سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الإسراء 17:100

17:100
قل لو انتم تملكون خزاين رحمة ربي اذا لامسكتم خشية الانفاق وكان الانسان قتورا ١٠٠
قُل لَّوْ أَنتُمْ تَمْلِكُونَ خَزَآئِنَ رَحْمَةِ رَبِّىٓ إِذًۭا لَّأَمْسَكْتُمْ خَشْيَةَ ٱلْإِنفَاقِ ۚ وَكَانَ ٱلْإِنسَـٰنُ قَتُورًۭا ١٠٠
قُلْ
لَّوْ
اَنْتُمْ
تَمْلِكُوْنَ
خَزَآىِٕنَ
رَحْمَةِ
رَبِّیْۤ
اِذًا
لَّاَمْسَكْتُمْ
خَشْیَةَ
الْاِنْفَاقِ ؕ
وَكَانَ
الْاِنْسَانُ
قَتُوْرًا
۟۠
آپ کہیے کہ اگر تمہیں اختیار ہوتا میرے رب کی رحمت کے خزانوں پر تب بھی تم ضرور روک رکھتے (انہیں) خرچ ہوجانے کے ڈر سے اور انسان بہت ہی تنگ دل ہے
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث

১০০ নং আয়াতের তাফসীর:

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা অধিকাংশ মানুষের একটি বদ-অভ্যাসের কথা বর্ণনা করছেন। মানুষ মনে করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে ধন সম্পদের অভাব নেই, তিনি তো আমাদেরকে অঢেল সম্পদ দিলেই পারেন। আমাদের দূরবস্থা ও অভাব অনটনে থাকতে হতো না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: আমার কাছে ধন-সম্পদের যে ভাণ্ডার রয়েছে যা কখনো ফুরিয়ে যাবে না, তা যদি তোমাদেরকে দেয়া হয় তাহলে তোমরা এ কথা জানা সত্ত্বেও মানুষকে দান করবে না এ আশংকায় যে, যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে আমরা অভাবে পড়ে যাব। অথচ আমি সৃষ্টির শুরু থেকে মানুষকে ধন-সম্পদ ও নেয়ামত দান করেই আসছি।

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

يَدُ اللّٰهِ مَلْأَي لاَ يَغِيضُهَا نَفَقَةٌ، سَحَّاءُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ، وَقَالَ: أَرَأَيْتُمْ مَا أَنْفَقَ مُنْذُ خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ، فَإِنَّهُ لَمْ يَغِضْ مَا فِي يَدِهِ

আল্লাহ তা‘আলার হাত ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ, দিন-রাত ব্যয় করাতেও তা কমে না। তোমরা কি লক্ষ্য করেছ, আকাশ-জমিন সৃষ্টির পর থেকে কত ব্যয় করে আসছেন, কিন্তু তার পরেও তাঁর হাতে যা রয়েছে তা কমে না। (সহীহ বুখারী হা: ৪৭১১) কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা পরিমিতভাবে দিয়ে থাকেন। অধিক দিলে ফাসাদ সৃষ্টি হবে।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(وَلَوْ بَسَطَ اللہُ الرِّزْقَ لِعِبَادِھ۪ لَبَغَوْا فِی الْاَرْضِ وَلٰکِنْ یُّنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا یَشَا۬ئُ اِنَّھ۫ بِعِبَادِھ۪ خَبِیْرٌۭ بَصِیْرٌ‏)‏

“আল্লাহ তাঁর (সকল) বান্দাদের রুযী বাড়িয়ে দিলে তারা পৃথিবীতে অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করত; কিন্তু তিনি তাঁর ইচ্ছামত পরিমাণেই দিয়ে থাকেন। তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে সম্যক জানেন ও দেখেন।” (সূরা শুরা ৪২:২৭)

(خَشْيَةَ الْإِنْفَاقِ) অর্থ- خشية ان ينفقوا فيفتقروا

অর্থাৎ এ ভয়ে যে, দান করলে ধন শেষ হয়ে যাবে, ফলে তারা নিঃস্ব হয়ে যাবে। মানুষ সংকীর্ণ চিত্তের অধিকারী হওয়ায় কার্পণ্য করে।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(أَمْ لَهُمْ نَصِيْبٌ مِّنَ الْمُلْكِ فَإِذًا لَّا يُؤْتُوْنَ النَّاسَ نَقِيْرًا ‏)‏

“তাদের কি রাজত্বে কোন অংশ আছে? যদি তাদের কোন অংশ থাকত তাহলে লোকদের তিল পরিমাণও দিত না।” (সূরা নিসা ৪:৫৩)

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:

(إِنَّ الْإِنْسَانَ خُلِقَ هَلُوْعًا لا إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوْعًا لا ‏ وَّإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوْعًا ‏)‏

“নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থিরমনা রূপে; যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয় হা-হুতাশকারী। আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয় অতি কৃপণ।” (সূরা মাআ‘রিজ ৭০:১৯-২১)

সুতরাং আল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে নিজের অবস্থানের দিকে লক্ষ্য করা উচিত।

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. দান করার ব্যাপারে কোন কৃপণতা করা যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা যা কিছু দিবেন তা থেকে সাধ্যমত দান করতে হবে।