سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الأنبياء 21:52

21:52
اذ قال لابيه وقومه ما هاذه التماثيل التي انتم لها عاكفون ٥٢
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَا هَـٰذِهِ ٱلتَّمَاثِيلُ ٱلَّتِىٓ أَنتُمْ لَهَا عَـٰكِفُونَ ٥٢
اِذْ
قَالَ
لِاَبِیْهِ
وَقَوْمِهٖ
مَا
هٰذِهِ
التَّمَاثِیْلُ
الَّتِیْۤ
اَنْتُمْ
لَهَا
عٰكِفُوْنَ
۟
جب ابراہیم ؑ نے اپنے والد اور اپنی قوم سے کہا کہ یہ کیا مورتیاں ہیں جن کے لیے تم لوگ اعتکاف کیے رہتے ہو
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث
آپ 21:51 سے 21:56 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

৫১-৫৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, তিনি তাঁর বন্ধু হযরত ইবরাহীমকে (আঃ) বাল্যকাল হতেই হিদায়াত দান করেছিলেন। তাঁকে তিনি তাঁর দলীল প্রমাণাদি প্রদান করেছিলেন ও কল্যাণের জ্ঞান দিয়েছিলেন। যেমন অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “এই হচ্ছে আমার দলীল যা আমি ইবরাহীমকে (আঃ) তার কওমের উপর প্রদান করেছিলাম।” (৬:৮৩) এই কাহিনীটি যে প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে যে, হযরত ইবরাহীমকে (আঃ) তাঁর মাতা তার দুধ পানের যুগেই একটি গুহায় রেখে এসেছিলেন। যেখান থেকে তিনি বহুদিন পর বেরিয়ে আসেন এবং আল্লাহর সৃষ্ট বস্তুর উপর, বিশেষ করে চন্দ্র, তারকা ইত্যাদির উপর দৃষ্টিপাত করে আল্লাহর পরিচয় লাভ করেছিলেন এসব বানী ইসরাঈলের বানানো কাহিনী। নিয়ম এই যে, আমাদের কাছে মহান আল্লাহর যে সত্য গ্রন্থ আল কুরআন এবং সুন্নাতে রাসূল (সঃ) বিদ্যমান রয়েছে, বনী ইসরাঈলের কোন ঘটনা যদি এগুলির সাথে মিলে যায় তবে তা সত্য ও গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি এগুলির বিপরীত হয় তবে তা হবে সম্পূর্ণরূপে বর্জনীয়। যদি তাদের কোন ঘটনার ব্যাপারে আমাদের শরীয়ত নীরব থাকে, ওর অনুকুলও না। হয় এবং প্রতিকলও না হয় তবে যদিও অধিকাংশ তাফসীরকারদের মতে ওর রিওয়াইয়াত করা জায়েয, তথাপি আমরা ওটাকে সত্যও বলতে পারি না এবং মিথ্যাও না। আর এটা তো প্রকাশমান যে, তাদের ঘটনাবলী আমাদের জন্যে সনদও নয় এবং তাতে আমাদের কোন দ্বীনী উপকারও নেই। এরূপ হলে আমাদের ব্যাপক ও পরিপূর্ণ শরীয়ত ওগুলি বর্ণনা করতে মোটেই কার্পণ্য করতো না। আমাদের এই তাফসীরে আমাদের নীতি তো এই রয়েছে যে, আমরা এর মধ্যে বানী ইসরাঈলের এরূপ রিওয়াইয়াত অনিয়ন করি না। কেননা, এতে সময় নষ্ট ছাড়া কোনই উপকার নেই, বরং ক্ষতিই আছে। কেননা, আমাদের বিশ্বাস আছে যে, বানী ইসরাঈলের মধ্যে রিওয়াইয়াতে সত্য-মিথ্যা যাচাই করার কোন যোগ্যতাই ছিল না। তাদের মধ্যে মিথ্যা অনুপ্রবেশ করেছিল, যেমন আমাদের হাফিয ইমমিগণ ব্যাখ্যা করেছেন।মোট কথা, এই আয়াতে মহান আল্লাহ বলেনঃ ইতিপূর্বে আমি ইবরাহীমকে (আঃ) সৎ পথের জ্ঞান দান করেছিলাম এবং তার সম্বন্ধে ছিলাম সম্যক পরিজ্ঞাত।হযরত ইবরাহীম (আঃ) বাল্যকালেই তাঁর কওমের গায়রুল্লাহর পূজাপার্বন অপছন্দ করেন। অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে কঠোর ভাবে তিনি ওটা অস্বীকার করেন। তাঁর কওমকে তিনি প্রকাশ্যভাবে বলেনঃ “এই মুর্তিগুলি কি, যাদের পূজায় তোমরা, রত রয়েছো?'বর্ণিত আছে যে, হযরত ইসবাগ ইবনু নাবাতা' (রঃ) একদা পথ চলছিলেন। পথে এক জায়গায় তিনি দেখতে পান যে, কতকগুলি লোক দাবা খেলায় রত রয়েছে। তখন তিনি তাদের সামনে (আরবী) আয়াতটি পাঠ করেন এবং বলেনঃ “তোমাদের কারো দাবার মোহর স্পর্শ করার চেয়ে হাতে জ্বলন্ত অঙ্গার রেখে দেয়াই উত্তম।" (এটা ইবনু আবি হাতিম (রাঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবরাহীমের (আঃ) ঐ স্পষ্ট দলীলের কোন জবাব তার কওমের কাছে ছিল না। তাই, তারা তাঁকে বললোঃ “আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এগুলির পূজা করতে দেখেছি।” তিনি তখন তাদেরকে বললেনঃ “এটা কোন দলীল হলো কি? তোমাদের উপর আমি যে প্রতিবাদ করছি ঐ প্রতিবাদ তোমাদের পিতৃ পুরুষদের উপরও বটে। তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষরাও স্পষ্ট বিভ্রান্তির উপর রয়েছে। তার একথা শুনে তাদের কান খাড়া হয়ে যায়। কেননা, তারা দেখলো যে, তিনি তাদের জ্ঞানী লোকদেরকে অবজ্ঞা করছেন। তাদের পিতৃ পুরুষদের সম্পর্কে তিনি যে মন্তব্য। করলেন তা তাদের শোনার মত নয়। আর তিনি তাদের উপর উপাস্য দেবদেবীদেরকেও অবজ্ঞা করলেন। তাই, তারা হতবুদ্ধি হয়ে তাঁকে বললোঃ “হে ইব্রাহীম (আঃ)! তুমি কি আমাদের নিকট কোন সত্য এনেছে, না তুমি আমাদের সাথে কৌতুক করছো?” এবার তিনি (হযরত ইবরাহীম আঃ) তাদের কাছে সত্য প্রচার করার সুযোগ পেলেন এবং পরিস্কারভাবে ঘোষণা করলেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক তো আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক, যিনি ওগুলিকে সৃষ্টি করেছেন। সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও অধিপতি তিনিই। তোমাদের এই উপাস্য দেব-দেবীগুলি কোন ক্ষুদ্র ও নগণ্য জিনিসেরও সৃষ্টি কর্তা ও মালিক নয়। সুতরাং তারা উপাস্য ও ইবাদতের যোগ্য কিরূপে হতে পারে? আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, সৃষ্টিকর্তা ও মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনিই ইবাদতের যোগ্য। তিনি ছাড়া অন্য কেউই উপাস্য হতে পারে না।”