ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
เลือกภาษา

ตัฟซีร: An-Nisa 4:137

4:137
ان الذين امنوا ثم كفروا ثم امنوا ثم كفروا ثم ازدادوا كفرا لم يكن الله ليغفر لهم ولا ليهديهم سبيلا ١٣٧
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ثُمَّ كَفَرُوا۟ ثُمَّ ءَامَنُوا۟ ثُمَّ كَفَرُوا۟ ثُمَّ ٱزْدَادُوا۟ كُفْرًۭا لَّمْ يَكُنِ ٱللَّهُ لِيَغْفِرَ لَهُمْ وَلَا لِيَهْدِيَهُمْ سَبِيلًۢا ١٣٧
إِنَّ
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
ثُمَّ
كَفَرُواْ
ثُمَّ
ءَامَنُواْ
ثُمَّ
كَفَرُواْ
ثُمَّ
ٱزۡدَادُواْ
كُفۡرٗا
لَّمۡ
يَكُنِ
ٱللَّهُ
لِيَغۡفِرَ
لَهُمۡ
وَلَا
لِيَهۡدِيَهُمۡ
سَبِيلَۢا
١٣٧
[137] แท้จริงบรรดาผู้ที่ศรัทธาแล้วปฏิเสธศรัทธาแล้วศรัทธา แล้วปฏิเสธศรัทธา แล้วเพิ่มการปฏิเสธศรัทธายิ่งขึ้นนั้น ใช่ว่าอัลลอฮฺจะทรงอภัยโทษให้แก่พวกเขาก็หาไม่ และใช่ว่าพระองค์จะทรงแนะนำทางใดให้แก่พวกเขาก็หาไม่
ตัฟซีร
ชั้นต่างๆ
บทเรียน
ภาพสะท้อน
คำตอบ
กิรอต
หะดีษ
คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 4:137 ถึง 4:140

১৩৭-১৪০ নং আয়াতের তাফসীর: ইরশাদ হচ্ছে-‘যে ঈমান আনয়নের পর পুনরায় ধর্মত্যাগী হয়ে যায়, অতঃপর আবার মুমিন হয়ে পুনরায় কাফির হয়ে যায়, তারপর কুফরীর উপরেই প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং ঐ অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করে, তার প্রার্থনা গৃহীত হবে না, তার ক্ষমার ও মুক্তির কোন আশা নেই এবং তাকে আল্লাহ তা'আলা সরল সঠিক পথে আনয়ন করবেন না।' হযরত আলী (রাঃ) এ আয়াতটি পাঠ করে বলতেনঃ ধর্মত্যাগীকে তিনবার বলা হবে- তাওবা করে নাও?' এরপর আল্লাহ তা'আলা। বলেন-এ মুনাফিকদের অবস্থা এই যে, শেষে তাদের অন্তরে মোহর লেগে যায়। তাই, তারা মুনিমদের ছেড়ে কাফিরদেকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে। এদিকে বাহ্যতঃ মুমিনদের সাথে মিলেমিশে থাকে আর ওদিকে কাফিরদের নিকট বসে তাদের সামনে মুমিনদের সম্পর্কে উপহাসমূলক কথা বলে বেশ আনন্দ উপভোগ করে। তাদেরকে বলে-“আমরা মুসলমানদেরকে বোকা বানিয়ে দিয়েছি। আসলে আমরা তোমাদের সঙ্গেই রয়েছি।'সুতরাং আল্লাহ তা'আলা তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য তাদের সামনে পেশ করতঃ তাতে তাদের অকৃতকার্যতার কথা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন-“তোমরা চাও যে, কাফিরদের নিকট যেন তোমাদের সম্মান লাভ হয়। কিন্তু তোমাদের ধারণা মমাটেই ঠিক নয়। তারা তোমাদের সাথে প্রতারণা করছে। জেনে রেখো যে, সম্মানের মালিক হচ্ছেন এক এবং অংশীবিহীন আল্লাহ তা'আলা। তিনি যাকে ইচ্ছে করেন, সম্মান দান করেন। যেমন তিনি অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ যে সম্মান যাজ্ঞা করে তবে সমস্ত সম্মান আল্লাহরই জন্যে। (৩৫:১০) আর একটি আয়াতে রয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ ‘সম্মান আল্লাহর জন্যে, তাঁর রাসূলের জন্যে এবং মুমিনদের জন্যে, কিন্তু মুনাফিকরা জানে না।' (৬৩:৮) ভাবার্থ এই যে, হে মুনাফিকের দল! যদি তোমরা প্রকৃত সম্মান পেতে চাও তবে আল্লাহর সৎ বান্দাদের সাথে মিলিত হও, তাঁর ইবাদতের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড় এবং তাঁর নিকট সম্মান যা কর তাহলেই তিনি তোমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মান দান করবেন।মুসনাদ-ই-আহমাদে হযরত আবু রাইহানা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি এখানে উল্লেখযোগ্য যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি অহংকারের বশবর্তী হয়ে স্বীয় মর্যাদা প্রকাশের উদ্দেশ্যে স্বীয় বংশের সংযোগ তার কাফির বাপ-দাদার সঙ্গে জুড়ে দেয় এবং নবম পর্যন্ত পৌছে যায়, সেও তাদের সঙ্গে দশম জাহান্নামী।' এরপর আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে বলেন-“আমি যখন তোমাদেরকে নিষেধ করেছি যে, যে মজলিসে আল্লাহ তা'আলার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করা হচ্ছে এবং ওগুলোকে উপহাস করে উড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, তোমরা সে মজলিসে বসো না। এরপরেও তোমরা ঐ রূপ মজলিসে অংশগ্রহণ কর তবে তোমাদেরকেও তাদেরই অন্তর্ভুক্ত মনে করা হবে এবং তাদের পাপে তোমরাও অংশীদার হবে। যেমন একটি হাদীসে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “যে দস্তরখানায় মদ্যপান করা হচ্ছে তার উপর কোন এমন এক ব্যক্তির উপবেশন করা উচিত নয়, যে আল্লাহর উপর ও কিয়ামতের উপর বিশ্বাস করে থাকে। এ আয়াতে যে নিষেধাজ্ঞার উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে মক্কায় অবতীর্ণ সূরা-ই-আনআমের এ আয়াতটি (আরবী) অর্থাৎ যখন তুমি তাদেরকে দেখবে যে, তারা আমার নির্দেশাবলী সম্বন্ধে বিতর্ক করছে, তখন তুমি তাদের দিক হতে বিমুখ হও।' (৬:৬৮) হযরত মুকাতিল ইবনে হিব্বান (রঃ) বলেনঃ এ আয়াতের (আরবী)-এ ঘোষণাটি আল্লাহ তা'আলার (আরবী)-এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ মুত্তাকীদের উপর তাদের (মুনাফিকদের) হিসেবের কোন বোঝা নেই, কিন্তু রয়েছে শুধু উপদেশ যে হয় তো তারা বেঁচে যাবে।' (৬:৬৯)অতঃপর আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন-“আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মুনাফিক ও কাফিরকে জাহান্নামে একত্রিত করবেন।' অর্থাৎ যেমন এ মুনাফিকেরা এখানে ঐ কাফিরদের কুফরীতে অংশীদার রয়েছে, তেমনই কিয়ামতের দিন চিরস্থায়ী ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির মধ্যে, কয়েদখানার লৌহ শৃংখলে, গরম পানি ও রক্ত-পুঁজ পানে তাদের সঙ্গেই থাকবে এবং তাদের সকলকেই একই সাথে চিরস্থায়ী শাস্তির ঘোষণা শুনিয়ে দেয়া হবে।