Giriş yap
Giriş yap
Giriş yap
Dil Seçin

Tefsir: Az-Zumar 39:6

39:6
خلقكم من نفس واحدة ثم جعل منها زوجها وانزل لكم من الانعام ثمانية ازواج يخلقكم في بطون امهاتكم خلقا من بعد خلق في ظلمات ثلاث ذالكم الله ربكم له الملك لا الاه الا هو فانى تصرفون ٦
خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍۢ وَٰحِدَةٍۢ ثُمَّ جَعَلَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَأَنزَلَ لَكُم مِّنَ ٱلْأَنْعَـٰمِ ثَمَـٰنِيَةَ أَزْوَٰجٍۢ ۚ يَخْلُقُكُمْ فِى بُطُونِ أُمَّهَـٰتِكُمْ خَلْقًۭا مِّنۢ بَعْدِ خَلْقٍۢ فِى ظُلُمَـٰتٍۢ ثَلَـٰثٍۢ ۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ ٱلْمُلْكُ ۖ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُصْرَفُونَ ٦
خَلَقَكُم
مِّن
نَّفۡسٖ
وَٰحِدَةٖ
ثُمَّ
جَعَلَ
مِنۡهَا
زَوۡجَهَا
وَأَنزَلَ
لَكُم
مِّنَ
ٱلۡأَنۡعَٰمِ
ثَمَٰنِيَةَ
أَزۡوَٰجٖۚ
يَخۡلُقُكُمۡ
فِي
بُطُونِ
أُمَّهَٰتِكُمۡ
خَلۡقٗا
مِّنۢ
بَعۡدِ
خَلۡقٖ
فِي
ظُلُمَٰتٖ
ثَلَٰثٖۚ
ذَٰلِكُمُ
ٱللَّهُ
رَبُّكُمۡ
لَهُ
ٱلۡمُلۡكُۖ
لَآ
إِلَٰهَ
إِلَّا
هُوَۖ
فَأَنَّىٰ
تُصۡرَفُونَ
٦
Sizi bir tek nefisten yaratmış, sonra ondan eşini varetmiştir; sizin için hayvanlardan sekiz çift meydana getirmiştir; sizi annelerinizin karınlarında üç türlü karanlık içinde, yaratılıştan yaratılışa geçirerek yaratmıştır; işte bu Rabbiniz olan Allah'tır. Hükümranlık O'nundur, O'ndan başka tanrı yoktur. Öyleyken nasıl olur da O'nu bırakıp başkasına yönelirsiniz?
Tefsirler
Katmanlar
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
Hadis
39:5 ile 39:6 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

৫-৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিচ্ছেন যে, তিনিই সবারই সৃষ্টিকর্তা, অধিকর্তা এবং শাসনকর্তা। দিবস ও রজনীর পরিবর্তনও তাঁরই হুকুমে হচ্ছে। তাঁর নির্দেশক্রমে দিনরাত্রি শৃংখলার সাথে একের পিছনে আর একটি বরাবরই চলে আসছে। একটির পর অপরটি আসে না এমন কোন সময়ই হয় না। মহান আল্লাহ সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়মাধীন করেছেন। প্রত্যেকেই এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত পরিক্রমণ করবে। কিয়ামত পর্যন্ত এই শৃংখলা ও ব্যবস্থাপনায় কোন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে না। তিনি হলেন মহা পরাক্রমশালী ও ক্ষমাশীল।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একই ব্যক্তি হতে অর্থাৎ হযরত আদম (আঃ) হতে। অথচ মানুষের মধ্যে কতই না পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তাদের রঙ, ঢ, শব্দ, কথাবার্তা, আচার-আচরণ ইত্যাদি সবই পৃথক পৃথক। হযরত আদম (আঃ) হতেই তিনি তাঁর স্ত্রী হযরত হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন। যেমন মহান আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে মানব মণ্ডলী! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হতেই সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তা হতে তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেন, যিনি তাদের দু’জন হতে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দেন।"(৪:১)আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন আট প্রকার আনআম। এর বর্ণনা সূরায়ে আনআমের নিম্নের আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “নর ও মাদী আটঃ মেষের দু'টি ও ছাগলের দুটি।” (৬:১৪৩) (আরবী) অর্থাৎ “এবং উটের দু’টি ও গরুর দুটি।”(৬:১৪৪)। এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তিনি তোমাদেরকে মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে সৃষ্টি করেছেন। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ “আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার উপাদান হতে। অতঃপর ওকে শুক্র বিন্দুরূপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আধারে। পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি আলাকে, অতঃপর আলাককে পরিণত করি পিণ্ডে এবং পিণ্ডকে পরিণত করি অস্থি পঞ্জরে, অতঃপর অস্থি পঞ্জরকে ঢেকে দিই গোশত দ্বারা। অবশেষে ওকে গড়ে তুলি অন্য এক সৃষ্টি রূপে। অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা কত মহান!” তিন অন্ধকার হলোঃ গর্ভাশয়ের অন্ধকার, গর্ভাশয়ের উপরের ঝিল্লীর অন্ধকার এবং পেটের অন্ধকার।আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ তিনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রতিপালক, সার্বভৌমত্ব তাঁরই, তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। বড়ই দুঃখের বিষয় যে, তোমাদের জ্ঞান-বিবেক সব লোপ পেয়ে গেছে। তা না হলে তোমরা এমন মহান ও সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহূকে ছেড়ে অন্যদের কখনো ইবাদত করতে না।