَّةِ أَيَّامٍۢ وَكَانَ عَرْشُهُۥ عَلَى ٱلْمَآءِ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًۭا ۗ وَلَئِن قُلْتَ إِنَّكُم مَّبْعُوثُونَ مِنۢ بَعْدِ ٱلْمَوْتِ لَيَقُولَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ مُّبِينٌۭ ٧
وَهُوَ
ٱلَّذِي
خَلَقَ
ٱلسَّمَٰوَٰتِ
وَٱلۡأَرۡضَ
فِي
سِتَّةِ
أَيَّامٖ
وَكَانَ
عَرۡشُهُۥ
عَلَى
ٱلۡمَآءِ
لِيَبۡلُوَكُمۡ
أَيُّكُمۡ
أَحۡسَنُ
عَمَلٗاۗ
وَلَئِن
قُلۡتَ
إِنَّكُم
مَّبۡعُوثُونَ
مِنۢ
بَعۡدِ
ٱلۡمَوۡتِ
لَيَقُولَنَّ
ٱلَّذِينَ
كَفَرُوٓاْ
إِنۡ
هَٰذَآ
إِلَّا
سِحۡرٞ
مُّبِينٞ
٧
Është Ai që ka krijuar qiejt dhe Tokën për gjashtë ditë, teksa Froni i Tij ndodhej mbi ujë, për t’ju vënë në provë kush është më i mirë në vepra. Nëse ti u thua: “Ju do të ringjalleni pas vdekjes”, mohuesit, me siguri do të thonë: “Kjo nuk është asgjë tjetër, përveçse magji e kulluar!”
Tefsiret
Shtresat
Mësimet
Reflektime
Përgjigjet
Kiraat
Hadith

৭ নং আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়::

অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, তিনি সাত আকাশ ও জমিন ছয়দিনে সৃষ্টি করেছেন। প্রথম দিন হল শনিবার আর শেষ দিন হল শুক্রবার। যখন আকাশ-জমিন সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা‘আলার আরশ ছিল সাত আকাশের ওপর সাগরের ওপরে। হাদীসেও এসেছে; আল্লাহ তা‘আলা আকাশ জমিন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে মাখলুকের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। তখন তাঁর আরশ ছিল পানির ওপর। (সহীহ বুখারী হা: ২৬৫৩)

অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আকাশ-জমিন সৃষ্টির উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বলেন: এ আকাশ-জমিন সৃষ্টি করেছি মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য, কে উত্তম আমল করে। তিনি এগুলোকে অনর্থক সৃষ্টি করেননি। আর যারা এরূপ ধারণা করবে তারা যেন কুফরী করল এবং তাদের জন্য জাহান্নামের শাস্তি।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(وَمَا خَلَقْنَا السَّمَا۬ءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَاطِلًا ط ذٰلِكَ ظَنُّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا ج فَوَيْلٌ لِّلَّذِيْنَ كَفَرُوْا مِنَ النَّارِ)

“আর আমি আসমান, জমিন এবং উভয়ের মধ্যে অবস্থিত কোন কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করিনি; এরূপ ধারণা তো তাদের যারা কাফির। সুতরাং কাফিরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ।” (সূরা স্বদ ৩৮:২৭)

(فِيْ سِتَّةِ أَيَّامٍ) এ সম্পর্কে সূরা আ‘রাফের ৫৪ নং আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে।

আর আল্লাহ তা‘আলার মানুষ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য হল কে উত্তম কাজ করে তা দেখার জন্য। তারপর আল্লাহ তা‘আলা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সম্বোধন করে বলেন: তুমি যদি তাদেরকে বল যে তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে তখন তারা বলবে, এটা জাদু ব্যতীত অন্য কিছু নয়। জাদুর যেমন প্রকৃত সত্য বলতে কিছু নেই তেমনি পুনরুত্থানের প্রকৃত ব্যাপার বলতে কিছু নেই। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে পুনরুত্থিত করবেন, এতে কোন সন্দেহ নেই এবং এতে আল্লাহ তা‘আলা সক্ষম।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(وَهُوَ الَّذِيْ يَبْدَؤُا الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيْدُه۫ وَهُوَ أَهْوَنُ عَلَيْهِ)

“তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনিই আবার তা পুনরাবৃত্তি করবেন এটা তাঁর জন্য খুবই সহজ।” (সূরা রূম ৩০:২৭)

সুতরাং প্রত্যেক মু’মিন ব্যক্তিকে পুনরুত্থানের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে, অন্যথায় ঈমান থাকবে না।

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১.আল্লাহ তা‘আলা আকাশ-জমিন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।

২. পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টির পূর্বে আরশ ছিল পানির ওপর।

৩. আল্লাহ মানুষকে এ পরীক্ষা করার জন্য পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন যে, কে সৎ কর্মে উত্তম।

৪. মানুষকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করা হবে।