ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
เลือกภาษา

ตัฟซีร: An-Nahl 16:100

16:100
انما سلطانه على الذين يتولونه والذين هم به مشركون ١٠٠
إِنَّمَا سُلْطَـٰنُهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ يَتَوَلَّوْنَهُۥ وَٱلَّذِينَ هُم بِهِۦ مُشْرِكُونَ ١٠٠
إِنَّمَا
سُلۡطَٰنُهُۥ
عَلَى
ٱلَّذِينَ
يَتَوَلَّوۡنَهُۥ
وَٱلَّذِينَ
هُم
بِهِۦ
مُشۡرِكُونَ
١٠٠
[100] แท้จริงอำนาจของมันจะมีเหนือบรรดาผู้เป็นมิตรกับมัน และบรรดาผู้ที่พวกเขาเป็นผู้ตั้งภาคีกับพระองค์
ตัฟซีร
ชั้นต่างๆ
บทเรียน
ภาพสะท้อน
คำตอบ
กิรอต
หะดีษ
คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 16:98 ถึง 16:100

৯৮-১০০ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীর (সঃ) ভাষায় তাঁর মুমিন বান্দাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তারা যেন কুরআন পাঠের পূর্বে ‘আঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করে নেয়। ইবনু জারীর (রঃ) প্রভৃতি ইমাম এর উপর ইজমা হওয়ার কথা বর্ণনা করেছেন। আউযু-এর অর্থ ইত্যাদিসহ আলোচনা আমরা এই তাফসীরের শুরুতে লিপিবদ্ধ করেছি। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।এই হুকুমের উপযোগিতা এই যে, এর মাধ্যমে পাঠক কুরআন কারীমের মধ্যে গবড়-জবড় হয়ে যাওয়া এবং আজে বাজে চিন্তা থেকে মাহফুজ থাকে এবং শয়তানী কুমন্ত্রণা থেকে বেঁচে যায়। এ জন্যেই জামহ্র আলেমগণ বলেন, কুরআন পাঠের শুরুতেই আউযুবিল্লাহ পড়ে নিতে হবে। কেউ কেউ এ কথাও বলেন যে, কুরআনপাঠের শেষে পড়তে হবে। তাদের দলীল এই আয়াতটিই। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই সঠিক আর হাদীসসমূহের দ্বারাও এটাই প্রমাণিত হয়। এসব ব্যাপারে সর্বাধিক সঠিক জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলারই রয়েছে। এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তার কোন আধিপত্য নেই তাদের উপর, যারা ঈমান আনে ও তাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে। মহান। আল্লাহর এই খাঁটি বান্দারা শয়তানের গভীর চক্রান্ত থেকে রক্ষা পেয়ে থাকে। তবে যারা তার আনুগত্য করে, তার কথা মত চলে, তাকে নিজেদের বন্ধু ও সাহায্যকারী মনে করে এবং তাকে আল্লাহর ইবাদতে শরীক করে নেয় তাদের উপর তার অধিপত্য হয়ে যায়। আবার ভাবার্থ এও হতে পারে যে, এখানে (আরবি) অক্ষরকে (আরবি) বা কারণবোধক ধরা হবে। অর্থাৎ তারা তার অনুগত হওয়ার কারণে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করতে শুরু করে। এও ভাবার্থ হতে পারে যে, তারা তাদেরকে মাল ও সন্তান-সন্ততিতে তাকে আল্লাহর শরীক মনে করে বসে।