Ingia
Ingia
Ingia
Chagua Lugha

Tafsir: An-Nisaa 4:142

4:142
ان المنافقين يخادعون الله وهو خادعهم واذا قاموا الى الصلاة قاموا كسالى يراءون الناس ولا يذكرون الله الا قليلا ١٤٢
إِنَّ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ يُخَـٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَـٰدِعُهُمْ وَإِذَا قَامُوٓا۟ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُوا۟ كُسَالَىٰ يُرَآءُونَ ٱلنَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ ٱللَّهَ إِلَّا قَلِيلًۭا ١٤٢
إِنَّ
ٱلۡمُنَٰفِقِينَ
يُخَٰدِعُونَ
ٱللَّهَ
وَهُوَ
خَٰدِعُهُمۡ
وَإِذَا
قَامُوٓاْ
إِلَى
ٱلصَّلَوٰةِ
قَامُواْ
كُسَالَىٰ
يُرَآءُونَ
ٱلنَّاسَ
وَلَا
يَذۡكُرُونَ
ٱللَّهَ
إِلَّا
قَلِيلٗا
١٤٢
Hakika wanaafiki wanamkhadaa Mwenyezi Mungu, na hali ni Yeye ndiye mwenye kuwakhadaa wao. Na wanapo inuka kuswali huinuka kwa unyong'onyo, wanajionyesha kwa watu tu, wala hawamdhukuru Mwenyezi Mungu ila kidogo tu. 1
Tafsir
Tabaka
Mafunzo
Tafakari
Majibu
Qiraat
Hadith

নিশ্চয় মুনাফিক (কপট) ব্যক্তিরা আল্লাহকে প্রতারিত করতে চায়। বস্তুতঃ তিনিও তাদেরকে প্রতারিত করে থাকেন[১] এবং যখন তারা নামাযে দাঁড়ায় তখন শৈথিল্যের সাথে[২] নিছক লোক-দেখানোর জন্য দাঁড়ায়[৩] এবং আল্লাহকে তারা অল্পই স্মরণ করে থাকে। [৪]

[১] এর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা সূরা বাক্বারার শুরুতে (২:৮-১৫ আয়াতে) করা হয়েছে।[২] নামায ইসলামের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুকন এবং অতি মহান ফরয কাজ। এতেও তারা অবহেলা ও অলসতা প্রদর্শন করত। কারণ তাদের অন্তর ঈমান, আল্লাহভীতি এবং ঐকান্তিকতা থেকে ছিল বঞ্চিত ও শূন্য। আর এ কারণেই বিশেষ করে এশা ও ফজরের নামায তাদের উপর ভারী ছিল। যেমন, নবী করীম (সাঃ) বলেন, ((إِنَّ أَثْقَلَ صَلَاةٍ عَلَى الْمُنَافِقِينَ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَصَلَاةُ الْفَجْرِ )) অর্থাৎ, মুনাফিকদের উপর এশা এবং ফজরের নামায সব থেকে বেশী ভারী।" (বুখারী, মুসলিম ৬৫১নং)[৩] এই নামাযও তারা কেবল লোক প্রদর্শনের জন্য পড়ত। যাতে তারা মুসলিমদেরকে ধোঁকা দিতে পারে।[৪] আল্লাহর স্মরণ নামে মাত্র করে অথবা নামায সংক্ষিপ্তাকারে পড়ে। অর্থাৎ, لاَ يُصَلُّوْنَ إِلاَّ صَلاَةً قَلِيْلَةً (নামায খুবই সংক্ষিপ্তাকারে পড়ে।) আর নামায আল্লাহর ভয় ও বিনয়-নম্রতা থেকে খালি হলে তা ধীর-স্থিরতার সাথে আদায় করা বড়ই কঠিন হয়। যেমন, [وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ] (বিনীতগণ ব্যতীত আর সকলের নিকট নিশ্চিতভাবে এ কঠিন।) (সূরা বাক্বারাহ ২:৪৫ আয়াত) থেকেও সে কথা জানা যায়। হাদীসে নবী করীম (সাঃ) বলেন, "এটা মুনাফিকের নামায, এটা মুনাফিকের নামায, এটা মুনাফিকের নামায। সে বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। অবশেষে যখন সূর্য শয়তানের দু'টি শিঙের মধ্যবর্তী স্থানে (অস্ত যাওয়ার কাছাকাছি সময়ে) পৌঁছে, তখন (তড়িঘড়ি) উঠে চারটি ঠোকর মেরে নেয়।" (সহীহ মুসলিম, মাসাজিদ অধ্যায়, মুঅত্তা, কুরআন অধ্যায়)