سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: النحل 16:8

16:8
والخيل والبغال والحمير لتركبوها وزينة ويخلق ما لا تعلمون ٨
وَٱلْخَيْلَ وَٱلْبِغَالَ وَٱلْحَمِيرَ لِتَرْكَبُوهَا وَزِينَةًۭ ۚ وَيَخْلُقُ مَا لَا تَعْلَمُونَ ٨
وَّالْخَیْلَ
وَالْبِغَالَ
وَالْحَمِیْرَ
لِتَرْكَبُوْهَا
وَزِیْنَةً ؕ
وَیَخْلُقُ
مَا
لَا
تَعْلَمُوْنَ
۟
اور (اسی نے پیدا کیے) گھوڑے اور خچر اور گدھے کہ تم ان پر سواری کرو اور (تمہارے لیے ہے ان میں) زینت بھی اور (ایسی چیزیں بھی) وہ پیدا کرتا ہے جن کا تمہیں علم ہی نہیں
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث

৮ নং আয়াতের তাফসীর:

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করছেন যে, তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা সৃষ্টি করেছেন বাহন হিসেবে ব্যবহার করার জন্য এবং সৌন্দর্যের জন্য। আগের দিনে মানুষের একমাত্র বাহন ও বোঝা বহনকারী হিসেবে ব্যবহৃত হত ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা। বর্তমানে বিভিন্ন যানবাহন ও মালবাহী গাড়ী তৈরি হওয়ায় এসব প্রাণী বাহন ও বোঝা বহনে প্রায় ব্যবহার ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তবুও মরুর দেশসহ অনুন্নত দেশে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। ভবিষ্যতে এমন দিন আসবে যেদিন আবার মানুষ এসব প্রাণীগুলোকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করবে। সৌন্দর্যের বিষয়টি হল মানুষ এসব লালন-পালন করে তৃপ্তি লাভ করে, আনন্দ উপভোগ করে এবং এসব প্রাণী যখন সারিবদ্ধভাবে চলাচল করে তখন দেখতে খুব সুন্দর দেখায়। তাছাড়া ঘোড়ার সৌন্দর্যের কথা বলার অবকাশ রাখে না। ঘোড়াকে সাজিয়ে তার ওপর বসলে অন্য রকম আনন্দই লাগে।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: উট মানুষের সম্মান, ছাগল তাতে বরকত রয়েছে এবং ঘোড়ার মাথার চুলে কল্যাণ রয়েছে। (ইবনু মাযাহ হা: ২৩০৫, সিলসিলা সহীহাহ হা: ১৭৬৩)

আয়াতে ঘোড়াকে খচ্চর ও গাধার সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে অনেকে মনে করেন যে, এগুলো শুধু বোঝা বহন ও সৌন্দর্যের জন্য, খচ্চর ও গাধার ন্যায় ঘোড়াও খাওয়া নিষেধ। তাদের বুঝ সঠিক হলেও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ঘোড়ার গোস্ত খাওয়ার প্রমাণ রয়েছে। সুতরাং ঘোড়া খাওয়া নিষেধ করা যাবে না। কারণ হাদীসে এসেছে “জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের দিবসে গাধার মাংসকে হারাম করেছেন আর ঘোড়ার মাংস ভক্ষণ করার অনুমতি দিয়েছেন।” (সহীহ বুখারী হা: ৫৫২০, সহীহ মুসলিম হা: ১৪০৭)

তবে ঘোড়ার যাকাত নেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মুসলিম ব্যক্তির দাসে ও ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই। (সহীহ বুখারী হা: ১৪৬৩, সহীহ মুসলিম হা: ৯৮২)

(وَيَخْلُقُ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ)

অর্থাৎ এমন কিছু সৃষ্টি করবেন যা কুরআন নাযিল হওয়ার সময়কার ব্যক্তিরা জানত না। যেমন বাস, ট্রেন, জলজাহাজ, বিমান ও রকেটসহ অত্যাধুনিক সকল উপকরণ ও ভবিষ্যতে আরো যা কিছু সৃষ্টি হবে।

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. ঘোড়ার মাংস খাওয়া বৈধ, ঘোড়ার যাকাত নেই।

২. গাধা ও খচ্চরের মাংস খাওয়া হারাম।

৩. এগুলো বোঝা বহন করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টি করেছেন।