سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الأعراف 7:79

7:79
فتولى عنهم وقال يا قوم لقد ابلغتكم رسالة ربي ونصحت لكم ولاكن لا تحبون الناصحين ٧٩
فَتَوَلَّىٰ عَنْهُمْ وَقَالَ يَـٰقَوْمِ لَقَدْ أَبْلَغْتُكُمْ رِسَالَةَ رَبِّى وَنَصَحْتُ لَكُمْ وَلَـٰكِن لَّا تُحِبُّونَ ٱلنَّـٰصِحِينَ ٧٩
فَتَوَلّٰی
عَنْهُمْ
وَقَالَ
یٰقَوْمِ
لَقَدْ
اَبْلَغْتُكُمْ
رِسَالَةَ
رَبِّیْ
وَنَصَحْتُ
لَكُمْ
وَلٰكِنْ
لَّا
تُحِبُّوْنَ
النّٰصِحِیْنَ
۟
تو (صالح ؑ نے) ان سے پیٹھ موڑ لی اور کہا کہ اے میری قوم کے لوگو ! میں نے تو تمہیں اپنے رب کا پیغام پہنچا دیا تھا اور میں نے (امکان بھر) تمہاری خیر خواہی کی لیکن تم تو خیر خواہوں کو پسند نہیں کرتے
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث

সালেহ (আঃ)-এর কওম যে তার বিরোধিতা করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেল, তাই তিনি সেই মৃত দেহকে সম্বোধন করে ধমকাচ্ছেন। তারা যেন শুনতে রয়েছে। কেননা, সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম দ্বারা এটা প্রমাণিত যে, বদর যুদ্ধে নবী (সঃ) যখন কাফিরদের উপর জয়যুক্ত হলেন তখন তিনি তিন দিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলেন। অতঃপর শেষ দিন রাত্রে বিদায়ের প্রাক্কালে কালীবে বদরের (বদরের গর্তের) পার্শ্বে দাঁড়িয়ে যান। কুরায়েশ কাফিরদেরকে সেখানে দাফন করা হয়েছিল। তিনি দাফনকত ব্যক্তিদেরকে নাম ধরে ধরে ডাক দিয়ে বলেনঃ “হে আবু জেহেল ইবনে হিশাম! হে উবা! হে শায়বা! হে অমুক! হে অমুক! তোমরা প্রতিপালকের ওয়াদা পূরণকৃত অবস্থায় পেয়েছ কি? আমি আমার প্রতিপালকের ওয়াদা সদা পূরণকৃত অবস্থায় পেয়েছি।” এ কথা শুনে হযরত উমার (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি কি মৃতদের সাথে কথা বলছেন?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “আল্লাহর শপথ! তোমরা তাদের চেয়ে বেশী শুনতে পাও না। অবশ্যই তারা শুনে তবে উত্তর দিতে পারে না।” সীরাতের গ্রন্থে রয়েছে যে, নবী (সঃ) তাদেরকে সম্বোধন করে বলেছিলেনঃ “নবী গোত্রীয় লোকদের মধ্যে তোমরা খুবই মন্দ লোক ছিলে। বাইরের লোক আমার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছে, অথচ তোমরা আমার গোত্রের লোক হয়েও আমাকে অবিশ্বাস করেছিলে। মদীনাবাসী আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, অথচ তোমরা আমাকে আমার দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলে। তোমরা আমাকে হত্যা করার সংকল্প করেছিলে, অথচ অন্যেরা আমাকে সাহায্য করেছে। নবীর জন্যে তোমরা অত্যন্ত মন্দ গোত্র হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।” অনুরূপভাবে হযরত সালেহ (আঃ) তাঁর কওমকে সম্বোধন করে বলেনঃ “আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌছিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু তোমরা সত্য কথাকে পছন্দই করতে না।” এ জন্যেই ইরশাদ হচ্ছে- আমি তোমাদেরকে উপদেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু সেই উপদেশ তোমাদের কাছে মোটেই পছন্দনীয় হয়নি। কোন এক মুফাসৃসির বর্ণনা করেছেন যে, যে নবীর উম্মত ধ্বংস হয়ে যেতো সেই নবী মক্কার হারামে এসে আশ্রয় গ্রহণ করতেন। আল্লাহই সবচেয়ে বেশী জ্ঞানের অধিকারী।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হজ্ব মৌসুমে নবী (সঃ) যখন আসফান’ উপত্যকার পার্শ্ব দিয়ে গমন করেন তখন তিনি হযরত আবূ বকর (রাঃ)-কে সম্বোধন করে বলেনঃ “হে আবু বকর (রাঃ)! এটা কোন্ জায়গা?” হযরত আবু বকর (রাঃ) উত্তরে বলেনঃ “এটা হচ্ছে আসফান উপত্যকা।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “হযরত সালেহ (আঃ) ও হযরত হূদ (আঃ) উষ্ট্ৰীতে আরোহণ করে কোন এক সময় এখান দিয়ে গমন করেন। উস্ত্রীর লাগাম ছিল খেজুর গাছের রঞ্জু। তাঁদের পরনে ছিল কম্বলের লুঙ্গী এবং চাদর ছিল পালক বা চামড়ার তৈরী। তারা ‘লাব্বায়েক’ ধ্বনি উচ্চারণ করতে করতে বায়তে আতীক'-এর হজ্বের জন্যে যাচ্ছিলেন।” (এটা ইমাম আহমাদ (রঃ) তাখরীজ করেছেন। ইবনে কাসীর (রঃ) বলেন যে, এ পর্যায়ে এই হাদীসটি গারীব)