Ingia
Ingia
Ingia
Chagua Lugha

Tafsir: Saba 34:48

34:48
قل ان ربي يقذف بالحق علام الغيوب ٤٨
قُلْ إِنَّ رَبِّى يَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَّـٰمُ ٱلْغُيُوبِ ٤٨
قُلۡ
إِنَّ
رَبِّي
يَقۡذِفُ
بِٱلۡحَقِّ
عَلَّٰمُ
ٱلۡغُيُوبِ
٤٨
Sema: Hakika Mola wangu Mlezi anaondoa upotovu kwa Haki. Yeye ndiye Mwenye kujua vyema yaliyo ghaibu. 1
Tafsir
Tabaka
Mafunzo
Tafakari
Majibu
Qiraat
Hadith
Unasoma tafsir kwa kundi la aya 34:47 hadi 34:50

৪৭-৫০ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তিনি যেন মুশরিকদেরকে বলেনঃ আমি তোমাদের মঙ্গল কামনা করি। তোমাদের কাছে আমি দ্বীনী আহকাম পৌছিয়ে দিচ্ছি। তোমাদেরকে উপদেশ ও পরামর্শ দিচ্ছি। এর জন্যে আমি তোমাদের কাছে কোন বিনিময় চাচ্ছি না। বিনিময় তো আমাকে আল্লাহ তাআলাই দিবেন। তিনি সবকিছুর রহস্য অবগত আছেন। আমার ও তোমাদের অবস্থা প্রকাশিত হয়ে আছে। নিম্নের আয়াতটিও এই আয়াতের অনুরূপ আয়াতঃ (আরবী) অর্থাৎ “আল্লাহ তা'আলা নিজের নির্দেশে হযরত জিবরাঈল (আঃ)-কে স্বীয় বান্দাদের যার উপর ইচ্ছা নিজের অহীসহ পাঠিয়ে থাকেন।”(৪০:১৫) তিনি সত্যসহ ফেরেশতা অবতীর্ণ করেন। তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। তাঁর কাছে আসমান যমীনের কিছুই গোপন নেই। আল্লাহর নিকট হতে হক এবং মুবারক শরীয়ত এসে গেছে। আর বাতিল ধ্বংস হয়ে গেছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি বাতিলের উপর হককে নাযিল করে বাতিলকে উড়িয়ে বা মিটিয়ে দিই এবং তার তুষ উড়ে যায়।”(২১:১৮)মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বায়তুল্লাহর মধ্যে প্রবেশ করে তথাকার মূর্তিগুলোকে স্বীয় কামানের কাঠ দ্বারা ফেলে দিচ্ছিলেন এবং মুখে উচ্চারণ করছিলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “(হে নবী সঃ)! তুমি বলে দাও যে, সত্য এসে গেছে এবং বাতিল দূরীভূত হয়েছে, আর বাতিল দূরীভূত হয়েই থাকে।”(১৭:৮১)। (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)কোন কোন তাফসীরকার হতে বর্ণিত আছে যে, এখানে বাতিল দ্বারা ইবলীসকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ সে না পূর্বে কাউকেও সৃষ্টি করেছে, না ভবিষ্যতে কাউকেও সৃষ্টি করতে পারবে। সে মৃতকেও জীবিত করতে পারে না এবং এ ধরনের কোন ক্ষমতাই তার নেই। কথা তো এটাও সত্য। কিন্তু এখানে উদ্দেশ্য তা নয়। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। আল্লাহ তাআলা সত্য সত্যই অহী পাঠিয়ে থাকেন। তাঁর হিদায়াত ও বর্ণনা খুবই সহজ ও সরল। যারা পথভ্রষ্ট হচ্ছে তারা নিজে থেকেই পথভ্রষ্ট হচ্ছে এবং তারা নিজেদেরই ক্ষতি সাধন করছে। যেমন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)-কে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ “আমি এটা আমার নিজের চিন্তা প্রসূত কথা বলছি। যদি তা সঠিক হয় তবে জানবে যে, এটা আল্লাহর পক্ষ হতে। আর যদি ভুল হয় তাহলে জানবে যে, এটা শয়তানের পক্ষ হতে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ) এটা হতে সম্পূর্ণরূপে দায়িত্বমুক্ত। আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদের কথা শুনে থাকেন, তিনি খুব নিকটেই আছেন। আহ্বানকারীর আহ্বানে তিনি সদা সাড়া দিয়ে থাকেন। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে হযরত আবু মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একদা রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় সাহাবীদেরকে বলেনঃ “তোমরা কোন বধিরকেও ডাকছো না এবং কোন অনুপস্থিতকেও ডাকছো না, বরং তোমরা ডাকছো এমন সত্তাকে যিনি শ্রবণকারী, যিনি নিকটেই রয়েছেন এবং যিনি তোমাদের আহ্বানে সাড়া দানকারী এবং তোমাদের প্রার্থনা কবুলকারী।”