ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
เลือกภาษา

ตัฟซีร: Ash-Shu'ara 26:81

26:81
والذي يميتني ثم يحيين ٨١
وَٱلَّذِى يُمِيتُنِى ثُمَّ يُحْيِينِ ٨١
وَٱلَّذِي
يُمِيتُنِي
ثُمَّ
يُحۡيِينِ
٨١
[81] และผู้ทรงให้ฉันตายแล้วทรงให้ฉันมีชีวิต
ตัฟซีร
ชั้นต่างๆ
บทเรียน
ภาพสะท้อน
คำตอบ
กิรอต
หะดีษ
คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 26:78 ถึง 26:82

৭৮-৮২ নং আয়াতের তাফসীরএখানে হযরত ইবরাহীম (আঃ) স্বীয় প্রতিপালকের গুণাবলীর বর্ণনা দিচ্ছেন। তিনি বলেনঃ আমি এসব গুণে গুণান্বিত প্রতিপালকেরই ইবাদত করি। তিনি ছাড়া আর কারো আমি ইবাদত করবো না। তাঁর প্রথম গুণ এই যে, তিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই আমাকে পথ প্রদর্শন করেন। তাঁর দ্বিতীয় গুণ এই যে, তিনিই হলেন প্রকৃত পথ প্রদর্শক। তিনি যাকে চান তাঁর পথে পরিচালিত করেন এবং যাকে চান ভুল পথে পরিচালিত করেন। আমার প্রতিপালকের তৃতীয় গুণ এই যে, তিনি হলেন সৃষ্টজীবের আহার্যদাতা। আসমান ও যমীনের সমস্ত উপকরণ তিনিই প্রস্তুত করেছেন। মেঘ উঠানো, ছড়ানো এবং তা হতে বৃষ্টি বর্ষাননা, তা দ্বারা পৃথিবীকে সঞ্জীবিতকরণ এবং এরপর যমীন হতে ফসল উৎপাদন এসব তারই কাজ। তিনিই সুপেয় ও পিপাসা নিবারণকারী পানি আমাদেরকে দান করেন এবং তাঁর অন্যান্য সৃষ্টজীবকেও দান করে থাকেন। মোটকথা, আহার্য ও পানীয় দানকারী তিনিই। সাথে সাথে আমাদেরকে সুস্থতা দানও তারই কাজ। এখানে হযরত ইবরাহীম (আঃ) পূর্ণ ভদ্রতা রক্ষা করেছেন যে, রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্বন্ধ তিনি নিজের দিকে করেছেন, আর রোগমুক্তির সম্বন্ধ করেছেন আল্লাহ তা'আলার দিকে। অথচ রোগও তো তাঁরই নির্ধারণকৃত ও তৈরীকৃত জিনিস। এই সৌন্দর্য ও নমনীয়তা সূরায়ে ফাতেহাতেও রয়েছে। ইনআম ও হিদায়াতের সম্বন্ধ রয়েছে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলার দিকে। আর গযবের ফায়েল বা কর্তাকে লুপ্ত রাখা হয়েছে। সূরায়ে জ্বিনে জ্বিনদের উক্তিতেও এটাই পরিলক্ষিত হয়। এক জায়গায় তারা বলেছেঃ “আমরা জানি না জগতবাসীর অমঙ্গলই অভিপ্রেত, না তাদের প্রতিপালক তাদের মঙ্গল চান।” এখানেও মঙ্গলের নিসবত বা সম্বন্ধ প্রতিপালকের দিকে করা হয়েছে এবং অমঙ্গলের মধ্যে এই সম্বন্ধ প্রকাশ করা হয়নি। অনুরূপভাবে এই আয়াতেও রয়েছেঃ আমি রোগাক্রান্ত হলে তিনিই আমাকে রোগমুক্ত করেন। ওষুধের মধ্যে ক্রিয়া সৃষ্টি বা তারই হাতে। মরণ ও জীবনের উপরও ক্ষমতাবান তিনিই। প্রথম এবং শেষ তাঁরই হাতে। প্রথমবার তিনিই সৃষ্টি করেছেন। দ্বিতীয়বার তিনিই পুনরুত্থিত করবেন। দুনিয়া ও আখিরাতের পাপরাশি মার্জনা করার ক্ষমতা তারই। তিনি যা চান তাই করেন। ক্ষমাশীল ও দয়ালু তিনিই।